ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার উপায়




ছাত্রদের-জন্য-অনলাইনে-আয়


ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়


অনলাইন ট্রান্সলেট, মার্কেটিং, ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে জবস সম্বন্ধে আমরা সবাই একটু-আধটু জানি। কিন্তু ছাত্র অবস্থায় ইংরেজি শিখিয়ে ইনকাম করার ব্যাপারে হয়তো অনেকেই জানেন না। আসলে করোনাকালে অনলাইনে টিউশন এর এক নতুন পদ্ধতির উদ্ভব হওয়ায়। অনলাইনে ইংরেজি শিখিয়ে আয় করার ব্যাপারেও কিছু বলতে চাইলাম । 

এখানে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ছাত্র অবস্থায় আয়, ছাত্রদের ইনকাম ব্যাপারটা খুবই কঠিন কিছু না। অসংখ্য ছাত্র আছে, যারা এ বয়সেই ভালো ইনকাম করা শুরু করে। কিছু উপায় অবলম্বন করে যেকেউ ছাত্র থাকা কালীন উপার্জন করা শুরু করতে পারে।

ছোট ছেলেমেয়েদের থেকে শুরু করে বড় সকল ধরনের স্টুডেন্টদের আপনি ইংরেজি শিখাতে পারেন। আবার ছাত্র অবস্থায় ইনকাম করতে পারবেন। সে মোতাবেক আপনি কাজ করতে চাইলে কাজ করতে পারেন । আপনারা চাইলে ছাত্র অবস্থায় ইনকাম করতে পারেন। আমরা যারা ছাত্র আছি, তাদের সকলের জন্য এটি একটি ভালো উপায়। এর জন্য একটু আধটু ইংরেজি টিউশন করিয়ে, অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন হাজার হাজার টাকা।


এ সম্বন্ধে পুরো জানতে সম্পুর্ণ ব্লগটি পড়বেন আশা করি। আগে বলে রাখি, ছাত্র অবস্থায় আপনি ইংরেজি শিখিয়েও ইনকাম করতে পারেন। এর জন্য একটি ভালো কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠান আছে । যারা আপনাকে এ সুবিধা দেবে। সেই ওয়েবসাইটের নাম হলো VIPKID



ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার যোগ্যতাঃ


অনলাইন দুনিয়ার এই যুগান্তকারী পরিবর্তনের কারণে টাকা আয় করাটাও অনলাইনের উপর নির্ভরশীল। অনলাইন দুনিয়ায় ইনকাম করার ব্যাপারটা জোরদার হওয়ার কারণে, কোন বয়সের ছেলেটি কিংবা মেয়েটির আয় করছে? তা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।

আপনার বয়স যদি হয় এখন 12 বছর। তাহলে সেই পর্যায় থেকে ইনকাম করা উপায় খুঁজে নিতে পারেন। কারণ এটা অনলাইন বিশ্ব। আর এখানে কে ইনকাম করছে, কত বয়সে ইনকাম করা যাবে? তা নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ঘরে বসে আয় করতে পারছেন, এটাই হচ্ছে মূল কথা।



ছাত্রদের অনলাইনে আয় করার জন্য কতগুলো ভালো উপায়ঃ


এখন যারা ছাত্র অবস্থায় রয়েছেন। তাদের জন্য অনলাইনে আয় করার কতগুলো কার্যকরী উপায় সম্বন্ধে জানাবো। এখন থেকে আয় করার সুযোগ পেলে, পরবর্তীতে তা নিয়ে কোনো দ্বিধাগ্রস্ত হতে হবে না। তাদের পকেট মানি অথবা হাত খরচের টাকা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।

earning-by-tutoring-online


1. VIPKID সম্বন্ধে সামান্য বর্ণনাঃ ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়

অনলাইনে VIPKID হলো একটি লার্নিং কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান। যে প্রতিষঠান আপনাকে ছাত্র অবস্থায় ইনকাম করার জন্য, ইংরেজি শিখানোর উপর টাকা দিবে। এখানে আপনার নিজস্ব সিডিউল ও রুটিন থাকবে । ছোটো ছেলেমেয়ে থেকে শুরে করে বড়রা সবাই এখানে ইংরেজি শিখতে আসে।

এখানে ইংরেজি টিউশন করে, প্রতি ঘন্টায় ১০-২০ ডলার করে ইনকাম করতে পারবেন । এখানে ব্যাংক একাউন্ট এড করার সুবিধা আছে। বিভিন্ন ব্যংক যেমনঃ সোশ্যাল ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক আন্তর্জাতিক কারেন্সী সাপোর্ট করে। বেশিরভাগে শিক্ষকেরা ছেলেমেয়দের ইংরেজি শিখিয়ে মাসিক ১০০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করে। বর্তমানে এই সাইটটি শিক্ষক খুজছে।

এর চাহিদা অনুযায়ী আমি আপনাদের সাইট সম্বন্ধে ধারণা দিচ্ছি। এখানে ছাত্র অবস্থায় ইনকাম করার সুযোগ আছে। প্রতি ঘন্টার হিসেবে পেমেন্ট দেয়া হয়। এটি সাইটের অটোমেটেড সফটওয়্যার দ্বারা পেমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করে। কাজেই এখানে কাউকে মাসিক হিসেবে টিউশন করতে হবে না। কারো যদি ছাত্র অবস্থায় ইনকাম করার ইচ্ছে জাগে তাহলে এটিই বেস্ট। তবে ভালো ইংরেজি জানা তো লাগবেই। পাশাপাশি ইংরেজিতে ভালো দক্ষ হওয়া লাগবে।

আমরা যারাই ইংরেজি মৌলিক বিষয়গুলো সম্বন্ধে জানি। ইংরেজি গ্রামাটিকেল বিষয় এসব সম্বন্ধে যারা ভালো জানেন, তারাও চাইলে এখানে ছাত্র অবস্থায় ইনকাম করতে পারেন। যেহেতু এটি ইংরেজি সাইট, কাজেই যে কাউকে ইংরেজি শিখাতে পারেন। যদি চান বিশ্বের যেকোনো ছাত্রকে ইংরেজি শিখাতে, তাহলেও সম্ভব।

অবশ্যই পড়বেনঃ

VIPKID ওয়েবসাইটে টিচার হতে যেসকল যোগ্যতা লাগবেঃ

VIPKID একটি প্রসিদ্ধ অনলাইন ইংরেজি লার্নিং সাইট। VIPKID বলতে বোঝানো হয়েছে VIP kid। এখানে এপ্লাই করতে নিজস্ব শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা লাগবে। এখানে এপ্লাই করতে প্রফেশনাল শিক্ষক হওয়া লাগবে না। যেকেউ অর্থাত নন-প্রফেশনাল শিক্ষকরাও পারবেন ইংরেজি টিচিং করতে পারেন। কিন্তু অভিজ্ঞতা লাগবে।


উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতাঃ

মনিটরিংঃ প্রথমত ছাত্রদের পড়াশোনার মান উন্নতির দিকে যাচ্ছে কিনা, সে সম্বন্ধে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো কোনো বিষয়ে পারদর্শী হচ্ছে কিনা, সে দিকে মনিটর রাখতে হবে।

শিক্ষা দেয়ার কোয়ালিটি ঃ আপনার শিখানোর কোয়ালিটি ভালো হতে হবে, তা না হলে কেউ আপনার কাছে পুনরায় শেখার অভিপ্রায়ে আসবে না।

কোচিংঃ একজন কোচিং প্রফেশনালের মতো করে এখানে ছাত্রদের শেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে।


স্টুডেন্ট অনলাইন ইনকাম করতে যা থাকা লাগবেঃ

কম্পিউটারঃ কম্পিউটার ব্যাতিত অনলাইন ক্লাস নিতে অসুবিধা হতে পারে।

ইন্টারনেটঃ ভালো ইন্টারনেট কানেকশন থাকা অনেক জরুরি।

পাঠ পরিকল্পনাঃ প্রতিদিনের পাঠ পরিকল্পনা রেডি রাখা লাগবে। যাবতীয় কোর্স দেয়ার জন্য প্রয়োজন কোর্স ম্যাটেরিয়াল ভালো ভিডিও পাব্লিস করার কোয়ালিটি। কখনো কখনো লেসনের উপর ভিত্তি করে ছোটো ভিডিও বানাতে হয়।

টপিক নিয়ে ভালো ভাবে আলোচনা করা। টপিক বুঝানো্র ব্যাপারে অসাধারণ দক্ষতা।

এই সাইটে রেজিস্ট্রেশন করা খুবই সহজ। আপনাকে এপ্লাই করতে হবে। এর পরবর্তীতে আছে এই সাইটে কিভাবে আপনি জয়েন দিবেন। সেটি গুগলে VIPKID registration লিখে সার্চ দিলে সরাসরি রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। রেজিঃ করতে m.vipkid.com এ লিংকে যান। তবে এপ্লাই করতে হবে। এখানে আপনি ইংলিশ টিউশন এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।



2.পড়াশোনার নোট বিক্রি করে অনলাইনে আয়।

আমরা যারা শিক্ষার্থী রয়েছি, তারা নিজেদের নোট প্রায়শই ব্যবহার করি। কিংবা তৈরি করি। এসমস্ত নোটখাতার কোনো সফট কঁপি থাকলে, সেগুলো চাইলে অনলাইনে সেল করা যেতে পারে। যেগুলো ব্যবহার করে কোন একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় ভালো গ্রেড নিতে পারে। এজন্য একটি বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট হলো NoteSale

এখানে নিজের যেকোন দরকারে নোট বিক্রি করা যায়। এখানে নোটেরএকটি প্রাইস নির্ধারণ করা সম্ভব। এবং সেটি পরবর্তীতে ক্লায়েন্ট কিংবা কাস্টমারদের উপর নির্ভর করে। পরবর্তীতে যারা সেটি ক্রয় করে নিতে চায়, তারা অবশ্যই আপনার কাছ থেকে দরকারি নোট সংগ্রহ করে নিবে।

আপনার নোট থেকে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারেন। যেহেতু এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবসাইট। সেহেতু বিভিন্ন দেশ থেকে কোনো নির্দিষ্ট টপিক, যেকোনো একটি অধ্যায়ের উপর নির্ধারিত নোট যে কেউ নিতে পারে।

পড়ুনঃ

কেউ কি নোট কেনো ক্রয় করে নিবে?

যাতে সে অধ্যায়ের উপর আরো ভালো ধারণা অর্জন করতে পারে। এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারে।



3.অনলাইনে টিউশন করান।

ছাত্ররা চাইলে অনলাইন টিউশন করিয়ে ভালোমতো রোজগার করতে পারে। অনলাইনে টিউশন করানোর জন্য কিছু ওয়েবসাইট আছে। যেগুলোতে আপনি সরাসরি জুম কিংবা গুগোল ক্লাসরুম এর মত ডিরেক্টলি অনলাইনে ক্লাস করাতে পারেন। এবং এটি আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

এজন্য আমি সাজেস্ট করি কিছু সাইটে সাইন আপ করে রাখার জন্য। এবং সেখান থেকে অনলাইন টিউশন পড়ানোর ব্যাপারটিতে অভিজ্ঞতা অর্জন করার জন্য।



4. ছাত্রদের জন্য ইউটিউবিং করে আয়।

অনলাইনে আয় করার জন্য চাইলে ইউটিউবিং শুরু করতে পারেন। অনেক ছাত্র-ছাত্রীরাই ইউটিউবে করে ভালো উপার্জন করে নিচ্ছে। বিশেষ করে বর্তমান ছাত্রদের মাঝে গেমিং এর বেশ দক্ষতা রয়েছে। একটি গেমিং ইউটিউব চ্যানেল খুলে ফেলল, ভালো পরিমাণে ইনকাম করা যাবে। যদি আপনি সফল হতে পারেন তবে।

একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে, কোন একটি নির্ধারিত নিশে কাজ করা শুরু করে দেন। ইউটিউবে প্রতি হাজার ভিউতে আপনি সর্বনিম্ন 2 ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ 12 ডলার পর্যন্ত ইনকাম করা যায়।

অথবা আপনি চাইলে কোন একটি ফানি ক্লিপ, বিভিন্ন প্যারোডি ভিডিও, কয়েকজন মিলে ফানি ভিডিও তৈরি করা শুরু করলে। সেগুলো ব্যাপক ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এবং একবার ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেলে, সেখানে সাবস্ক্রাইবারের পরিমাণ বেড়ে যায়। পরবর্তীতে মনিটাইজেশন ইউটিউব অন করে টাকা ইনকাম করা শুরু করা যায়।

ইউটিউবে যদি আপনি প্রতিমাসে 50 হাজার ভিউ তুলে নিতে পারেন। তবে আপনি সহজেই মাসে 100 ডলার ইনকাম করতে পারবেন। শুধুমাত্র একটি জিমেইল একাউন্ট দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খুলুন। এবং সেখানে প্রতিনিয়ত ভিডিও আপলোড করুন। সে ভিডিও গুলো আপলোডিং এর উপর ভিত্তি করে আপনার চ্যানেলের রেংকিং ফ্যাক্টর নির্ভর করবে। এবং ইনশাল্লাহ খুব দ্রুতই আপনার চ্যানেল grow হবে।

তাছাড়া ইউটিউবে ইউনিক কনটেন্টের ভেল্যু রয়েছে। ইউটিউব এসইও শিখে নিয়ে কোন একটি কোর্স সম্পন্ন করে, ইউটিউবিং করেও আপনি চাইলে মাসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন।



5. গানের রিভিউ লিখে আয় করুন।

আমি ধরে নিলাম, আপনি গান শুনতে খুব পছন্দ করেন। এবং এটি আপনার একটি প্যাশন। গান শোনার ইচ্ছে থাকলে কিছু ওয়েবসাইট আছে। যেগুলোতে গানের মিউজিক রিভিউ দিয়ে ইনকাম করা যায়।
সাইটঃ MusicXray

এ কনসেপ্ট খুব সহজ। আপনাকে গান শুনতে হবে। এবং গানটি সম্বন্ধে একটি ভালো রিভিউ লিখতে হবে। এতে করে নিজস্ব পছন্দের বিষয় এর মধ্য দিয়ে ইনকাম করার সুযোগ থাকবে। গানের রিভিউ দিয়ে ওয়েবসাইটটিতে প্রতিমাসে সহজে 40 ডলার ইনকাম করা যায়।


6. ছাত্রাবস্থায় ফ্রীল্যান্সিং করুন।

ফ্রিল্যান্সার ওয়েবসাইটে অনেক বড় সুবিধা আছে। তা হলো এখানে নিজের ইচ্ছামত যেকোনো মূল্যে প্রজেক্টে বিড করা যায়। একইভাবে যখন আপনার ইচ্ছে হয়, তখনই কাজ করা যায়।

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বাৎসরিক 1 লক্ষ ডলার উপার্জন করা কোন কঠিন ব্যাপার নয়। তাদের প্রজেক্ট বিডিং এবং সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে বিশেষ অভিজ্ঞতা ও সফলতা আছে। তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো দৈনিক 5টি প্রজেক্ট সম্পন্ন করে 100 ডলার সহজেই ইনকাম করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য শুধুমাত্র একটি প্রোফাইল তৈরি করুন। যেকোনো একটি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট, যেমনঃ upwork.com, guru.com ইত্যাদি সাইটে রেজিস্ট্রার করুন। এবার প্রয়োজনমতো বিভিন্ন কাজে বিড করুন।


7. অনলাইনে জরিপ পূরণ করে আয়।

ছাত্রদের ইনকাম করে নেয়ার একটি সহজ উপায় হলো জরিপ পূরণ করে আয়। যদি পূরণ করার জন্য শুধুমাত্র একটি বৈদেশিক আইপি অ্যাড্রেস ক্রয় করে নিতে হবে। অথবা কোনো একটি প্রিমিয়াম ভিপিএন কানেকশন ব্যাবহার করলেও হবে।

যে কোন জরিপ পূরণ করা ওয়েবসাইট, যেমন: Swagbucks এ জরিপ পূরণ করা শুরু করতে পারেন। আপনাকে প্রতিটি জরিপ পূরণ করার জন্য সর্বনিম্ন 2 ডলার থেকে শুরু করে, সর্বোচ্চ 20 ডলার পর্যন্ত ইনকাম পাবেন।

সাইটঃ OnePoll, Survey Junkie
 
আরো পড়ুনঃ


8. ব্লগিং ও লেখালেখি করে আয়

আপনার যদি লেখালেখির প্রতি বিশেষ অভিজ্ঞতা কিংবা আগ্রহ থাকে। তাহলে চাইলে ব্লগিং করার শুরু করতে পারেন। যেকোনো একটি প্লাটফর্মে ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারেন। হোক সেটা ব্লগার অথবা ওয়াডপ্রেস। ব্লগ সাইট তৈরি করে নেয়ার পর, আপনার পরবর্তী কর্তব্য হবে: কোন বিষয়ে লেখালেখি করছেন সেটা নির্ধারিত করে ফেলার।

তারপর ব্লগ লেখালেখি শুরু করুন। যদি আপনার সমস্যা হয়, আপনি আর্টিকেল ক্রয় করে ব্লগ সাইটে সাবমিট করতে পারেন। কেননা আর্টিকেল যত বেশি হবে, ভিজিট আসার সম্ভাবনা তত বেশি থাকবে। এবং মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে আয় করাও তত বেশি সম্ভব হবে।


9. তরুণ উদ্যোক্তা হোন।

ছাত্র অবস্থায় তরুণ উদ্যোক্তা হওয়া অসামান্য ব্যাপার নয়। আপনি এই অবস্থায় একজন তরুণ উদ্যোক্তা হয়ে সবাইকে চমকে দিতে পারেন। যেকোন একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অনলাইন শপিং সাইটের যাত্রা শুরু করতে পারেন।

হ্যান্ডিক্রাফট, টি শার্ট ডিজাইন নিয়ে শপ তৈরি করা যায়। ফেসবুকের জনপ্রিয়তা পাওয়া যায়। নিজস্ব ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করে নেয়া যায়।

ফেসবুক পেজ থেকে খুব ভালো পরিমাণে প্রোডাক্ট সেল হবে। এবং আপনার ব্যবসায় সফলতার সম্ভাবনা থাকবে। এখনকার যুগে যে কোন ফ্যাশনেবল আইটেম নিয়ে অনলাইন শপ করা কঠিন কোন ব্যাপার নয়। কিছু অভিজ্ঞতা ও সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারলেই চলে। যদি আপনি একজন ফ্যাশন ডিজাইনার হয়ে থাকেন। অর্থাৎ বিভিন্ন আইটেম কিংবা ক্লোথ ভালো ডিজাইন আঁকতে পারেন।

তাহলে সেটি ব্যবহার করে যে কোন একটি কোম্পানি, কিংবা গার্মেন্টস এর সাথে কন্টাক্ট করে, ওই রকমের ডিজাইনের টি-শার্ট তৈরি করে নিতে পারেন। এবং সেগুলোর ছবি নিজস্ব ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে আপডেট করুন। আপনি ক্লায়েন্টের সাথে ডিল করতে পারেন। ওই টি-শার্ট, প্যান্ট সেল করার জন্য আপনার একটি শার্ট কিংবা জামার ডিজাইন এর উপর ওর মূল্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নির্ভর করছে।


10. অনলাইনে টিউটর।

অনলাইনে টিউশন করে উপার্জন করার জন্য ভালো ভালো ওয়েবসাইট আছে। যেমন: My Tutor নামক ওয়েবসাইটে প্রতি ঘন্টায় টিউশন এর জন্য ২০ ইউরো পর্যন্ত উপার্জন করেন। এবং সেটি আপনি চাইলে কাজে লাগাতে পারেন।


11. ওয়েব সার্চ করে ইনকাম।

আপনি কি জানেন, ওয়েবসাইট সার্চ করার জন্য পে করা হয়? swagbuck ওয়েবসাইটে ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য পে করা হয়ে থাকে। আপনি swagbucks ওয়েবসাইট এর আওতাধীন থেকে বেশি বেশি ব্রাউজ করুন। দেখবেন, টাকা ইনকাম করা সম্ভব হবে। swagbucks ওয়েবসাইটে সাইনআপ করে নিলেই বুঝতে পারবেন।


12. ওয়েবসাইট রিভিউ ও টেস্ট করে আয়।

ওয়েবসাইট রিভিউ কিংবা ওয়েবপেজ টেস্ট করার মাধ্যমে, ইনকাম করার ব্যাপারটা অজানা কিছু নয়। আপনি প্রতি ঘন্টায় 8 থেকে 20 ইউরো ইনকাম করতে পারেন, শুধুমাত্র ওয়েবসাইট টেস্ট করে। যারা ওয়েবসাইট কিংবা অ্যাপ্লিকেশনের কর্তৃপক্ষ আছেন, তারা জানেন যে কিছু ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ঘাটতি থাকে।

এর ব্যাপার তারা ধরতে পারছে না। সে দিক থেকে আপনি বিভিন্ন ওয়েব পেজ টেস্ট করতে পারেন। এবং তাদের ইউজার এক্সপেরিয়েন্স কিংবা সাইট এক্সপেরিয়েন্স সম্বন্ধে ধারণা দেন। তাহলেই হবে। ওয়েবসাইট টেস্টে সাইট bugs, Usability নিয়ে কাজ করা হয়। এর ভিত্তিতেই ইনকাম করা সম্ভব হয়।

ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করা নিয়ে টিপস:

এখানে যখন শিক্ষা দেয়ার জন্য রেজি করতে যাবেন, তখন বিভিন্ন বয়সের শিশুদের শিক্ষা দেয়ার ব্যাপারে নোটিস হিসেবে বলা থাকে। অনেকেই এখানে প্রফেশন তৈরীর আশায় টিউশন করবার জন্য আসেন। এক্ষেত্রে আপনার কাছে অনেকটা বড় কর্তব্য চলে আসে এরকম বৃহৎ লার্নিং সাইটে পড়ানোর কথা।

প্রতিদিনের গড় ইনকাম⇒ ৫-২০ ডলার/১ ঘন্টা টিউশন

এ সাইটে ভালো ইনকাম করার জন্য প্রয়োজন অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতা হেতু আপনি এখানে ইনকাম করার সুযোগই পাবেন না। প্রথম কয়েকদিন এখানে ঠিকমতো কাজ করুন। নিজের প্রোফাইলটি তৈরী করে নিন, তারপর এখানে ইনকাম করতে পারবেন। এ সাইটের সকলেই ভালো ইংরেজি জানে।

কিন্তু সকলেই সমানভাবে ইংরেজি বুঝাতে জানেন না। আপনাকে ইংরেজি খুঁটিনাটি বিষয়গুলোক্র সবার সামনে তুলে ধরতে হবে। প্রমিত ইংরেজি বলতে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।এখানে ছোটো ছেলেমেয়েদের ছন্দে ছন্দে ইংরেজি গ্রামারটিক্যাল পার্ট গুলো পড়াতে পারেন। এভাবে চাইলে ছাত্র বয়সে উপার্জনক্ষম  হওয়া সম্ভব।


শেষকথাঃ

আজকে ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার উপায়সমূহ সম্বন্ধে জানলাম। এ বয়সেই টুক টাক কাজ করে ঘরে বসেই ইনকাম করা যায়। তার জন্য একটু আগ্রহের দরকার শুধু। ভালো লাগলে শেয়ার করুন। আমাদের সাবস্ক্রাইব করুন বেল আইকনে ক্লিক করে। সবাইকে ধন্যবাদ।

Post a Comment

কমেন্ট করার মিনতি করছি। আমরা আপনার কমেন্টকে যথেস্ট মূল্য প্রদান করি। এটি আমাদের সার্ভিসের অংশ।

তবে কোনো ওয়েবসাইট লিংক প্রকাশ না করার অনুরোধ রইল।

Previous Post Next Post