ডলার ইনকাম সাইট : ডলার ইনকাম করার উপায়।

বর্তমান যুগ ডিজিটাল যুগ। এ যুগে ইন্টারনেট ব্যবহার করে উপার্জন করা মোটেও কঠিন নয়। ইন্টারনেটের দুনিয়ায় আপনি অনেক ভালো ভালো সার্ভিস দেখবেন। যেগুলো থেকে আপনার দ্রুত গতিতে উপার্জন করা সম্ভব করে দেবে। ডলার ইনকাম করার উপায় সম্বন্ধে জানবো।

তাদের মধ্যে বেশিরভাগ এমন সব ওয়েবসাইট এবং এপ্লিকেশন আছে। যেগুলো আপনার দ্রুত টাকা ইনকাম করার উৎস হিসেবে কাজ করবে। বর্তমান যুগে ডলার ইনকাম সাইট এর অভাব নেই। ডলার ইনকাম করার উপায়।

আসলে আপনি চাইলে এক্সট্রা বাক উপার্জন করে নিতে পারেন। অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ফ্রি ডলার উপার্জন করে নিতে পারেন।

ডলার ইনকাম সাইট

ডলার ইনকাম সাইট|ডলার ইনকাম করার উপায়।

ডলার ইনকাম সাইট এ আয় করতে চান? ডলার ইনকাম করার উপায়। যে কোনো সাইট থেকে আপনি ফ্রিতে ডলার উপার্জন করে নিতে পারবেন। বর্তমান যুগে ডিজিটাল কারেন্সি এর মধ্যে সর্বপ্রথমই আসে ডলার। পুরো পৃথিবীতে যে কারেন্সির দাপট তা হলো আমেরিকান ইউ এস ডলার। ইন্টারনেট যুগের ডলার ইনকাম করা টাই মূলত সবচেয়ে বেস্ট।

আজকের আলোচনা করা ওয়েবসাইটগুলোতে আপনি দিনরাত কাজ করে উপার্জন করতে পারেন। যত বেশি কাজ করবেন তত বেশি ইনকাম হবে। মূলত এই প্লাটফর্ম গুলো আপনার বিশ্বস্ত অর্জনে সবচেয়ে উপযোগী। আপনি এখানে বিশ্বস্ততার নষ্ট করবে এমন কোনো পদক্ষেপ দেখতে পাবেন না। 

এমনকি এমন সব ভালো ভালো ওয়েবসাইট আছে। যেখানে আপনি একাই ৯ থেকে ১০টি জব করে একাধারে উপার্জন করতে পারেন।

কিছু কিছু ইউজার রা এসব ওয়েবসাইট থেকে সাপ্তাহিক কিংবা মাসিক হাজার হাজার ডলার উপার্জন করে নেয়। এখন আপনার কাছে এটা দ্বিধান্বিত মনে হতে পারে যে, আমি কিভাবে আপনাকে একটি ভালো ও আসল টাকা ডলার ইনকাম করার ওয়েবসাইট সম্বন্ধে ধারণা দিতে পারি? 

তাহলে চলুন, আপনাকে আজকের 13 টি ডলার ইনকাম সাইট সম্বন্ধে জানাবো। যেগুলো সম্বন্ধে জেনে নিলে আপনিও হয়তো একসময় ওই সকল সাইট থেকে উপার্জন করতে পারবেন।

আমরা আপনাকে এই সাইটগুলোকে সাজেস্ট করতে পারি। তার কারণ এগুলো অনেক বেশি জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত। পাশাপাশি উপার্জন হয় আপনার দক্ষতা অনুসারে। এসকল সাইটগুলো হাজার হাজার এমনকি লাখ লাখ ইউজারদের দ্বারা পরীক্ষিত এবং বিশ্বস্ত। কাজে খুবই কার্যকরী উপায়। ধৈর্য সহকারে পড়বেন আশা করি।


13টি সেরা ডলার ইনকাম সাইটঃ

1. Fatllama: সার্ভিস ভাড়া দিয়ে আয়ঃ

এই ওয়েবসাইট থেকে উপার্জন করার একমাত্র উপায় হলো আপনি কোন একটি সার্ভিস অথবা কোন প্রয়োজনীয় জিনিস কাউকে ভাড়া দিবেন। 

যেমন ধরুন, আপনি চাইলে আপনার একটি লেখনি সে ওয়েবসাইটে গিয়ে ভাড়া দিতে পারবেন। মানে কিছু সময়ের জন্য একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করাতে দিবেন। 

যেটি সম্পূর্ণ ইউনিক থাকবে। এবং একটি সময় পর সে আর্টিকেলটি আপনি  নিজে নিয়ে নিতে পারবেন। একইভাবে সে ওয়েবসাইটটি কিছু সময়ের জন্য উপকৃত হবে। কারণ ওই ওয়েবসাইটটিতে হয়তো কিছু সময়ের জন্য আর্টিকেল র‍্যাংক করবে। এবং ওই আর্টিকেলটা করলে ভালো ভিজিটর আসলে এড দেখে উপার্জন হবে।

কিন্তু একটা সময়ে পর আর্টিকেলটি ডিলিট করে দিতে হবে। কারণ এটি আপনার ভাড়া দেয়া আর্টিকেল। একইভাবে আপনি যে কোন সার্ভিস এখানে ভাড়া দিয়ে উপার্জন করতে পারবেন। এবং এখান থেকে অনেক ইউজার প্রতিদিন 50 থেকে 100 ডলার পর্যন্ত উপার্জন করেন। 

শুধুমাত্র যেকোনো একটি আর্টিকেল, কিংবা প্রয়োজনের জিনিস বা ছবি অথবা একটি প্রোডাক্ট ভাড়া দিবেন, তা কিন্তু না। আপনি চাইলে নিজস্ব পুরো সার্ভিস প্রোভাইড করতে পারেন। এটি হচ্ছে পুরো একটি সিস্টেম যার মাধ্যমে আপনি সম্পূর্ণ ভালো উপায়ে উপার্জন করতে পারেন। ডলার ইনকাম করার উপায়।


2. Shopify: ই-কমার্স সাইট তৈরি করে ডলার ইনকাম।

ই-কমার্স ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করছেন? অথচ শপিফাই কি চিনছেন না? তা তো হতে পারে না। কারণ শপিফাই থেকে মূলত ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলোর সহজেই তৈরি করা যায়। এটি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার প্লাটফর্ম। ওয়েবসাইট তৈরি করার প্লাটফর্ম। 

এখানে একটি অনলাইন স্টোর কিংবা অনলাইন প্রডাক্ট তৈরি করা যায়। সেখান থেকে আপনি সরাসরি ই কমার্স ওয়েবসাইট এর মত করে সার্ভিস করতে পারবেন। একইভাবে এই সাইট থেকে উপার্জন করে নেয়া যাবে। 

এখন প্রশ্ন হলো আপনি শপিফাই থেকে ডলার উপার্জন করবেন কিভাবে? আপনাকে ডলার উপার্জন করতে হবে না। এটি আপনার একটি জব এর মত হয়ে যাবে। যেমন আপনি এখানে ড্রপ শিপিং( Drop Shipping) হিসেবে কাজ করবেন। প্রশ্ন হল,

পড়ুনঃ

জাভা গেম খেলে টাকা আয়।


ড্রপ শিপিং মানে কি? ডলার ইনকাম করার উপায়

ড্রপ শিপিং হলো একজন ব্যক্তি যিনি সরবরাহকারী মানে যে প্রোডাক্ট সেল করবে, যার নিজস্ব প্রোডাক্ট আছে, এবং ক্রেতা অর্থাৎ যে প্রোডাক্টটি ক্রয় করবে তার মধ্যে মধ্যস্থতা তৈরি করে।  মানে আপনি একজন ক্রেতার সাথে একজন বিক্রেতার যোগাযোগ করিয়ে দিবেন। একজন মধ্যস্থতা হিসেবে কাজ করলে এই সাইট থেকে উপার্জন করে নেয়া যায়। অতিরিক্ত কমিশন পাবেন।

তার মানে হল এটি এমন একটি স্মার্ট উপায়। যেখানে আপনাকে কোন প্রোডাক্ট থাকতে হবেনা। ডেলিভারি করার জন্য কোন চিন্তা করতে হবে না। এমনকি প্রোডাক্টটি ছুয়েও দেখতে হবে না। আপনি শুধু করবেন ড্রপ শিপিং। মানে বিক্রেতা এবং ক্রেতার মধ্যে মধ্যস্থতা তৈরি করে দিবেন। এর জন্য একটি ই-কমার্স সাইট তৈরি করিয়ে দিতে পারেন। অনেকটা এমাজন অনলাইন স্টোরের মতো।

এখানে কাস্টমার যখন একটি প্রোডাক্ট ক্রয় করবে, একইভাবে ও সরবরাহকারী ব্যক্তি যে বিক্রয় করবে তার মধ্যবর্তী অংশে নিজস্ব কমিশন পাবেন চার্জ হিসেবে। তারা যে লেন-দেন করবে তার সিকিউরিটির জন্য আপনি কমিশন নিবেন। 

শপিফাই(Shopify) কি? 

শপিফাই কে বলা হয় SaaS। তার মানে হল software as a service। এটি এমন একটি ই-কমার্স প্লাটফর্ম যেটি যে কোন একক ব্যক্তি অথবা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নিজেদের অনলাইন স্টোর তৈরি করতে সুবিধা দেয়।

যখন আপনি এই সাইটের এডমিন প্যানেল এ যোগদান করবেন, মানে হল বিভিন্ন স্টোরের ডাটা, প্রোডাক্ট, এমনকি অর্ডার প্রসেস এর সম্বন্ধে জানতে এডমিন প্যানেল যোগদান করবেন। তার জন্য আপনাকে মাসিক ফি দিতে হবে শপিফাই ওয়েবসাইটকে। Shopify এ নিজস্ব ডিজাইনেবল এবং ফ্রি ই-কমার্স  টেমপ্লেট আছে।

 ই কমার্স ওয়েবসাইট এর জন্য, চাইলে নিজস্ব ওয়েব সাইট তৈরী করে নিতে চাইলে এই সাইটে যোগাযোগ করতে পারেন। বা এই সাইটে থেকে ভালো টেমপ্লেট অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নিজের একটি প্লাটফ্রম তৈরি করতে পারেন।

ড্রপ শিপিং করে যদি অনলাইনে উপার্জন করতে চান। তবে আপনাকে একটি ই-কমার্স প্লাটফর্ম তৈরি করতে হবে। শপিফাই এর মত ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করুন। ধরুন, আপনি একটি প্লাটফ্রম তৈরি করে নিলেন, যেখানে পণ্য কিংবা সার্ভিস প্রোভাইড করানো যায়। 

ওই ইকমার্স সাইট এ আপনি শুধু একজন এডমিন প্যানেল হিসেবে কাজ করবেন। অর্থাৎ সম্পূর্ণ ক্রয়-বিক্রয় আপনি নিয়ন্ত্রণ করবেন। শুধুমাত্র বাড়তি সরবরাহকারী এবং ক্রেতা আপনার ওয়েবসাইটে আসবে। যার মধ্যে যে প্রোডাক্ট সরবরাহ করবে, অর্থাৎ বিক্রেতা নিজস্ব সার্ভিস বা প্রোডাক্ট এসে সরবরাহ করা বা প্রোভাইড করবে। 

একইভাবে কাস্টমার এসে সেখান থেকে ক্রয় করে নিবে। এর মাঝে আপনার ওয়েবসাইট ব্যবহার হবে৷ অতিরিক্ত কমিশন আপনি সেখান থেকে উপার্জন নিতে পারেন। এর জন্য সবচেয়ে শপিফাই ভালো, তার কারণ এখান থেকে অনলাইনে তৈরি করে নেয়া যায়।

এখন ক্রেতা ও বিক্রেতা আনার জন্য আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হবে!

পড়ুনঃ

ডলার ইনকাম সাইট এ আয় মোটেও কঠিন নয়। তার কারণ যদি একটি ইন্টারন্যাশনাল মানের ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে পারেন, মানে হল আপনি শুধু ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। তবে লেনদেন করার ক্রেডিট কার্ড থাকতে হবে। এবং মাস্টার ও ডেবিট কার্ডের প্লাগিন থাকতে হবে অর্থাৎ সংযোগ থাকতে হবে।

তাছাড়া যদি দেশি ই কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান, তবে খুব লোকাল পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করেই তৈরি করতে পারেন। যেমনঃ বিকাশ, নগদ এরকম।


3. MiPic: ফটো বিক্রি করার ডলার ইনকাম সাইট।

ফটোগ্রাফি করার কি কোনো শখ আছে?  আপনার কাছে এরকম কোন রেয়ার ফটো আছে? যেগুলো আপনি প্রায় সময় তোলেন। যে কারোরই ফটোগ্রাফি করার বিশেষ শখ থাকে। সে স্বপ্নই অনেকের আবার প্রফেশন হয়ে দাঁড়ায়। 

আপনার নিজস্ব আঁকা চিত্র আর মূল্যবান ফটোগ্রাফ, কোন এনিমেশন যদি থাকে তাহলে তার যথেষ্ট কদর প্রদান করবে এই ওয়েবসাইট MiPic। যদি অতিরিক্ত ডলার আয় করে নিতে চান, তাহলে আপনি বিক্রি করে দিতে পারেন আপনার করা ফটোগ্রাফ, ছবি ইত্যাদি।

আপনি কোন একটি আর্ট তৈরি করেন। অথবা কোন একটি প্রডাক্টের ডিজাইন করলেন। অনেকে এরকম  যে প্রিন্ট, টি শার্টের ডিজাইন করে নিজের মন মত করে। একইভাবে প্রফেশনাল ফ্যাশন আইটেমের ডিজাইন করে নেয়।  এ সকল আইটেম এই ওয়েবসাইটে চড়া দামে বিক্রি করা যায়।

যেকোনো ক্যানভাস আর্ট (Canvas Art), ফটো প্রিন্ট, এমনকি ওয়ালপেপার এখানে এলাও করে। সেগুলো বিক্রি করেও আপনি উপার্জন করতে পারেন। এখানে নিজস্ব ক্রেতা আছে। মানে অন্যান্য কাস্টমার আসে। ক্রয় করে নেয়ার জন্য। আপনার কপিরাইট থাকা যে কোন একটি ইমেজ যখন কোন কাস্টমার কে প্রদান করবেন। তবে অবশ্যই ইমেজের কপিরাইট কাস্টমার কে প্রদান করে দিতে হবে।

অনেক ধরনের ভ্যারাইটি থাকায় এই ওয়েবসাইটটি হল ডলার ইনকাম সাইট গুলোর মধ্যে অন্যতম। যেখানে আপনি নিজের মেধা দেখিয়ে ডলার উপার্জন করে নিতে পারবেন। এখানে আপনি যেকোন ইমেজ সেল করতে পারবেন। এবং তার 20 ভাগ পর্যন্ত কমিশন সাইটটিকে প্রদান করতে হবে।

এটিতে অনেক বেশি ভিজিটর এর অভাব নেই। মানে এখান থেকে সহজেই উপার্জন করা যায়। যেকোনো ইনকাম করার পদ্ধতির মধ্যে এটি সুপার Easy।


5. Upwork: জনপ্রিয় ফ্রীল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম।র

আপওয়ার্ক একটি ফ্রিল্যান্সিং সাইট। ফ্রিল্যান্সার কথা বললে সবার আগে চলে আসে Upwork। যদি ডাটা এন্ট্রি করার জব করতে চান, তবে অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং সাইটে যেতে হয়। তার মধ্যে আবার ফ্রী ডলার উপার্জন করার অন্যতম ওয়েবসাইট Upwork। তার কারণ এখানে কোনো ইনভেস্ট করতে হয় না।

এখানে আপনি নিজের দক্ষতা দেখিয়ে সহজে ডলার উপার্জন করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে অনেকে কোর্স করে নেয়। যাতে করে ভালো ফ্রিল্যান্সার হতে পারে। বাংলাদেসে ফ্রীলান্সিং ব্যাপক জনপ্রিয়। বাংলাদেশী ফ্রীল্যান্সার তরুণ রয়েছে, যারা ছয় ডিজিটের টাকা উপার্জন করে শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সিং করে। 

পড়ুনঃ

ফ্রিল্যান্সিং এর বিভিন্ন উপকার পাওয়া যায়। তাছাড়া তাছাড়া ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলো শিখে নিলে ভবিষ্যতে উপকার পাওয়া যায়। ফ্রিল্যান্সিং এ বিভিন্ন কাজের মধ্যে আছেঃ ওয়েবসাইট ডেভেলপ, ওয়েবসাইট তৈরি, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং, ফটোগ্রাফি, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, কার্টুন ও এনিমেশন কাজ, আর্টিকেল রাইটিং, কন্টেন্ট তৈরি ইত্যাদি।

যেকোনো ওয়েবসাইট ডেভেলপিং কিংবা সৃজনশীল লেখালেখির মাধ্যমে এ সাইটে উপার্জন করানো যায়। তাছাড়া আপনি যদি মার্কেটিং সম্বন্ধে জানেন। অর্থাৎ ডিজিটাল মার্কেটার হন, তবে ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে আপনি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করতে পারেন। এখানে লোগো মেকিং কিংবা গ্রাফিক ডিজাইনিং করে অনেকে লাখ লাখ টাকা উপার্জন করে নেয়। 

ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় Upwork। কাজেই এখানে নিয়ে আসলাম ডলার ইনকাম করার জন্য। আপনি যেন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে পারেন এজন্য। আপনাকে একটি ভালো ওয়েবসাইট থেকে কিংবা ভালো কোর্স প্লাটফর্ম থেকে কোর্স ডাউনলোড করে শিখে নিতে হবে। 

ফ্রীল্যান্সিং কাজগুলোতে দক্ষ হতে হবে। নিজের ওয়েবসাইটে কাজগুলো প্রতিফলন করতে হবে। তারপর আপনি সেখানে ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে কাজ করবেন। আপনার কিছু অভিজ্ঞতা এমনকি এক্সপেরিয়েন্স থাকলে আরো ভালো হয়। বিশেষ বিশেষ সার্টিফিকেট অর্জন করে নিন। যাতে করে আপনার প্রোফাইল ঠিকমতো সাজিয়ে নিতে পারেন। এবং যেকোনো কাস্টমারকে সহজে আকৃষ্ট করতে পারেন।

বলে রাখা ভাল, আপনি যখন 500 ডলার উইথড্র করতে যাবেন। তখন আপনার কাছ থেকে 20 ভাগ কমিশন কেটে নিবে আপওয়ার্ক। 

তাছাড়া যদি আপনি 500 ডলার থেকে 10 হাজার ডলারের মধ্যে উপার্জন করে নেন, তবে আপওয়ার্ক আপনার কাছ থেকে শুধু মাত্র 10 ভাগ কমিশন কাটবে। যখন আপনি উইথড্রো নিবেন৷ 

পরবর্তীতে আপনার উপার্জন যখন 10 হাজার ডলারের পার হয়ে যাবে। তারপর আবার আপনার থেকে শুধু মাত্র  5 ভাগ কমিশন কাটবে।


6. Clickbank: এফিলিয়েশন করে ডলার ইনকাম করুন

ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য ক্লিকব্যাংক সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এখানে প্রায় 6 মিলিয়ন প্রোডাক্ট, 200 মিলিয়ন কাস্টমার এভেলেবেল রয়েছে।

তাছাড়া এখানে আছে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম। অ্যাফিলিয়েট প্রমোট করে আপনি 75 ভাগ পর্যন্ত কমিশন উপার্জন করতে পারবেন।

এ সাইটের একটি নিজস্ব ট্রাকিং সিস্টেম আছে। যখন আপনি এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ কাউকে জয়েন করাবেন, সাথে সাথে আপনাকে অটোমেটিক সিস্টেম 75 ভাগ পর্যন্ত কমিশন দিবে।

এই ওয়েবসাইটটি কাজ করার সুন্দর পরিবেশ দিবে। যেখানে কাজ করার সুবিধা পাবেন। বিভিন্ন টুলস ব্যবহারের সুবিধা আছে।

 

7. Zirtual: ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট হোন।

এই  ওয়েবসাইটে মূলত ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাজ করতে পারে। আপনি যদি কোনো সোশ্যাল মিডিয়ায় এসিস্ট্যান্ট কিংবা ওয়েবসাইট অ্যাসিস্ট্যান্ট হন। যেকোনো একটি ওয়েবসাইট ম্যানেজ করা দক্ষতা থাকলেই আপনি ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতে পারেন। 

কখনো কখনো কল সেন্টারের একজন এসিস্টেন্ট এর জন্য প্রয়োজন হতে পারে। সে দিক থেকে সকল প্রকার এসিস্টেন্ট এ সাইটে কাজ করে।

পড়ুনঃ

একজন ভ্রাম্যমাণ কর্মী হিসেবে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাজ করে। আপনি ক্লায়েন্টদের বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা প্রদান করবেন। ওয়েবসাইট ম্যানেজ করবেন। হঠাৎ করেই যাতে ওয়েবসাইটে স্প্যামিং অথবা বুলিং এর শিকার হতে না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর দায়িত্ব নিতে হয়।

মিটিং সিডিউল, বিল পে করা তার কাজ। আর কিছু ওয়েবসাইটে ট্রাভেলিং টিকেট বুকিং করাও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এত দায়িত্ব।

Zirtual এ একজন ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রতি ঘন্টায় 12 থেকে 15 ডলার উপার্জন করে। Zirtual মধ্যস্ততা হিসেবে কাজ করে। বিভিন্ন কোম্পানির সাথে ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট এর ডিলটি সম্পন্ন করিয়ে দেয়৷ Zirtual। 

একজন এক্সপেরিয়েন্স এবং দক্ষ ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট মাসিক 5000 ডলার পর্যন্ত উপার্জন করে নিতে পারে।


8. Shareasale: এফিলিয়েট ও স্পন্সর।

ShareASale একটি জনপ্রিয় এবং ভালো পেমেন্ট করা ওয়েবসাইট। এখানে এফিলিয়েট মার্কেটিং প্লাটফর্ম রয়েছে। যেখান থেকে মার্চেন্ট এবং অ্যাফিলিয়েট উভয়ই উপকৃত হয়। এবং ভালো কমিশন পায়। 

যে কোন সাধারণ মানুষকে অসাধারণ উপায়ে ইনকাম করার সুযোগ দেয় এই ওয়েবসাইটটি। আপনি একজন সাধারন ইন্টারনেট ইউজার। কিন্তু এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে আপনার একটুও দক্ষতা নেই। সাধারন লিংক শেয়ারিং এর মাধ্যমে যদি কাউকে জয়েন করাতে পারেন, তাহলেও আপনি ব্যাপক উপার্জন পাবেন।

এখানে অ্যাফিলিয়েটস খুব কদর রয়েছে। এবং খুবই ভালো রেঞ্জ উপার্জন দেয়া হয়। চেষ্টা করা হয়, যেকোনো একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর বিক্রি আরো বৃদ্ধি করার জন্য। যার কারণেই মূলত এটি একটি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্লাটফর্ম।

কত টাকার পণ্য আপনি বিক্রি করাতে পেরেছেন  তার উপর ভিত্তি করে কমিশন দেয়া হয়। এবং সে কমিশন পণ্যের মোট বিক্রয় মূল্যের 10 ভাগ থেকে শুরু হয় পরবর্তীতে একটি পন্য থেকে সর্বোচ্চ 40 ভাগ পর্যন্ত কমিশন নেয়া যায়।

আপনার কোন ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া পেজ থাকলে আরো ভালো উপার্জন করতে পারবেন। যেকোনো পণ্য স্পন্সর করে অথবা এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ভালো আয় হয়।


10. Fiverr: সার্ভিস প্রোভাইড করে ডলার আয় করুন।

ফাইবারে আপনি যে কোন একটি প্রফেশনাল সার্ভিস প্রোভাইড করতে পারবেন। ফাইবার মূলত গিগ (Gig) তৈরি করার ওয়েবসাইট। এখানে নিজস্ব সার্ভিস প্রোভাইড করার জন্য আলাদা গিগ তৈরি করতে হবে। 

বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আলাদা গিগ রয়েছে। সেটিকে অবশ্যই আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করাতে হবে। প্রশ্ন হলো, গিগ কি?

গিগ একটি বিষয়-বস্তু যা আপনার সার্ভিস সম্বন্ধে তথ্য প্রদান করবে। আপনি কি সার্ভিস প্রোভাইড করেন, সে সার্ভিস থেকে কত পেমেন্ট নিবেন তা সরাসরি কাস্টমারদের কে জানান দেয়ার জন্য। এমনকি সার্ভিসটির জন্য কাস্টমারের সাথে কন্টাক্ট করা উল্লেখ থাকে।

গিগ সম্পূর্ণ পড়ে যখন ক্লায়েন্ট আপনার কাছে কোন একটি সার্ভিস অর্ডার করবে। সে অর্ডার অনুযায়ী কাজ করলে বা সার্ভিস প্রোভাইড করে দিলেই উপার্জন হবে।

মূলত ফাইবার অনেকটা ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট এর মত। তবে ফাইবারের যে কেউ চাইলে উপার্জন করতে পারে। এবং যেকোনো সময় জয়েন দিতে পারেন। ফাইবারে আপনার গিগ  অপটিমাইজেশনের উপর ভিত্তি করে বেশি বেশি ভিও আসবে। বেশি সার্ভিস অর্ডার আসার সম্ভাবনাও তত বেশি হবে। 

একটা সময় বেশি বেশি অর্ডার আসলে, আপনি চাইলে সার্ভিস প্রাইস/মূল্য বাড়িয়ে দিতে পারেন। মানে হল আপনার সার্ভিস এর মূল্য বাড়িয়ে দিতে পারেন। এতে করে আপনার কদর বাড়বে , উপার্জনও বেশি আসবে। 

ফাইবারে মূলত ওয়েবসাইট ডেভেলপ, গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রুভাল সার্ভিস, কন্টাক্ট মার্কেটিং, আর্টিকেল লেখালেখি, গ্রাফিক ডিজাইন, লোগো ডিজাইনের কাজ ব্যাপক জনপ্রিয়।

আপনার মিনিমাম যোগ্যতা থাকলে এখানে প্রতি ঘণ্টায় 50 ডলার পর্যন্ত উপার্জন করা সম্ভব।


11. Swagbucks: জরিপ ও টাস্ক পূরণ করার সাইট।

সোয়াগবাক্স একটি জনপ্রিয় সার্ভে বা জরিপ পূরণ করার সাইট। জরিপ পুরন করে আপনি এখানে নিমিষেই ডেইলি কম করে হলেও 10 ডলার উপার্জন করতে পারেন।  প্রতিটি জরিপ থেকে এক ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ 20 ডলার পর্যন্ত উপার্জন করা যায়। একটি জরিপ মূলত 10 থেকে 12 মিনিট, সর্বোচ্চ 20 মিনিটের হয়ে থাকে। 

সে জরিপটিতে আপনাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হবে। নিজস্ব মতামত দিয়ে খুব সহজেই উপার্জন করা যায়। শুধু যে জরিপ পূরণ করে উপার্জন হয় তা কিন্তু না,  সোয়াগ বাক্স একটি ভিডিও শেয়ার এর মত কাজ করে। 

এখানে ভিডিও দেখে উপার্জন করা যায়।  কিছু গেম খেলে খুব সুন্দর ভাবে উপার্জন করা যায়। এখানে পেমেন্টের জন্য নিজস্ব এসবি(SB) পয়েন্ট আপনাকে কালেক্ট করতে হবে।  পরবর্তীতে গুগল প্লে গিফট কার্ড বা আমাজন গিফট কার্ড অর্জন করা যায়,  রিডিম করে নেয়া যায়।

এখানে সাইন আপ বা রেজিস্ট্রার করলেই ১০ ডলার বোনাস দেয়া হয়।

Swagbucks এ আয় করার উপায়সমূহ:

১) জরিপ পূরণ।

২) অনলাইন শপিং

৩) সোয়াগবাক সার্চ।

৪) ভিডিও দেখে আয়।

৫)  গেম খেলে আয়।

৬) গিফট কার্ড ক্রয়।


13. Validately: মাইক্রো জব করে আয়।

validately এই ওয়েবসাইটটি একটি জেন্যুইন অনলাইন আর্নিং ওয়েবসাইট। এখান থেকে খুব সহজে ডলার ইনকাম করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে কিছু সংখ্যক টাস্ক পুরন করতে হবে। আপনার নিজস্ব আইডিয়া দিয়ে অথবা ওপেনিয়ন তাদের সাথে শেয়ার করে উপার্জন করতে পারেন  

তাদের নিজস্ব রেফার করার অপশন আছে। মানে আপনি চাইলে রেফার করে উপার্জন করতে পারেন। একই ভাবে এটার নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং এপ্লিকেশন আছে। সেখান থেকেও আয় করা যাবে। 

পড়ুনঃ

এখানে কিছু ওয়েব টেস্টিং এর কাজ আছে। এখানে প্রতিদিনের জন্য এভেলেবেল রয়েছে।  ওয়েব টেস্টিং করে ভালোমতো উপার্জন করতে পারেন। শুধুমাত্র যে সবাইকে টেস্টার হিসেবে কাজ করতে হবে তা কিন্তু না। এখানে ভালো ভালো রাস্তা আছে আয় করার।  যেগুলো কম্পিউটার অথবা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে করে নিতে পারেন।

এখানে কাজ করার জন্য কি কি প্রয়োজন?

১)  প্রথমত আপনার একটি মাইক্রোফোন থাকতে হবে। 

২) কম্পিউটার থাকতে হবে । 

৩) গুগল ক্রোম ব্রাউজার। 

৪) আর হ্যাঁ এই ওয়েবসাইটটি আপনি শুধুমাত্র কম্পিউটারে ব্যবহার করলে উপকৃত হবেন। তা ছাড়া ভালো ইন্টারনেট কানেকশন। 

৫) আপনার বয়স কমপক্ষে 18 বছর হতে হবে। 

৬) তাছাড়া ভালো ইংরেজিতে কমিউনিকেট বা যোগাযোগ করার দক্ষতা থাকতে হবে।

৭) তাছাড়া আপনি একটি পেপাল একাউন্ট থাকতে হবে। পেমেন্ট রিসিভ করার জন্য।


14. Udemy: কোর্স, টিউটোরিয়াল বানিয়ে ইনকামঃ

উদেমি একটি ডলার ইনকাম সাইট। তার কারণ এখানে কোর্স জমা দিয়ে সেগুলো বিক্রি করা যায়। আপনি বাংলাতে বা ইংরেজিতে যেকোনো ভাষায় কোর্স দিতে পারেন। কোর্সটি ভিডিও আকারে, শর্ট ভিডিও আকারে আপলোড করতে পারেন। একইভাবে চাইলে লেখার মাধ্যমে আপলোড করতে পারেন। মানে ব্লগ লেখালেখির মাধ্যমে।

প্রতি ইউজার যদি আপনার কোর্স ক্রয় করে নেয়। তাহলে কমে 1 ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ 500 - 1000 ডলার পর্যন্ত উপার্জন করা যায়। উদেমি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় অনলাইন কোর্স এবং একটি লার্নিং ওয়েবসাইট হিসেবে। এখান থেকে যেকোন বিষয়ে ভালো জ্ঞান আহরণ করা যায়। এবং উভয় ধরনের কোর্স অ্যাভেলেবল আছে। 

উদেমি শুধু যে দেখতে লার্নিং ওয়েবসাইট; তা কিন্তু না। এটি একটি ট্রেনিং মার্কেটপ্লেস। অনেকটা ইভে এবং অ্যামাজন কেউ এলাও করে। এখানে যে কোন বিষয়ে পরামর্শের এমনকি ক্রয়-বিক্রয় করার ক্ষেত্রে বিশেষ ট্রেনিং পাওয়া যায়। 

এটি সম্পূর্ণ ওয়েব ডেভেলপারের প্রশিক্ষণ দেয়। ডিজাইনার হওয়ার প্রশিক্ষণ দেয়। এমনকি ব্লগ লেখালেখির প্রশিক্ষণও দিয়ে থাকে। .

আসলে আপনি মাসে উদেমি থেকে কত টাকা উপার্জন করবেন? সেটি সম্বন্ধে বলে দেওয়া মোটেও সহজ নয়। কারণ এমন অনেকে ইউজার আছে, যারা 700 ডলার মাসিক উপার্জন করে। মূলত আপনার কোর্স টিউটিরিয়াল কত বেশি কাস্টমাররা ক্রয় করে নিবে তার উপর ভিত্তি করে আপনার উপার্জন বেশি হবে।

ধরুন, আপনি একটি প্রথমবার প্রশিক্ষণ কোর্স আপলোড করলেন। যেটি 60 জন ইউজার 10 ডলার করে ক্রয় করে নিল। তাহলে আপনার সেখানে উপার্জন হয়ে গেল 600 ডলার।  যদি কিভাবে আপনার কোর্স যদি ভালো না হয় এবং কম মূল্যে কষ্ট বিক্রি করাতে চান। তবে ধরুন  যদি এক ডলারে আপনার কোর্সটি ক্রয় করে নেয়। তবে উপার্জন হবে 60 ডলার। যেটি যে কারও জন্যই তত বেশি নয়।

উদেমি থেকে খুব সহজে প্যাসিভ ইনকাম করা যায়। একটি কোর্স আপলোড করে এটা থেকে ধাপে ধাপে উপার্জন আসবে।

এছাড়া এটি মনে রাখা উচিত যে, যদি উদেমি দিয়ে কাজ করতে চান। তাহলে আপনার একটি পেপাল একাউন্টে প্রয়োজন। কারণ হলো পেপাল ব্যবহার করে এখানে সহজে পেমেন্ট রিসিভ করানো যায়। পেপাল না থাকলে ভিসা কার্ড, মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট নেওয়া যাবে।

উদেমি তে কি ধরনের কোর্স আপলোড করানো যায়?

আপনার যদি ইন্টারনেট এর কোনো একটি কাজে ভালো দক্ষতা থাকে। তাহলে সে বিষয়ে একটি কোর্স তৈরি করতে পারেন। বর্তমান ইন্টারনেট দুনিয়ায় শিখা এবং শিখানো খুবই বেশি জনপ্রিয়। এই উপায় অবলম্বন করে কোর্স তৈরি করে সেটি আপলোড করে নেয়া যায়। এবং সংখ্যা যদি বেশি হয় তাহলে বেশি উপার্জন হবে।

আপনি ব্লগ লেখালেখি, আর্টিকেল রাইটিং, কনটেন্ট রাইটিং ও ম্যানেজমেন্ট, ওয়েবসাইট তৈরি, ওয়েবসাইট ডেভেলপ, গ্রাফিক ডিজাইনিং তাছাড়া ইলাস্ট্রেটর এর কাজগুলো শেখানো এসব কোর্স আপলোড করতে পারেন। সে কোর্সগুলোতে ভালো মূল্য আছে।

আপনার প্রতিটি কোর্সের যত উপার্জন আসবে তার 5% উদেমি নিজেই নিয়ে নিবে।


16. Amazon.com: ড্রপ শিপিং, প্রোডাক্ট বিক্রি করে আয়।

অ্যামাজন থেকে আয় করার কথা বলছি। অনেকে শুনে চমকে উঠেছেন। কারণ অ্যামাজন হলো পুরো পৃথিবীতে এক নম্বর অনলাইন স্টোর। অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ বেজস কে আমরা সবাই চিনি। 

অ্যামাজনে মিলিয়ন মিলিয়ন ক্রেতা এবং বিক্রেতা রয়েছে। 2020 সাল অনুযায়ী অ্যামাজন 3.6 বিলিয়ন সম্পত্তির অধিকারী।

অ্যামাজনে আফিলিয়েশন, ড্রপ শিপিং প্রডাক্ট বিক্রয় করে, অন্যান্য প্রাইভেট সার্ভিস প্রোভাইড করে উপার্জন করা যায়। যেমনঃ 

1. Merch by Amazon

2. Fulfillment by Amazon (FBA)

3. Join Amazon Affiliate

4. Dropshipping with FBM

5. Amazon: Kindle e-books

6. Amazon Mechanical Turk

7. Selling Apps


শেষকথাঃ

আজকে আর্টিকেলে আমি বিস্তারিত কতগুলো ওয়েবসাইট নিয়ে আলোচনা করলাম। যেগুলো থেকে ডলার ইনকাম করা যায়। যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি কে সাবস্ক্রাইব করে নিতে পারেন। 


পাশে একটি বেল আইকন আছে। সে বেল আইকনে ক্লিক করে ধাপে ধাপে কাজ সম্পন্ন করলে সাবস্ক্রাইব হয়ে যাবে। তাছাড়া যদি নতুন হন, তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। কারণ আমাদের ওয়েবসাইটের তেমন একটা কমেন্ট আসে না। আল্লাহ হাফেজ। সবাইকে ধন্যবাদ।

Naimul Islam

নাইমুল ইসলাম Expert Bangladesh এর Founder এবং Owner। সে অবসর সময়ে ব্লগিং ও লেখালেখি করতে ভালোবাসে। একইভাবে অনলাইনে নতুন কিছু শেখা তার প্রধান শখ।

Post a Comment

কমেন্ট করার মিনতি করছি। আমরা আপনার কমেন্টকে যথেস্ট মূল্য প্রদান করি। এটি আমাদের সার্ভিসের অংশ।

তবে কোনো ওয়েবসাইট লিংক প্রকাশ না করার অনুরোধ রইল।

Previous Post Next Post