ব্লগ থেকে আয় করার উপায় গুলো কি কি


ব্লগার থেকে টাকা আয় করার উপায়


ব্লগ থেকে আয় করার উপায়ঃ

নিঃসন্দেহে একটি ব্লগ থেকে টাকা আয় করার উপায় অনেক। যদি অনলাইনে আয় করার চিন্তাভাবনা করেন, তবে ব্লগ থেকে টাকা আয় করার উপায় হবে সবচেয়ে বড় সুযোগ। তার আগে চলুন জেনে নেই ব্লগার বলতে কি বুঝায়। পাশাপাশি ব্লগার থেকে আয় করা সুম্বন্ধে বিস্তারিত জানবো।


ব্লগার থেকে টাকা আয়: ব্লগার কি?

যদি প্রশ্ন করা হয়, ব্লগার বলতে আসলে কি বুঝানো হয়? তবে দুইটি উত্তর পাওয়া যায়। প্রথমত, যে ব্লগিং করে তাকে ব্লগার বলা হয়। তো যেহেতু ব্লগার থেকে টাকা আয় করার উপায় এ সম্বন্ধে আমরা লেখালেখি করছি। সেহেতু যদি প্রথম সংজ্ঞাটি নেই  তবে ব্যাপারটি অনেকটা অসামঞ্জস্য মনে হবে।

 

আমি মূলত ব্লগার বলতে গুগোল ব্লগার(Google Blogger) প্লাটফর্মকে বুঝিয়েছি। আমরা সবাই জানি, যে Blogger.com থেকে খুব সহজেই উপার্জন করা যায়। বিশেষ করে সেখানে ব্লগ সাইট তৈরি করে আয় করা যায়। তো আজকের ব্লগে আমরা জানবো,  কিভাবে ব্লগার সাইট তৈরি করবেন? কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন? এবং টাকা আয় করার উপায়।


Blogger: প্রথমত গুগল ব্লগার(Blogger) হলো একটি ব্লগিং প্লাটফর্ম। আপনি এখানে নিজস্ব ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারবেন। কিছু কিছু ওয়েব ডেভলপার ব্লগারকে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। তার কারণ ব্লগার ওয়েবসাইটে আপনি নিজের ইচ্ছেমতো ওয়েবসাইট তৈরি করতে না পারলেও, ফ্রি হোস্টিং নিয়ে সহজে আয় করতে পারেন।


ভালো ওয়েবমাস্টাররা ব্লগার(Blogger.com) ওয়েবসাইটে নিজেদের ওয়েবসাইট দাঁড় করাচ্ছে। আপনি যখন একটি পোষ্ট লিখে সার্চ করবেন, পরবর্তীতে গুগলে যে সকল ওয়েব সাইট আসবে তাদের মধ্যে অনেকাংশেই থাকবে ব্লগার। কাজেই গুগল ব্লগার এর যথেষ্ট মূল্য রয়েছে।


গুগোল ব্লগার প্লাটফর্মে খুব সহজে ওয়েব সাইট তৈরী করানো যায়। সে ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট থেকে নিয়মিত পোষ্ট পাবলিশ করাও খুব সহজ। এবং একইভাবে আপনি দৈনিক ভালো পরিমাণে গুগোল ব্লগার থেকে উপার্জন করতে পারবেন।



গুগল ব্লগারের(Blogger.com)  সুবিধাসমূহঃ

গুগল ব্লগারে ওয়েবসাইট তৈরির বেশ কিছু সুবিধা আছে। নিম্নে উল্লেখ করা হলোঃ


১। ফ্রী ব্লগ খোলার সুবিধাঃ

গুগল ব্লগারে আপনি চাইলে ফ্রিতে যেকোনো একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারেন। সে ব্লগ সাইটে ব্লগারে নিজস্ব থীম(Theme) আছে, সে ফ্রি থিম ব্যবহার করে আপনি একটি ব্লগসাইটের একটি ডিজাইন দিতে পারবেন। যেখানে আপনি পোস্টগুলো শো করাবে, ভালো ডিজাইন আসবে।


২। Free Hosting Provide:ফ্রীতে হোস্টিং পাওয়ার সুযোগ

যে সকল হোস্টেড  CMS(Content Management System) আছে যেগুলোতে  সকল কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম রয়েছে। যেমনঃ ওয়ার্ডপ্রেস, এগুলোতে বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল যেগুলো মূলত টেক্সট, ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে। সেগুলো ইন্টারনেটে উপস্থিত রাখার জন্য হোস্টিং ব্যবহার করা হয়। এবং প্রতিমাসে হোস্টিং এর জন্য টাকা পে করতে হয় করতে হয়। যা বাড়তি ঝামেলা তৈরি করে। 


ধরুন, আপনার ব্লগ সাইট নিয়ে আপনি এগোচ্ছেন। এবং প্রতিনিয়ত আপনার ব্লগ সাইটে হাজার হাজার ভিজিটর আসছে। সে ভিজিটরকে যদি নিজস্ব ওয়েবসাইট শো করাতে চান, তবে আরো ভালো হোস্টিং ক্রয় করতে হবে। কারণ এত ভিজিটর আপনি যেমন তেমন ছোট ও নিম্নমানের হোস্টিং( Hosting) ব্যবহার করে ওয়েব শো করাতে পারবেন না।


এতে করে দেখা যাবে, আপনার ওয়েবসাইট হোস্টিং খরচ অনেক বেড়ে যাবে। কারণ বেশি ভিজিটর দের কে ওয়েবসাইট শো করানোর জন্য ভালো হোস্টিং এর প্রয়োজন। যার মূল্য বেশি। অপরদিকে ব্লগার আপনাকে ফ্রিতে হোস্টিং প্রদান করবে। তাছাড়া এই হোস্টিং হলো গুগোলের নিজের। গুগোলের নিজস্ব হোস্টিং তা নিয়ে কোন সন্দেহ করতে হবে না।


তাছাড়া অনেক সময় পেইড CMS যেমন ওয়ার্ডপ্রেসে হোস্টিং ক্রয় করার পর নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। সে হোস্টিং ভালো নাও পড়তে পারে। হোস্টিং কোয়ালিটি খারাপ হলে, এতে করে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স অনেক কমে যাবে। অর্থাৎ ইউজার আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে, কিন্তু কোন কিছু উপভোগকরবে না। বরং বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হবে। ভালো হোস্টিংয়ের অভাবে মাঝে মাঝে ওয়েবসাইট ডাউন হয়ে যাবে। 


কিন্তু ব্লগারে( Blogger.com) এরকম সমস্যা নেই। কোন সমস্যা হবেনা। আপনার ওয়েবসাইট দিন রাত 24 ঘন্টা আজীবনের জন্য ফ্রী হোস্টেড থাকবে, তাও ফ্রিতে। ব্লগারেও অনেক অসুবিধা আছে। 


কিন্তু ব্লগারে কিছু অসুবিধা আছে। আপনি চাইলে সেখানে নিজের মনের মত ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন না। নিজের ওয়েবসাইট ডিজাইনে পুরো সীমাবদ্ধতা আছে। আপনাকে জাভাস্ক্রিপ্ট, সিএসএস, HTML Coding ব্যবহার করে ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হবে। যত বেশি Html Code আপলোড করবেন, গুগল ব্লগারের স্পিড তত কমে যাবে




ব্লগার প্ল্যাটফর্মের অসুবিধাঃ

ব্লগার প্ল্যাটফর্মে তৈরি ওয়েবসাইটের অসুবিধাসমূহ নিম্নরুপঃ



1. Content Management Problem:

গুগল ব্লগারে আর্টিকেল লেখালেখি থেকে ওয়েবসাইট ম্যান্টেইনন্স নিজ থেকে করতে হয়। যেখানে ওয়ার্ডপ্রেস প্লাটফর্মে বিভিন্ন উপায় রয়েছে। সেগুলো অবলম্বন করলে বা প্লাগিন ব্যবহার করলে সহজ হয়। আর যদি না জানেন, তাহলে বলে রাখি, আর্টিকেল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করতে হয়।



2. SEO Problem 

যারা এসইও সম্বন্ধে জানেন না, তাদের বলে রাখি। এসইও(SEO) এর পূর্ণরূপ হল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন মূলত করতে হয় একটি ওয়েব সাইটের কনটেন্ট কিংবা আর্টিকেল গুগল সার্চ পেজে  আনার জন্য। অর্থাৎ কেউ যদি সার্চ করে, আপনি যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখেছেন তা লিখে সার্চ করে, তাহলে আপনার আর্টিকেলটি যাতে পেয়ে যায় তার জন্য মূলত SEO করতে হয়। 


Seo করে নিলে আপনার আর্টিকেল সার্চ রেজাল্টে চলে আসবে। আপনি গুগল থেকে প্রতিনিয়ত দিন রাত 24 ঘণ্টা ভিজিটর পাবেন। আর যত বেশি ভিজিটর আসবে, আপনার ব্লগ সাইটের উন্নতি ততবেশি হবে। তো বুঝতেই পারলেন। এই এসইও করানোর জন্য ওয়ার্ডপ্রেসে প্লাগইন ও বিভিন্ন সিস্টেম আছে। যেখানে ব্লগারে এসইও করাতে হয় নিজ থেকে।



3. Site Load Speed Decrease: লোড স্পীড কমে যাবে।

বেশি কোডিং এর কারণে সাইট লোড নিতে সমস্যা হয়ে যায়। তাছাড়া ওয়ার্ডপ্রেসে প্লাগিন রয়েছে। যেগুলো ব্যবহার করে ওয়েব সাইটের স্পিড বাড়ানো যায়। এখন যে ব্লগ তৈরি করছেন সেটার স্পীড যদি ভালো না থাকে, তাহলে দেখা যাবে সে কনটেন্ট লোড করতে সময় নেবে। 


এতে ইউজাররা বোরিং ফিল করবে। মনে রাখা ভাল, আপনি ব্লগ সাইটে যা কিছু লিখবেন তাই হবে কন্টেন্ট। কন্টেন্টের জন্য ভিজিটররা সাইটে ঘুরতে আসবে। এখন যদি Content লোড নিতে সময় নেয়, তাহলে ভিজিটর বিরক্ত অনুভব করবে। 


ব্লগারে সাইট লোড কমানোর জন্য যা করতে হয় তা হলো অতিরিক্ত Html সরিয়ে নেয়া। অপরদিকে ওয়ার্ডপ্রেসে আপনি বড় বড় থিম ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু লোডিং টাইম কমানোর জন্য বিশেষ প্লাগিন ব্যবহার করতে পারেন। যে plug-in গুলো সব সময় আপনার কে সুযোগ সুবিধা দিবে। এবং বাইরে থেকে সাপোর্ট দিবে।


তো গেল ব্লগারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা। এমনকি অসুবিধা গুলো উল্লেখ করেছি। মোটকথা, যদি নতুন হন, তবে ব্লগারের কাজ করবেন। কারণ আপনাকে অত বিষয় চিন্তা ভাবনা করতে হবে না। আপনি তো শুধু আর্টিকেল লিখবেন। ভালো রকমের থিম বা বেশি গর্জিয়াস থিম ব্যবহার না করে, খুবই  সাধারণ থীম ব্যবহার করুন।


এখন যদি একটি ভালো থীম ব্যবহার করতে চান, তবে অবশ্যই আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে আমি ফ্রিতে থিম গিয়ে দিতে পারবো।

পড়ুনঃ


তো যারা থীম সম্বন্ধে বুঝছেন না। তাদের বলে রাখা ভাল, থীম হলো আপনার ব্লগ সাইটে পুরো ডিজাইন। কোথায় পোস্টগুলো হবে, কিভাবে বিভিন্ন ধরনের গ্যাজেট আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে আসবেন, তার জন্য একটি থিম প্রযোজ্য। থীম মূলত ওয়েবসাইটের কাঠামো। 




ব্লগারে কিভাবে ব্লগসাইট বানাব?

এবার আসি কিভাবে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করবেন? গুগল ব্লগারে যেকোনো ব্লগ সাইট তৈরি করা খুবই সহজ। এর জন্য প্রথমত আপনাকে গুগল ব্লগারে প্রবেশ করতে হবে। ব্লগারে প্রবেশ করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। পরবর্তীতে নিচের মত একটি ইন্টারফেস আসবে। 


সেখানে ক্লিক করতে হবে। ওই Create A New অপশনে ক্লিক করে নিলে, আপনার ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য আরেকটি নতুন ইন্টারফেস আসবে। নতুন জিমেইল দিয়ে সাইন ইন করতে পারবেন। সাইন ইন করা হয়ে গেলে আপনি কি করবেন? আপনার একটি ব্লগের নাম দিতে হবে। সেই ব্লগের ইউআরএল দিতে হবে। 


ইউ আর এল কি হবে? সেটা হবে একটা সাবডোমেন। দেখুন ওয়েবসাইট বা  ব্লগ সাইটের একটি নাম থাকে। সেটি আমরা বলি URL।  যেমন ধরুন, আপনার ইউ আর এল যেটা হবে সেটা হলো আপনি কিছু একটা নামদিবেন সাথে লাগানো থাকবে .blogspot.com। এখানে blogspot.com একটি সাবডোমেইন। কার সাবডোমেইন?. Com ডোমেইনের সাবডোমেইন। ডোমেইন এর অন্তর্গত কোন একটি ওয়ার্ড থেকে যদি আরেকটা নাম তৈরি করে তবে সেটা হবে সাবডোমেন।


ডোমেন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন আপনার ইউআরএলটি একমাত্র ব্রাউজার এ গিয়ে লিখে অকে করলেই, মূলত আপনার ওয়েবসাইটটি চলে আসে। মানে পুরো ওয়েবসাইটের পরিচিতি আপনার এই ইউআরএল এর মধ্য দিয়েই। এখনই আপনি গুগল ব্লগারে ফ্রিতে সাবডোমেইন পেয়ে যাবেন। যেটাতে blogspot.com অন্তর্ভুক্ত থাকবে। 


কিন্তু যদি আপনি এককভাবে শুধুমাত্র ডটকম ডোমেইন নিয়ে একটি ইউআরএল তৈরী করতে চান নিজের ওয়েবসাইটে। তবে অবশ্যই কাস্টম ডোমেইন কিনতে হবে। 



তো আপনাকে ব্লগ সাইট তৈরি করার মাঝে এসে বিভিন্ন বিষয় সম্বন্ধে জানান দিয়ে দিলাম। যেটা আপনার পরবর্তীতে ব্যাপক উপকারে আসবে। এবার আসি, যখন আপনার ব্লগ সাইট তৈরি হয়ে যাবে, তখন নিজের মতো করে ইন্টারফেসের চলে আসবেন। ইন্টারফেসের মধ্যে আপনি দেখতে পাচ্ছেন  Create a new post  নামক অপশন। 


সেখানে গিয়ে আপনি নিচের মত করে ইন্টারফেস পাবেন।


সেখানে আপনি আর্টিকেল লিখবেন। নিজের মন মত করে। তার আগে আপনাকে বলে রাখা ভালো, 




ব্লগারে ব্লগ লেখার নিয়মঃ

এ নিয়ে অবশ্যই একটি ব্লগ বা ইউটিউব ভিডিও দেখে  নিলে উপকৃত হবে। তাহলে কিভাবে ব্লগে আর্টিকেল লিখতে হয় কিংবা একটি সুন্দর সাজানো আর্টিকেল লেখা লাগে, সে সম্বন্ধে জানতে পারবেন। কারণ আর্টিকেল হলো আপনার ব্লগ সাইটের প্রাণ। আর্টিকেল লিখতে গিয়ে যদি কোনো রকমের আলসেমি করেন তবে সেটা মোটেও কাম্য নয়।


এবার দেখুন, ব্লগ সাইট তৈরি হয়ে গেলে আপনি Theme অপশনটিতে যাবেন। সে অপশনে গিয়ে নিচের মত করে অপশনটিতে ক্লিক করবেন। এবার Restore অপশনে ক্লিক করে নতুন একটি থিম এড করবেন। সেই থিম ব্যবহার করলে আপনার ওয়েব সাইটের বিভিন্ন বিষয় ঠিক হয়ে যাবে। পরবর্তীতে আপনার সেই ওয়েবসাইট কাস্টমাইজ করতে হবে। তার মানে হল ওয়েবসাইটকে আপনার সাজাতে হবে।


সাজানোর জন্য আপনি একটু ইউটিউব ভিডিও দেখে নিতে পারেন। ইউটিউবে গিয়ে এ লিখে সার্চ করলে কাস্টমাইজেশনের ভালো ভিডিও পেয়ে যাবেন। সেগুলো দেখে নিলে উপকৃত হবেন। How to Customize blogsite tutorial Bangla 





ব্লগার থেকে টাকা আয় করার উপায়্সমূহ কি কি?

এ গেল ব্লগ সাইট তৈরির বিষয়টি। তাও আমরা জানলাম যে গুগোল ব্লগার এ কিভাবে ফ্রিতে ব্লগ সাইট তৈরি করতে হয়। এবার এর থেকে আয় করার কিছু উপায় আছে। প্রথমত আপনি ব্লগ সাইট তৈরি করেছেন কেন? অবশ্যই আপনার ব্লগ সাইটে লোক যাতে ভিজিট করে তাই। এবং আপনার ব্লগ সাইট যেন দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। নিজের জন্য তো আর আপনি লিখছেন না। অন্যান্যরা যাতে উপকৃত হয় তার জন্যই তো লিখছেন।


অন্যরা যখন উপকৃত হওয়ার জন্য আপনার ওয়েবসাইটে আসবে। তখনই আপনি পেয়ে যাবেন আয় করার দারুন সব উপায়। প্রথমত আপনি চাইলে ওয়েবসাইটে  অ্যাড বসাতে পারবেন। সাইটে এড শো করাতে পারবেন।

পড়ুনঃ


ওয়েবসাইটে এড শো করালে কি হয়? 

অসংখ্য মার্কেট ও পণ্যের কোম্পানি আছে। যারা কাস্টমার খুজছে। এডের মাধ্যমে কোম্পানিগুলো তাদের ওয়েবসাইট সম্বন্ধে জানান দিতে পারবে। এতে কোম্পানি লাভবান হবে। আপনাকেও এর জন্য মুনাফা দিতে হবে। 



1. ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন করিয়ে ব্লগার থেকে টাকা আয় করার উপায়ঃ

এই যে আপনি ওয়েবসাইটে এড শো করাবেন, তাকে বলে ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন। এই ওয়েবসাইট মনিটাইজেশনের জন্য গুগলের একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট আছে। যাকে আমরা বলি গুগল এডসেন্স(  Google Adsense)। 



গুগল এডসেন্স কি? কিভাবে আয় করবেন?

গুগল এডসেন্স গুগলের নিজস্ব প্রোডাক্ট। এটি একটি এড মার্কেটপ্লেস। কিংবা ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইট মনিটাইজেশনের জন্য এ ওয়েবসাইট ব্যবহার করাতে পারবেন। যে ওয়েবসাইটটি তাদের অ্যাড দেখিয়েছে তার জন্য, আপনি অ্যাডসেন্স থেকে কমিশন পাবেন। 


অ্যাডসেন্সে আপনি চাইলেই কাজ করা শুরু করতে পারবেন না। এর জন্য আপনাকে অ্যাপ্রভাল নিতে হবে। মানে হল অ্যাডসেন্সে আপনার ওয়েবসাইটে এপ্রুভ করাতে হবে। যাতে করে আপনার ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন করার সুযোগ পান।



গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়ঃ

এই অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার জন্য অনেক ধরনের পলিসি আছে। যেগুলো গুগল আপনাকে মানার জন্য বাধ্য করবে। সেগুলো যদি অনুসরণ করে চালিয়ে যান, তবে সাথে সাথে এপ্রুভাল পাবেন। তার আগে বলি, গুগল এডসেন্স এর জন্য কোন ভিজিটর এর প্রয়োজন নেই। আপনি 0 visitor থেকেও গুগল এডসেন্স পাবেন।

 পড়ুনঃ


কিন্তু তার জন্য আপনার ভাল কনটেন্ট ও মানসম্মত লেখালেখির প্রয়োজন হবে। মানে হলো আপনার কন্টেন্ট কিংবা আর্টিকেল আপনাকে অ্যাডসেন্সে দিবে। এডসেন্সের জন্য গুগোল পলিসি আছে। সেগুলো পড়তে ক্লিক করুন।


তবে তার আগে এডসেন্সের জন্য কিছু ছোটখাটো রিকোয়ারমেন্ট জানিয়ে দেই। যেমনঃ



১।পরিমাণমতো আর্টিকেল ও যথেস্ট ওয়ার্ডসংখ্যাঃ

আগে অবশ্যই পরিমান মত আর্টিকেল থাকতে হবে। যেমন আপনি কোনো আর্টিকেল ছাড়া এপ্রুভাল নিতে পারবেন না। আপনাকে কম করে হলেও ৫টি থেকে ৩০টি পর্যন্ত কন্টেন্ট রাখতে হবে। সেটার আপনার  উপর ডিপেন্ড করে। যেমন যদি কম আর্টিকেল রাখেন, তবে প্রতিটি আরেটিকেলের ওয়ার্ড সংখ্যা কম করে হলেও 3 হাজার কিংবা 5000 হতে হবে। আর যদি ২০-৩০ টি রাখেন, প্রতিটি ওয়ার্ড সংখ্যা 1 হাজার হলেও হবে।



২। শতভাগ কপিমুক্ত ইউনিক কন্টেন্টঃ

হয়ে গেল কনটেন্টের বিভিন্ন বিষয় আশয়। পরবর্তীতে কনটেন্টগুলো অবশ্যই ইউনিক হতে হবে। মানে কোন প্রকারের কপি পোস্ট কিংবা কোন কপি বাক্য ব্যবহার করেন, তাহলেও কিন্তু সমস্যা হবে। 



৩। থীম কাস্টমাইজ ও নেভিগেশন সেট-আপঃ

তারপর আপনার ওয়েবসাইটে ঠিকমতো সাজানো লাগতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটের নেভিগেশন বার থাকতে হবে। তার মানে হল আপনার ওয়েবসাইটে কিছু ক্যাটাগরিও মেনু থাকতে হবে। যেখানে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পোষ্ট সাজানো যাবে।



৫। ভালো সাইট স্পীড ও কাস্টম ডোমেন।

তাছাড়া আপনার অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল নিতে সাইটে স্পিড থাকতে হবে। তাছাড়া টপ লেভেল কাস্টম ডোমেন ব্যবহার করতে হবে। যেমনঃ .com, .org, .info, .net ইত্যাদি।



৬। সাইট সার্চ কন্সোলে সাবমিটঃ

ওয়েবসাইট আপনার অবশ্যই গুগল সার্চ কন্সোলে( Search Console)  সাবমিট করা লাগতে হবে। 

পড়ুনঃ



Google Search Console এ কেন ওয়েব সাইট সাবমিট করবেন? 

গুগল সার্চ কন্সোল হলো এমন একটি ওয়েবসাইট। যেখান থেকে আপনি আপনার পোস্টগুলো গুগলে ইনডেক্স করাতে পারবেন। আপনি নাও জানতে পারেন, ইনডেক্স এর মানে কি? ইনডেক্স এর মানে হলো আপনার লেখাগুলো গুগোল জমা রাখা। 


অর্থাৎ আপনার লেখা আর্টিকেল গুলো গুগোল ক্রল করার পরবর্তীতে সে আর্টিকেলের ইউআরএল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়বস্তু গুগোল নিজের কাছে জমা রাখবে। সেই আর্টিকেল মানসম্মত হলে গুগল সেটিকে সার্চ রেজাল্টে দেখাবে।তো আপনাকে অবশ্যই আপনারা পোস্ট গুলো গুগলে ইনডেক্স করা লাগতে হবে। 



৭। প্রয়োজনীয় পেজ তৈরি করে রাখাঃ

পরবর্তীতে আপনার ওয়েবসাইটে কিছু প্রয়োজনীয় পেজ তৈরী করে নিতে হবে। আপনি ব্লগে গিয়ে Page নামক একটি অপশন দেখবেন। সেই পেজ অপশনে আপনাকে কিছু পেজ তৈরী করে নিতে হবে। যার মধ্যে আছেঃ Privacy Policy, About, Contact, Disclaimer, Terms & Conditions। এই পেজ গুলো তৈরি করে নিলে, গুগল এডসেন্স আপনার সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবে। আপনার ওয়েব সম্বন্ধে খানিকটা জেনে নিতে পারবে। 


যদি এগুলো তৈরি নাই করেন তাহলে গুগল আপনার ওয়েবসাইট সম্বন্ধে কিছু জানবে না। এতে করে এপ্রুভালও পাবেন না।

তো গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল নিয়ে ছোটখাটো আলাপ-আলোচনা হয়ে গেল।



এবার আসি, 

অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল পাওয়ার পরে কি করবেন? 

আপনি ওয়েব সাইটে অ্যাড বসাতে পারবেন। সেই অ্যাডগুলো শো করাতে পারবেন। পরবর্তীতে যখন ভিজিটর  এডে ইম্প্রেশ হয়ে ক্লিক করবে, সেই অ্যাড ক্লিক করার জন্য আপনাকে কম করে হলেও 0.10 ডলার থেকে শূন্য দশমিক 90 ডলার পর্যন্ত দেয়া হবে। যদি আপনি বাংলা ওয়েবসাইট তৈরি করেন তবে।


আর যদি ইংরেজি ওয়েবসাইট তৈরি করেন। তাহলে প্রতিটি এডে যদি ভিজিটর ক্লিক করে তাহলে আপনাকে সর্বোচ্চ 5 থেকে 10 ডলার পর্যন্ত দেয়া হবে।



গুগোল ব্লগারে নিশ সিলেক্ট ও ভালো আর্নিং

দেখুন আপনাকে ব্লগ সাইট তৈরি করতে চাইছেন। সে ব্লগ সাইটে আপনি অবশ্যই ব্লগিং করবেন। আর ব্লগিং করে মূলত উপার্জন করবেন। এখন এই যে ব্লগিং করতে চাইছেন এবং উপার্জন করতে চাইছেন। তার আগে কি বিষয়ে লেখালেখি করতে চাইছেন? সেটাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। ব্লগিং করার জন্য বিভিন্ন বিষয় বস্তু আছে। যেমনঃ খেলাধুলা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, ট্রাভেলিং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,  শিক্ষা ইত্যাদি।


এ টপিকের যেকোনো একটিকে নিয়ে আপনি ব্লগিং শুরু করতে পারেন। অথবা একাধিক বিষয়বস্তু একাধিক ক্যাটাগরি বিষয়বস্তু নিয়েও আপনি ব্লগিং করতে পারেন। সমস্যা নেই। নিশ সিলেক্ট করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনি যখন শুধুমাত্র খেলাধুলা নিয়ে ব্লগিং করবেন।মানে বিভিন্ন খেলা, যেমনঃ ক্রিকেট, ফুটবল কিংবা মৌসুমী খেলা যেমন, শীতকালে ব্যাডমিন্টন ব্যাডমিন্টন নিয়ে বিভিন্ন আর্টিকেল লিখলেন।


কিংবা বিভিন্ন ব্যাডমিন্টন রেকেট কোম্পানির ব্যাডমিন্টনের প্রাইস লিখে দিলেন। তখন গুগল এডসেন্স বুঝবে যে, আপনার ওয়েব সাইটে কি ধরনের এড শো করানো উচিত? তারা অবশ্যই খেলাধুলা নিয়ে এড বেশি শো করাবে। এতে সেগুলোর সিপিসি ও ক্লিক বেশি বেড়ে যাবে। মানে হলো যখন কেউ ক্লিক করবে, আপনার যে উপার্জন টা আসবে সেটার পরিমাণ টা বেড়ে যাবে।


এই গেল ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন। যার মাধ্যমে আপনি এড বসিয়ে উপার্জন করতে পারেন। এখন প্রশ্ন হল, শুধুমাত্র কি ওয়েবসাইট মনিটাইজেশনের জন্য একজন ওয়েবসাইট তৈরী করে? এত আর্টিকেল লেখালেখি করে। অন্যের সুবিধার জন্য এত কষ্ট করে শুধুমাত্র এড শো করে উপার্জন করার জন্য? 


না না, ভাই। এমনটা না। গুগল এডসেন্স ছাড়াও বেশি পরিমাণে উপার্জন করার অসংখ্য উপায় আছে। যেমন ধরুনঃ এডসেন্সের যেটা হয় সেটা কে আপনি দ্বিগুণ করে নিতে পারবেন। একটি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। 


সেটা তে আমি আর গেলাম না। পরবর্তীতে কিছু আছে উপায় আছে। যেমনঃ




2. এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ব্লগার থেকে আয়ঃ


আপনি কোন একটি প্রোডাক্ট  বিক্রয় করতে পারেন। এর জন্য বিভিন্ন প্রোডাক্টের এফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করতে পারেন। এতে অ্যাডসেন্সে তেমন একটা প্রভাব ফেলবে না। যদি আপনি কম পরিমাণে আফিলিয়েট মার্কেটিং করেন, তবে সমস্যা নাই।



 3. স্পন্সর পোস্ট করা

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। যার কারণে ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলো আগ্রহী হচ্ছে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে স্পন্সর পোস্ট করানো জন্য। আপনি যে কোন একটি প্রোডাক্ট নিয়ে স্পন্সর পোস্ট করলেন, তাহলে সেখানে আপনি বিপুল পরিমাণ আয় করতে পারবেন।  



স্পনসর্ড পোস্ট কোথায় পাবেন? 

স্পন্সরড কোথায় পাবেন তা নিয়ে কোন চিন্তা ভাবনা করতে হবে না। এর জন্য বিশেষ ওয়েবসাইট আছে। যেখানে সাইন আপ করে রাখলেই এ ব্যাপারে বিভিন্ন কন্ট্রাক্ট করতে পারবেন। তাছাড়া যদি আপনার ওয়েবসাইটে স্বনামধন্য ও ভালো ভিজিটর থাকে তবে অনেক ওয়েব সাইট আপনার সাথে সরাসরি কন্টাক্ট করে নিবে। 



স্পনসর্ড পোস্ট কেন করবেন?

 ব্লগ থেকে আয় করার জন্য এটি বেশ উপযোগী। মনিটাইজেশন চালু থাকলে স্পন্সর পোস্ট করলে বাড়তি উপার্জন করা যায়। এবং এতে বিশেষ কোনো ক্ষতি নেই। আপনার পোস্ট কিংবা স্পন্সর করা কোন কন্টেন্ট ভিজিটররা চাইলে পড়বে, মন না চাইলে পড়বে না। এতে কোনো বাধা-বিপত্তি নেই। আপনি সরাসরি পোস্ট করার সাথে সাথেই নির্ধারিত এমাউন্টের টাকা পেয়ে যাবেন।




4. Content Sell Business:

তারপরে দেখুন, যদি আপনার লেখা লিখি অনেক ভাল হয়, কনটেন্টগুলো মানসম্মত হয়। তবে পরবর্তীতে কনটেন্ট শপ(Article Shop) নামে একটি ফিচার আপনার ব্লগারে এড করতে পারেন। একটি category করলেই চলবে। সেখানে সরাসরি কন্টাক্ট করে মানসম্মত কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারবেন। কন্টেন্ট সেল করে নিলে ভালো পরিমাণে উপার্জন নেয়া যায়।

ভালো ব্লগ সাইট থেকে যে কেউ ভাল কনটেন্ট দামে ক্রয় করে নিতে চাইবে। এই সার্ভিস আপনি নিজেই প্রদান করতে পারবেন, নিজের ব্লগ সাইট ব্যবহার করে। 




ব্লগারে ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর উপায়ঃ

এই গেল ব্লগার থেকে উপার্জন করার কতগুলো উপায়। পরবর্তীতে আপনাকে জানতে হবে ব্লগারে ভিজিটর আনার জন্য কি করতে হবে। ব্লগার থেকে উপার্জন করার উপায় যদি আপনি সার্থকভাবে কাজে লাগাতে চান। তবে ভালো পরিমাণ ভিজিটর প্রয়োজন হবে। আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটরের জন্যই আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করা। সম্পূর্ণ তাদের জন্য উৎসর্গ। যদি ভিজিটর ধরে না রাখতে পারেন, তবে ওয়েবসাইট শীঘ্রই অবনতির দিকে চলে যাবে।


ভিজিটর ঠিক রাখার জন্য অনেকগুলো কনসেপ্ট রয়েছে। যেমনঃ 



১। মানসম্মত আর্টিকেল লেখাঃ

ভিজিটর বাড়ানোর জন্য মানসম্মত আর্টিকেল প্রয়োজন। এছাড়াও ইউজার এক্সপেরিয়েন্স বাড়ার জন্য আর্টিকেল খুব সুন্দর ভাবে গুছিয়ে সাজিয়ে লেখা লাগবে। আবোল- তাবোল আর্টিকেল ইউজাররা বুঝতে পারবে না। 


আর যদি কিছু বুঝে না উঠতেই পারে, তবে আপনার ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। একজন ভিজিটর আপনার সাইটে এসে আর কতক্ষন ওয়েট করছে, কত সময় নিয়ে পড়ছে। সেটাও কিন্তু আপনার ওয়েবসাইট র্যাংক করার জন্য অনেক বড় বিষয়। তাছাড়া আপনার কনটেন্ট সুন্দর হলে, আর্টিকেল ভালো লাগলে, পরবর্তীতে আরেকটি আর্টিকেল পড়তে চাইবে।  সেটাও কিন্তু আপনার ওয়েবসাইটের র্যাংকিং ফেক্টর।



২। ভালো সাইট স্পীড থাকাঃ

তাছাড়া ভিজিটর বাড়ানোর জন্য আপনার ওয়েবসাইটের সাইট স্পিড ভালো থাকতে হবে। যাতে করে একটি কনটেন্ট এর উপর ক্লিক করলেই, কিছু সময় বিশেষ করে এক থেকে দু সেকেন্ডের মধ্যে যাতে সেটি লোড নিয়ে নেয়। তা না হলে ইউজার আপনার ওয়েবসাইটকে পছন্দ করবে না আ।পনি ওয়েবসাইট প্রফেশনাল হবে না। আজকে আমরা ব্লগার থেকে টাকা আয় করার উপায় গুলো জানলাম।


পড়ুনঃ


এই ধাপ গুলো অনুসরন করলে। আমার দেখা মতে, পুরো আর্টিকেলটি বুঝতে পারলে। আপনি এত টুকু জেনে নিতে পারবেন যে, আসলে কনটেন্ট রাইটিং করে খুব সহজেই ব্লগার থেকে উপার্জন করা যায়। এবং সেই ব্লগার থেকে উপার্জন করে আপনিও স্বাবলম্বী হতে পারেন।




শেষকথা 

আজকে আমরা জানলাম, ব্লগার থেকে আয় করার উপায় ব্লগার। ওয়েবসাইট খোলো গুগল একটি প্লাটফর্ম ব্লগার ওয়েবসাইট থেকে সহজে আয় করা সম্ভব। এই ওয়েবসাইটের কোন বিষয়ে আপনাকে কোন রকমে খরচাপাতি করতে হবে না। আপনি ব্লগারএ সম্পূর্ণ ফ্রিতে ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারবেন। সেখানেপোস্ট করে উপার্জন করতে পারেন। 


এই ব্লগার থেকে উপার্জন করার উপায় গুলো আমি গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করেছি। ভালো লাগলে অবশ্যই জানাবেন। যদি ভালো না লাগে, অথবা কোনো ব্যাপারে যদি জানার আগ্রহ থাকে, তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। খোদা হাফেজ। সবাইকে ধন্যবাদ।


Naimul Islam

নাইমুল ইসলাম Expert Bangladesh এর Founder এবং Owner। সে অবসর সময়ে ব্লগিং ও লেখালেখি করতে ভালোবাসে। একইভাবে অনলাইনে নতুন কিছু শেখা তার প্রধান শখ।

1 Comments

কমেন্ট করার মিনতি করছি। আমরা আপনার কমেন্টকে যথেস্ট মূল্য প্রদান করি। এটি আমাদের সার্ভিসের অংশ।

তবে কোনো ওয়েবসাইট লিংক প্রকাশ না করার অনুরোধ রইল।

Previous Post Next Post