টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট ২০২২।

টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট বাংলাদেশ

আজকের ব্লগে আমরা টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট 2022 সম্বন্ধে জানবো। এগুলো বেশিরভাগই বাংলাদেশ এবং প্রায়শই বিকাশে পেমেন্ট করে। বাংলাদেশী ওয়েবসাইট গুলো বৈদেশিক ওয়েবসাইটের মত ততো সমৃদ্ধ না, যে সেখানে গিয়ে অনলাইনে ভালোমতো উপার্জন করা যাবে। কারণ কোন একটি ওয়েবসাইট তখনই সমৃদ্ধ হবে, যখন সে ওয়েবসাইটে বাইরে থেকেও অনেক বেশি ইউজার আসবে।

কিন্তু বাংলাদেশের ওয়েবসাইটগুলোতে বেশিরভাগ থাকে বাংলাদেশি ভিজিটর। কাজেই সেগুলো তে বাংলাদেশি ইনকাম ওয়েবসাইটগুলোর ততো উন্নতি সম্ভব হয় না।

এবার বলি, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট গুলো সম্বন্ধে যেগুলো থেকে আপনারা আয় করতে পারবেন। এবং উপার্জন করা সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করবে।

টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট ২০২২


বাংলাদেশি ওয়েবসাইটগুলো কি টাকা ইনকাম করার জন্য উপযোগী?

জ্বী অবশ্যই। আপনি এসব ওয়েবসাইটে ফ্রীল্যান্সিং, সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে কাজ করতে পারেন। সেখান থেকে যথা সম্ভব ভালো ইনকাম করা যেতে পারে। তবে সেটি সম্ভবত আপনার নিজের দক্ষতার উপরে নির্ভর করবে। কাজেই আপনি নিজ থেকে আয় করতে চাইলে ভালো হবে।


টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট কি?

যে সকল ওয়েবসাইট কোনো সার্ভিস বা কাজের বিনিময়ে আপনাকে অনলাইনে আয় বা ইনকাম করার সুবিধা দেবে, তাদেরকে টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট সম্বন্ধে বুঝেছি। টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইটগুলোকে অবস্থান অনুসারে ২ ভাগে ভাগ করা সম্ভব।

১) এদেশীয়ঃ

এদেশীয় ওয়েবসাইটগুলোতে আয় করতে গেলে বেশিরভাগ কাস্টমার ও ক্লায়েন্ট বাংলাদেশি হবে। এবং উপার্জন সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিং-য়ের মাধ্যমে নেয়া সম্ভব। যেমনঃ বিকা্শ, নগদ, নেক্সাস-পে ইত্যাদি। তবে ইনকাম যথারীতি কম হবে।

২) বৈদেশিক ওয়েবসাইটঃ

বৈদেশিক ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি হয়। বৈদেশিক ওয়েবসাইটগুলোতে উপার্জন করা শুরু করলে অনেক ভাল প্রফিট আয় করা যায়। এছাড়াও বৈদেশিক ওয়েবসাইটগুলোতে কাজ করার জন্য ইংরেজিতেও দক্ষ হতে হয়। যার মধ্যে আছে ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট গুলো। যেমনঃ আপওয়ার্ক, ফাইবার ইত্যাদি।

টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট ২০২২-গুলোকে ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমনঃ প্রথমত,

একক কোম্পানি অনুযায়ী ভাগ করা যায়। নগদ, বিকাশ এগুলো একক কোম্পানি। নিজের সার্ভিস প্রোভাইড করার জন্য মূলত বিভিন্ন কর্মচারী রাখে। এবং তাদের দিয়ে কাজ করে। এছাড়া আছেঃ

মাইক্রো-জব কোম্পানিঃ এরা একক কোম্পানি হিসেবে কাজ করে না। এখানে অসংখ্য লোকের কাজ করার জন্য, এক অপরের সার্ভিস নেওয়ার জন্য প্লাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে। সেখানে একক কোনো কোম্পানি নিজস্ব সার্ভিসের জন্য কর্মচারী রাখেনা। বরঞ্চ একাধিক কোম্পানি একটি প্লাটফর্মে নিজেদের সার্ভিস দেয়া-নেয়া অর্থাৎ বিনিময় করে।

বাংলাদেশী টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট ২০২২। চলুন টাকা ইনকাম করার যত বাংলাদেশি ওইয়েবসাইট আছে তাদের সম্বন্ধে জেনে নিই:


১) নগদঃ টাকা ইনকাম করার দেশি ওয়েবসাইট।

প্রথমেই বলছি নগদ। নগদ বাংলাদেশের মানুষের বিশ্বস্ত মোবাইল ব্যাংকিং সিস্টেম।

ডাক বিভাগ পরিচালিত অনলাইন মোবাইল ব্যাংকিং সিস্টেম। বাংলাদেশে পোস্ট অফিসে টাকা আসলে সংগ্রহ করে রাখা যায়, অনেকটা ব্যাংকের মতো। আর পোস্ট অফিসে যখন কেউ টাকা রাখে জমা রাখে, ব্যাংকের মতোই। সেখান থেকেও মুনাফা উপার্জন করা যায়।

নগদ বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একটি মানি ট্রান্সফার সিস্টেম। এবং এটি বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। বাংলাদেশের নিজস্ব সরকারি ব্যাংকিং। যেটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগ পরিচালনা করছে। যে কোন জনসাধারণ উপকৃত হতে পারে নগদ থেকে। নগদ একাউন্টে টাকা ইনভেস্টমেন্ট করা যায়। তা মুনাফা হিসেবে বৃদ্ধি পায়।

যেমন ধরুন, আপনি যদি 1000 টাকা জমা রাখেন। এবং 1.5% হারে বছর শেষে বৃদ্ধি পাবে। এবং সেখানেও উপার্জন করা সম্ভব। আমরা অনলাইনে টাকা বিনিময় করার জন্য বিকাশের পরিবর্তে নগদ ব্যবহার করলে পারেন। নগদে ক্যাশ আউট প্রতি হাজারে মাত্র 10 টাকা। ভাই আমি কিন্তু স্পন্সর করছি না😂।
মুনাফাঃ

গ্রাহকগণ তাদের নগদ অ্যাকাউন্টে জমা টাকার পরিমাণের উপর সর্বোচ্চ মুনাফা লাভ করবেন।

“মুনাফা” বিস্তারিত

গ্রাহকগণ তাদের নগদ অ্যাকাউন্টে জমা টাকার পরিমাণের উপর সর্বোচ্চ মুনাফা লাভ করবেন।

নগদ-এর সকল নিয়মিত গ্রাহকরা তাদের নগদ অ্যাকাউন্টে জমা টাকার উপর নিচের টেবিলে উল্লিখিত হারে মুনাফা পাবে,যা ১ জুলাই ২০২১ থেকে প্রযোজ্য হবেঃ –

ব্যালেন্স/স্ল্যাব (টাকা) বাৎসরিক হার

০ – ৯৯৯.৯৯ ০.০%

১,০০০ – ৫,০০০ ১.৫%

৫,০০০.০১ – ১৫,০০০ ২.০%

১৫,০০০.০১ – ১৫০,০০০ ৩.০%

১৫০,০০০ থেকে এর ঊর্ধ্বে ৭.৫%

*সর্বাধিক ব্যালেন্স সীমা পর্যন্ত, যা বর্তমানে ৩০০,০০০ টাকা।

মুনাফা পাওয়ার শর্তসমূহঃ

১) মুনাফা পেতে হলে, গ্রাহকের একাউন্টটি ফুল প্রোফাইল থাকতে হবে। এবং একাউন্ট-এর মুনাফা অপশানটি “অন” থাকতে হবে।

২)“ইসলামিক” প্রোফাইলের নগদ গ্রাহক মুনাফা পাবে না।

৩) মুনাফার টাকা প্রদানের সময় যদি গ্রাহকের মুনাফা অপশানটি “অফ” থাকে তবে তিনি মুনাফা পাবেন না।

৪) মাসে ন্যূনতম দুই (২) বার আর্থিক লেনদেন (ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, যে কোন ধরনের পেমেন্ট অথবা মোবাইল রিচার্জ) করতে হবে।

৫) মাস জুড়ে প্রতি দিন শেষে ন্যূনতম ১,০০০ টাকা ব্যালেন্স রাখতে হবে । যদি কোনও দিনের শেষে ব্যালেন্স ১,০০০ টাকার নিচে থাকে, তবে গ্রাহক সেই মাসে মুনাফা পাওয়ার জন্য যোগ্য হবে না।

৬) মাসের সর্বনিম্ন ‘দিন শেষের ব্যালেন্স’ এর উপর নির্ভর করে গ্রাহকের মুনাফার জন্য প্রযোজ্য বার্ষিক হার/রেট নির্ধারণ করা হবে। এবং সেই রেট অনুযায়ী মাসিক গড় ব্যালেন্স (monthly average balance) এর উপর মুনাফা হিসাব করা হবে।

উদাহরণঃ জানুয়ারি মাসের ৩১ দিনের মধ্যে ৩০ দিন শেষে আপনার একাউন্টে ১০,০০০ টাকা করে ছিল এবং ১ দিন শেষে ১,০০০ টাকা ছিল। এক্ষেত্রে আপনার মুনাফার হার/রেট হবে ১.৫% (যেহেতু মাসের এক দিন আপনার দিন শেষের ব্যালেন্স ছিল ১,০০০ টাকা এবং ১,০০০ টাকার রেট ১.৫%)।

সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ভ্যাট এবং ট্যাক্স কেটে গ্রাহকের একাউন্টে মুনাফা দেয়া হবে। গ্রাহক ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে (৩ মাস অন্তর ১ বার ) মুনাফা পাবে।


মুনাফা সেবা চালু ও বন্ধ করার পদ্ধতিঃ

গ্রাহক মুনাফার টাকা পেতে না চাইলে নিচে উল্লেখিত পদ্ধতিতে মুনাফা বন্ধ করতে পারবে। নগদ অ্যাপ এর মাধমে –

১) নগদ অ্যাাপ এ প্রবেশ করুন।

২) “আমার নগদ” সিলেক্ট করুন।

৩) “মুনাফা পেতে চাই” অপশানটি সিলেক্ট করুন।

“হ্যাঁ” বা “না” সিলেক্ট করুন।

৪) নগদ ইউএসএসডি অপশন এর মাধমে –

ডায়াল *167#।

৫) “My Nagad” সিলেক্ট করার জন্য 7 চাপুন। "Update profit status’’ সিলেক্ট করার জন্য 5 চাপুন।

৬) ‘’Yes” বা “No’’ সিলেক্ট করুন।

নগদ কল সেন্টার নাম্বার (১৬১৬৭)-এ কল করুন

তথ্যসূত্র ও ক্রেডিটঃ https://nagad.com.bd

নগদের একটি অসুবিধা হলোঃ
এটি বিভিন্ন সিস্টেম-ওয়াইজ পেমেন্টে বিকাশের মতো প্রচলিত না। যেমনঃ কোনো মার্কেটপ্লেস যেটা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডল থেকে বাংলাদেশে এসেছে, সেখানে বিকাশের যেমন আধিপত্য ও পেমেন্ট সিস্টেম লিংকিং করতে পেরেছে, নগদ পারে নি। অবশ্য নগদের পরিসর বাড়ছে, এতে করে বিকাশের চাহিদা কমলেও কমতে পারে।

নগদ উদ্যোক্তা হওয়াঃ

নগদের উদ্যোক্তা হয়ে উপার্জন করা যায়। আপনি নগদ ব্যবহারে কত হারে ট্রানস্ক্রিপশন, টাকা লেনদেন করছেন তার হিসাবে আপনাকে নির্দিষ্ট উপার্জন দেয়া হবে।

নিচের চিত্রে দিকে তাকান এছাড়া নগদ উদ্যোক্তা হয়ে, মোবাইল রিচার্জ করে উপার্জন করা যায়। এর জন্য আপনাকে প্লে স্টোর থেকে নগদ উদ্যোক্তা অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করতে হবে। সেখানে নিজের আইডি কার্ড ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন করে নগদ উদ্যোক্তা হতে পারবেন। এই দোকান কিংবা ব্যালেন্স ফ্লেক্সিলোড করার জায়গা থাকলে সেখানে নগদ উদ্যোক্তা অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে উপার্জন করা যাবে।

এর প্রধান দিক হলো যেহেতু প্রতি বছর হিসাবে মুনাফা পাওয়া যায়, সেদিকেও আপনি লাভবান হতে পারবেন।


২। বিকাশ (Bkash) থেকে টাকা (Taka) ইনকাম:

বিকাশ বাংলাদেশের একটি মোবাইল ব্যাংকিং ওয়েবসাইট। এবং বহুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বিকাশ ব্যবহারে অনলাইন লেনদেন দ্রুত সমৃদ্ধ হয়েছে। এবং বিকাশ এখনো সকলের কাছেই সমহারে জনপ্রিয়।

বিকাশ ওয়েবসাইট ভালো উদ্যোগ নিয়ে অগ্রগতি লাভ করেছে। যেমন, শুরুতেই হয়তো আপনি দেখেছেন বিকাশ এর একটি অফার চলছিল, যে প্রতি বিকাশ একাউন্ট তৈরি করলে দেড়শ টাকা বোনাস দেয়া হবে। যেটি বর্তমানেও চলছে।

যার কারণে বিকাশ ইউজারদের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া বিকাশে তখন রেফারাল সিস্টেম ছিল। সেখানে প্রতি রেফারে আপনি পাবেন ৫০ টাকা। আবার যাকে রেফার করবেন সেও পাবে 50 টাকা। তবে যাকে রেফার করেছেন তাকে বিকাশ ব্যবহারে অনলাইন লেনদেন করা লাগবে।

এভাবে যত বেশি রেফার করা যাবে ততো বেশি আয় হবে। এরকম করে অনেকেই 50,000 এবং এর বেশিউ পার্জন করেছে। যদিও এখন রেফার করার অপশনটি আছে কিনা সন্দেহ। তবে বর্তমানের অ্যাকাউন্ট খুললে 100 টাকা একাউন্টে চলে আসবে।

বিকাশে (Bkash) এজেন্ট (agent) হয়ে আয় করুন।

এখন বিকাশ থেকে উপার্জন করার জন্য সরাসরি বিকাশ এজেন্ট হিসেবে যোগদান করতে পারেন। নিজস্ব বিকাশ কর্তৃপক্ষ হয়ে বিভিন্ন ইউনিটে কাজ করতে পারেন। তবে কয়েকটি সহজ উপায় হলো বিভিন্ন অফার ছাড়া উপার্জন করতে না পারলেও বিশেষ ক্ষেত্রে ডিসকাউন্ট পাবেন। যেমন বিভিন্ন জায়গায় বিকাশ ব্যবহার পেমেন্ট করলে সেখান থেকে ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়।

যেমন যদি ফুটপানডাতে বিকাশ থেকে গিয়ে পেমেন্ট করেন, তবে তার থেকে 50% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়। এখান থেকে আপনি টাকা সঞ্চয় করতে পারেন।


৩। BWM Shop: বাংলাদেশি মাইক্রো জব প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইট।

ওয়েবসাইটটি জুন মাসের শেষ দিকে লঞ্চ হয়। খুবই নতুন। এটি অনেকটা বাংলাদেশি ফাইবার ওয়েবসাইট। লঞ্চের ৫ দিনে এলেক্সা র‍্যাংকে টপ ১০০০-এ প্রবেশ করে নেয়।

BWM এর পূর্ণরূপ হলো বাংলাদেশ ওয়েবসাইট মার্কেটারস। BWM অর্থাত Bangladesh Website Marketers একটি জনপ্রিয় ফেসবুক গ্রুপ। বিশেষ করে এদেশীয় ব্লগার ও ওয়েবসাইট অওনারদের জন্য।

তারা BWM Shop নামক নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করেছে। যে কেউ চাইলে নিজের সার্ভিস বাংলাদেশেই প্রোভাইড করতে পারে। নিজের মাইক্রো জব সম্পন্ন করে নিতে পারে। ধরুন, আপনি একটি ওয়েবসাইট বিক্রি করতে চাইলেন।

অথবা নিজে কনটেন্ট রাইটিং বা ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে কাজ করতে চাইছেন। তাহলে এই ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজেই একাউন্ট তৈরি করে গিগ আকারে সার্ভিস তুলে ধরতে পারেন, মানে নিজের কাজ তুলে ধরতে পারেন।

নিজস্ব গিগ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করে নিলে, তা থেকে ভালো ভিও, ইম্প্রেশন ও অর্ডার ও ডিল আসবে। আর তারা সবাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাংলাদেশি ইউজার হবে। সেখান থেকে নগদ, বিকাশ, মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড চার্জ হবে এবং ইনকাম হবে। সেখানে চার্জ কাটবে খুব কম টাকা।

কাজে এটি অনেক বেশি সিকিউর এবং সহজলভ্য। যারা নিজস্ব ওয়েবসাইটে ইউজার ও এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল কনটেন্ট নিতে চান, একইভাবে যারা কন্টেন্ট লিখে আয় করতে চান। তাদের জন্য একটি ভালো হবে। এখানে নিজের ইচ্ছামত উপার্জন হবে। আপনি যত টাকায় নিজের সার্ভিস প্রোভাইড করবেন, তা উল্লেখ রেখে গিগ তৈরি করে নিলেই হবে।

সেখান থেকে ভালো উপার্জন করা যাবে। আমরা যারা ফাইবারে কাজ করেছি। ফাইবার সম্বন্ধে যারা জানেন, তারা জানেন যে, একটি গিগ কিভাবে তৈরি করতে হয়? এবং সাবমিট করতে হয়।

এখানে নিজের সার্ভিস, দক্ষতা, কাজের নমুনা উল্লেখ করা হয়। কত এমাউন্ট নিবেন সেটা উল্লেখ করতে হয়। যারা নতুন মাইক্রো জব করতে চাইছেন, তাদের জন্য ভালো হবে।

কারণ কিছুদিন আগে লঞ্চ হয়েছে। এখন থেকেই প্রফেশনাল হয়ে কাজ করতে পারেন। ওয়েবসাইটটি দেখে ধারণা করা যায় যে ওয়েবসাইটটির গঠনশৈলী ভালো এবং মানসম্মত।

ধারণা করা যায় ফাইবারের মতো করেই বাংলাদেশি ওয়েবসাইট হিসেবে এগোবে। ভবিষ্যতে সেখানে নিজস্ব প্রয়োজন হিসেবে কাজ করতে পারবেন।
কিভাবে লগইন করবেন?

লগইন করা খুবই সহজ। একটি ওয়েবসাইটে কিভাবে লগিন করা সম্ভব তা নিশ্চই জানেন। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাইন আপ করে নেয়া যায়। পরবর্তীতে প্রোফাইল তৈরির জন্য নিজস্ব ব্যক্তিগত তথ্যাদি দিবেন।

কোনো সমস্যা হলে তার জন্য তাদের বাংলা ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে যোগাযোগ করতে পারবেন।
কত উপার্জন করা যাবে?

এখানে কত উপার্জন করবেন সেটা সম্পূর্ণ আপনার নিজস্ব অভিজ্ঞতা। নিজের সার্ভিস ফী কত নিয়েছেন তার উপর নির্ভর করবে। প্রতি 1000 টাকায় সার্ভিস প্রোভাইড করছেন? তাহলে যত অর্ডার ও কাস্টমার আসবে তত বেশি উপার্জন হবে।

সার্ভিস আবার কি?

অনলাইনে যে কাজটিতে সাহায্য করছেন তাই সার্ভিস। ধরুন আপনি ডলার কিনে দিচ্ছেন। এটাও একটা সার্ভিস৷ আবার ব্লগে এডসেন্স এপ্রুভাল দিতে জানলে ওটাও একটি সার্ভিস। আবার আর্টিকেল লিখতে জানলে ওটাই একটি সার্ভিস৷ যেকোনো ফ্রীল্যান্সিং কাজই একেকটি সার্ভিস।


৪। গুগল এডসেন্স (Google Adsense) থেকে মনিটাইজ করে আয়ঃ

গুগল এডসেন্স কোনো বাংলাদেশি ওয়েবসাইট নয়। তবে এডসেন্স এ কাজ করে অর্থাৎ এড পাবলিশার হিসেবে কাজ করছেন এরকম অনেক বাংলাদেশী ইউজার আছে। যার কারণে এডসেন্স এ কাজ করতে বিশেষ কোনো অস্বস্তিবোধ হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। যেহেতু এড পাবলিশের হিসেবে কাজ করতে প্রতিযোগিতা করতে হয় না, তাই স্বাধীন ভাবে কাজ করুন।

উপার্জন করার পরিমাণঃ

এরকম কোন কথা নেই যে সকলের সাথে কম্পিট করে উপার্জন করা লাগবে। আপনি নিজের কাজে যত বেশি এগোতে পারবেন, তত বেশি উপার্জন হবে। এডসেন্স এড বিভিন্ন ওয়েবসাইট এ বসিয়ে এড শো করানো হয়।

এডে ইম্প্রেশন যত বাড়বে, ততোই ক্লিক করার পরিমাণ বাড়বে। এবং এড ক্লিকের উপর নির্ভর করে আপনাকে উপার্জন দেয়া হবে। বাংলাদেশ থেকে অনেকেই আছে যারা মাসে হাজার হাজার ডলার উপার্জন করছে।

পড়ুনঃ এডসেন্স থেকে আয় করার গাইডলাইন।


গুগল এডসেন্স এপ্রুভালঃ

গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল নিতে হয়। একজন সাইটকে যথাযোগ্যভাবে সাজাতে হয়। এবং উপযোগী করে গড়ে তুলতে হয়। পরবর্তীতে এপ্রুভাল নেয়া হয়ে গেলে আপনি এড পাবলিসার হিসেবে কাজ করতে পারবেন। এবং আপনার ওয়েবসাইটে এড পাবলিশ করে উপার্জন করতে পারবেন।

গুগল এডসেন্সে আয়ের মধ্যে লিমিটেশন নাই। আপনি যত বেশি উপার্জন করতে পারবেন, ততই তারা দিবে। এছাড়া এখানে কিছু নিয়ম নীতি ও পলিসি আছে। যেগুলো সবসময় মেনে চলতে হয়। তা না হলে যে কোন সময় আপনার এডসেন্স একাউন্ট ব্যান হয়ে যেতে পারে। এড লিমিট করে দিতে পারে। যাতে কিছু সময় এড শো না করতে পারেন।


সাইট মনিটাইজেশনঃ

গুগল এডসেন্স ব্যবহার ইংরেজি এবং বাংলা উভয় ওয়েবসাইটে করা যায়। এমনকি এড শো করানো যায়। এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যেহেতু ইংরেজি ওয়েবসাইটগুলোতে ট্রাফিক বেশী আসে, কারণ ইংরেজি সকল দেশেই ব্যবহার করে। সে ক্ষেত্রে ইংরেজিতে উপার্জন বেশি হয়। তবে তাই বলে যে বাংলা ওয়েবসাইটে কাজ করা যায় না, তা কিন্তু না।

বাংলাদেশী ও ভারতীয় বিভিন্ন বাংলা ওয়েবসাইট আছে। বাংলা ব্লগার আছেন, যারা ভালো পরিমাণে উপার্জন করছেন।

আমার মত অভাগা ও অকর্মণ্যদের জন্য google adsense হল সবচেয়ে বেশি দরকারি। তার কারণঃ অ্যাডসেন্স থেকে মূলত আমাদের মত ব্লগারদের উপার্জন আসে। যারা ইতিমধ্যে কিছুমাত্র ব্লগিং করে উপার্জন নিতে চায়।

আপনি যদি একটি ব্লগিং সাইট চালান। এবং সেখান থেকে ভালো পরিমাণ ট্রাফিক কালেক্ট করতে পারেন। তবে google adsense আপনার মনিটাইজেশনে সহায়তা করবে। গুগলের নিজস্ব প্রোডাক্ট সেহেতু এটা ফেক হবে এমনটা মনে করা ঠিক না। শতভাগ নির্ভুল। সবচেয়ে ভালো ইনকাম করা যাবে।

ইন্টারনেটের প্রায় 70 ভাগ ব্লগগুলো এডসেন্সের মাধ্যমে মনিটাইজ করা। এডসেন্স এর জনপ্রিয়তা বাংলাদেশে নয়, পুরো পৃথিবীতে অনেক বেশি ছড়িয়ে পড়েছে। এডসেন্স মনিটাইজেশনের ব্যাপারটা সবার আগে শুরু করে। গুগলের নিজস্ব এড নেটওয়ার্ক আছে adsense, যা শতভাগ নির্ভুল।

গুগোল অ্যাডসেন্সে নিজের ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন করাতে আপনার অবশ্যই একটি ব্লগ সাইট থাকতে হবে। সে ব্লগ সাইটে প্রতিনিয়ত ব্লগিং পোস্ট আর্টিকেল পাবলিশ করে যেতে হবে। আপনি সে ব্লগসাইট চাইলেই ওয়ার্ডপ্রেস(wordoress.org) কিংবা গুগোল ব্লগারের(blogger.com) এ সহজেই তৈরি করতে পারেন।

একবার ব্লগ সাইটটি তৈরী করা হয়ে গেলে, প্রতিনিয়ত ব্লগ পোস্ট, আর্টিকেল সাবমিট করতে থাকুন। আপনাকে কিছু বিষয় সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণ করতে হবে। যেমন ধরুনঃ আর্টিকেলগুলো কিভাবে SEO করায়? সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করাবেন। পাশাপাশি বেশি ভিজিটর কালেক্ট করবেন কিভাবে ইত্যাদি।

তাছাড়া গুগল এডসেন্স মনিটাইজেশনের জন্য কিছু নিয়ম নীতি আছে। এজন্য গুগল এডসের প্রোগ্রাম পলিসিটি সম্পূর্ণ পড়ে নিতে হয়। এবং সে মোতাবেক আপনাকে ব্লগ তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি আর্টিকেলগুলো কিরকম হবে? কিভাবে লিখতে পারবেন?

সেগুলো আপনি অ্যাডসেন্সে দেখে যাচাই বাছাই করতে হয়। মনিটাইজেশন পাওয়ার জন্য আপনার আর্টিকেলগুলোতে ১ ট বাক্যও কপি থাকা যাবে না। নিজ থেকে লিখতে হবে। আর্টিকেলগুলো সর্বনিম্ন ১০০০ ওয়ার্ডের মধ্যে রাখলে ভালো হবে।
এডসেন্স থেকে কিরকম টাকা উপার্জন করা যায়?

আমার বাংলা ব্লগঃ সেখানে প্রতিদিন পাঁচশো থেকে ছয়শো পর্যন্ত ভিজিটর আসে। এখানে দৈনিক 4 ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ 8 ডলার পর্যন্ত উপার্জন করা যায়।

এবং আমার ওয়েবসাইটে নিতান্তই একটি বাংলা ব্লগ সাইট। অনেকে বলতে পারেন, একটা বাংলা ব্লগে ভালো আর্নিং কিভাবে সম্ভব?

উত্তরঃ যদি আপনি কিছু অর্গানিক ট্রাফিক কালেক্ট করে নিতে পারেন। এবং কিছু সময় অপেক্ষা করেন, এক মাস অপেক্ষা করেন। তবে দেখবেন এরকম ভালো আর্নিং (earning) সহজেই আসবে। তাছাড়া আমার ব্লগ সাইট বাংলা হওয়া সত্ত্বেও, কিছু ফরেনার ভিজিটর আসে। প্রায় 10% ফরেনার ভিজিটর। সেখান থেকে কিছু ক্লিক করলেই যথেষ্ট উপার্জন হয়।

এডসেন্সের এড থেকে আপনি সিপিসি এর উপর ভিত্তি করে উপার্জন পাবেন। যেমন ধরুন, অ্যাডগুলো ভিউ করলে ততটা উপার্জন হয় না। যতটা উপার্জন হয় সেগুলো থেকে ক্লিক করলে। কেউ যদি গুগল এডসেন্স এর এড এ ক্লিক করে। তবে তার ভিত্তিতে আপনাকে ইনকাম দেয়া হবে।

এ পর্যন্ত আমরা বাংলাদেশি ওয়েবসাইট সম্বন্ধে আমরা জানলাম। এবার আমরা জানবো, যেসকল ওয়েবসাইট থেকে আসলেই বিপুল পরিমাণে উপার্জন করা সম্ভব। বিশেষত টাকা ইনকাম করার বৈদেশিক ওয়েবসাইটগুলো সম্বন্ধে বিস্তারিত জানবো।


বৈদেশিক টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট

আমরা আপনাকে কিছু ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে ভালো রিকমান্ড করতে পারি। নিচের ওয়েবসাইটগুলোতে চাইলে মাসিক লাখ লাখ টাকা উপার্জন করা সম্ভব। তার জন্য কাজের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা থাকা চাই।

বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং ও মাইক্রো-জব মার্কেটপ্লেস যেমনঃ আপওয়ার্ক( Upwork), ফাইবার(Fiverr) এগুলো হাজার হাজার ওয়েব টেস্টার দ্বারা পরীক্ষিত। এসব ওয়েবসাইটে উপার্জন করা অনেক বেশি সিকিউর এবং প্রিমিয়াম। তারা গ্যারান্টি দিতে পারে যে আপনাকে যথেষ্ট পরিমানে আয় করার সুযোগ দেবে। তবে সম্পূর্ণ আপনার নিজস্ব দক্ষতার উপর নির্ভর করবে।

এখানে অনলাইনে আয় করার সবচাইতে ট্রাস্টেড এবং প্রেমিয়াম ওয়েবসাইট গুলো উল্লেখ করা হলোঃ


1. facebook.com

আপনাদের কাছে ফেসবুক কখনো অপরিচিত কিছু হতে পারে না। ফেসবুকের নিজস্ব ওয়েবসাইট আছে। এবং এটিকে একটি টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট হিসেবে ধরে নেয়া যায়। ফেসবুক থেকে ইনকাম করার অসংখ্য উপায় আছে। তার মধ্যে আছে অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা করা। ফেসবুক মনিটাইজেশন করা। তাছাড়া আছে ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল এর মত ফেসবুক থেকে উপার্জন করার নানা ফিচার।

যদি আপনার অসংখ্য ফলোয়ারের একটি ফেসবুক পেজ থাকে, তাহলে সেখানে ফেসবুক মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে আয় করা যায়। ফেসবুক থেকে আয় করার অসংখ্য উপায় আছে। একে একে সব কটি উপায় বর্ণনা করি।

প্রথমে আছে,


১। ফেসবুকে পণ্য/প্রোডাক্ট অনলাইনে কেনাবেচাঃ

ফেসবুকে যে কোন প্রোডাক্ট, হস্তশিল্প অর্থাৎ হ্যান্ডিক্রাফট বেচাকেনা করতে পারেন। এর জন্য একটি ফেসবুক পেজ খুলে করলেই চলবে। ফেসবুকে এমন অসংখ্য লোকজন আছে। যারা অনলাইনে প্রোডাক্ট ক্রয়-বিক্রয় করে, মহিলাদের বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী, ডিজাইনেবল প্যান্ট শার্ট, এমনকি পুরো ফ্যাশন আইটেম নিয়ে ফেসবুকে মার্কেটপ্লেসে দাঁড় করিয়েছে।

সে দিক থেকে ফেসবুকে পণ্য বিক্রয় করে উপার্জন করা জটিল কোনো বিষয় নয়। এজন্য মার্কেটিং নলেজ এবং ভালো ইনভেস্টমেন্টের দরকার। পাশাপাশি কিছু গাইডলাইন ও বুদ্ধিদীপ্ত লোকেদের পরামর্শ চাই।

একটি ফেসবুক পেজ খোলা অনেক সহজ। ফেসবুক পেজ খোলার জন্য আপনি চাইলে গুগলের সার্চ করতে পারেন how to create a facebook page। পরবর্তীতে ফেসবুক পেজে নিজের পণ্যগুলো আপডেট দিতে থাকুন, যে সকল পণ্য বা হ্যান্ডিক্রাফট আপনি বিক্রি করতে চান।

এ সকল পর্যায়ের পরে আপনি চাইবেন আপনার পণ্যগুলো সরাসরি এডভারটাইজিং করাতে। যেহেতু এসব ব্যবসায়িক জায়গায় ইনভেস্টমেন্টের প্রয়োজন আছে। সেহেতু আপনাকে অবশ্যই এডভার্টাইজিং এ টাকা খরচ করতে হবে। 
প্রশ্ন হলঃ কোথায় কোথায় এডভারটাইজিং করাবেন? ফেসবুকে পেইড এডভার্টাইজিং করাতে পারেন। আরো আছে গুগল এডোয়ার্ড। (Google Adword)

গুগলের এডভার্টাইজিং অনেক বেশি উপকারী।

এছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং করার উপায় অবলম্বন করতে পারেন। নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। শেয়ার করতে পারেন। অ্যাফিলিয়েটিং করতে পারেন।


২। ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশনঃ

আপনি একটি ফেসবুক পেজ অথবা গ্রুপ খুলে নিলেন। এবং প্রতিনিয়ত সেখানে ভিডিও আপলোড করছেন। সে ভিডিও আপলোডিং এর মাঝে মাঝে আপনি চাইলে মনিটাইজেশন শুরু করতে পারেন।

যেকোন একটি ফেসবুক পেজে অসংখ্য কন্টেন্ট, আর্টিকেলস ও ভিডিও আপলোড করা হয়। সে ভিডিওগুলো অথবা কনটেন্ট যদি ইউনিক হয়, এবং ভালো ফলোয়ার্স থাকে। প্রতিনিয়ত ভালো ভিও ও রিঅ্যাক্ট আসে। 

তাহলে কেন আপনি বসে থাকবেন? বরঞ্চ আপনি চাইবেন মনিটাইজেশন শুরু করিয়ে নিতে। ফেসবুক মনিটাইজেশন শুরু করার জন্য শুধুমাত্র কিছু রিকোয়ারমেন্ট প্রয়োজন।

যেমনঃ ফেসবুক পেজ থাকা লাগবে, ভিডিও কিংবা কন্টাক্ট অবশ্যই ইউনিক হতে হবে। কোনো কপিরাইট মেটেরিয়াল থাকা যাবে না। একদম ভালো পরিমাণ ভিও, কম করে হলেও 10 হাজারের বেশি ফলোয়ার্স থাকতে হবে। এই মনিটাইজেশন শুরু করলে আপনি গুগল এডসেন্স থেকে বেশি উপার্জন করে নিতে পারেন।

আমি চাইবো ফেসবুকে উপার্জন করার জন্য এই উপায়টি অবশ্যই কাজে লাগাতে।

ফেসবুকে আপনারা বিভিন্ন শর্ট ক্লিপ ভিডিও দেখেছেন। দেখে মনে হতে পারে যে, এই ভিডিওগুলো অবশ্যই কপিরাইট ম্যাটেরিয়াল। কিন্তু না।

কার কারণ ওসব ভিডিও ক্লিপে নিজেদের এডিটিং ফুটেজ থাকে। ওয়াটারমার্ক থাকে। এমনকি এগুলো একটা কাট করা ক্লিপ। এগুলা থেকে কপিরাইট বের করা অনেক কঠিন। আপনারাও চাইলে এই ধরনের ভিডিও আপলোড করতে পারেন।


৩। ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেলঃ

'ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল' এ ফিচারটি ফেসবুক মনিটাইজেশন এর পাশাপাশি অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে। এর মাধ্যমে আয় করা যাবে। এই ধরনের সুযোগ-সুবিধা বেশিরভাগ নিউজপেপার সাইট গুলো নিয়ে নেয়। তার কারণ সে সকল সাইটে ফেসবুক থেকে ব্যাপক ট্রাফিক যায়।

ধরুন আপনার একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট আছে। যেখানে প্রতিনিয়ত ভালো ট্রাফিক আসে। এবং তার মধ্য থেকে ফেসবুক থেকে শুধুমাত্র ট্রাফিক ড্রাইভ হয় মাসে 10000। মানে হল ফেসবুক থেকে আপনার ব্লগ সাইটে ট্রাফিক যায় প্রায় 10,000 প্রতি মাসে। এমতাবস্থায় ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল ফিচারটি গ্রহণ করতে পারেন।

এতে করে অ্যাডসেন্সে মনিটাইজেশনের পাশাপাশি ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল থেকেও মনিটাইজেশন শুরু হবে।


৪। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট করে আয়ঃ

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্ট অথবা পেমেন্ট করে আয় করতে পারবেন এ জন্য শুধুমাত্র আপনার দক্ষ সোশ্যাল মিডিয়াম্যানেজমেন্টের সাইটে ম্যানেজমেন্টের জন্য দায়িত্ব দেয়া হবে। একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার ক্লায়েন্ট এবং বিজনেস এ সেবার মাধ্যমে প্রচুর টাকা আয় করতে পারে, তাও আবার অনলাইনে ঘরে বসেই। 

যদি তারা একটি কোম্পানির জন্য কাজ করে , তাহলে সাধারণত তারা মাসিক স্যালারি নিতে পারে। যদি তারা হয় আত্মকর্মী মানে সেলফ -এমপ্লয়েড তাহলে প্রতি ঘন্টা অথবা বিভিন্ন প্রজেক্ট অনুযায়ী তাদেরকে টাকা দেয়া হয়ে থাকে।

এক্ষেত্রে বেশিরভাগ self-employed সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার তারা নিজেদের ওয়েবসাইটে কাজ করে অর্থাৎ নিজের ওয়েবসাইটে তাদেরকে বিভিন্ন প্রজেক্ট অথবা ডিল করার জন্য বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তাদেরকে খুঁজে নেয়। তারা কোনো ওয়েবসাইট পারমানেন্ট সোশ্যাল ম্যানেজার হিসেবে কাজ করে না।

self-employed

এসব সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজাররা সাধারণত মান্থলি সার্ভিস প্যাকেজ নিয়ে থাকে । অর্থাৎ সোজা কথায় self-employed সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজাররা একমাসব্যাপী কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টের কাজ করে। 
তাদের জরুরি সকল কিছু পূরণ করে। এবং যেকোন একটি ব্র্যান্ড অথবা কোম্পানির সাথে চুক্তি করে থাকে। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজারদের মধ্যে , একদম সর্ব নিম্ন লেভেলের একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কে সোশ্যাল মিডিয়ায় সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন দুই থেকে তিনবার কাজ করার জন্য নিয়োগ দেয়া হতে পারে । 

বা সাধারণত একজন নিম্নমানের সোশ্যাল মিডিয়াকে নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে। এবং একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার বিভিন্ন গ্রাউন্ডে পোস্টিং এর পাশাপাশি একটি সোশ্যাল সাইট এর বিভিন্ন একাউন্ট অফ পেইজ ও মাল্টিপল প্লাটফর্মে কাজ করে ।

বিভিন্ন কোম্পানি অথবা ওয়েবসাইট মান্থলি সোশ্যাল মিডিয়া প্যাকেজ দিয়ে থাকে। এমন কিছু কিছু সাইট আছে যেগুলো সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট করার লোকজনদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগ দেয়। অনলাইন কাজ করার সুযোগ করে দেয়। এর মধ্যে আমাদের ফ্রিল্যান্সিং সাইটও অন্যতম ।

এখানেও সোশ্যাল মিডিয়া  ম্যানেজমেন্ট নিয়ে নানা ধরনের চুক্তিবদ্ধ হতে পারে বিভিন্ন ধরনের কোম্পানিরা। যাতে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার সেখানে কাজ করে ওই কোম্পানির রেফারেন্সে।এর মধ্যে একটি কোম্পানির নাম হলো Brandit360:এ কোম্পানিটি সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজারদের নিয়োগ দিয়ে থাকে। 

আপনারা চাইলে কোম্পানিতে জইয়েন হয়ে সাইনআপ করে রাখতে পারেন ।যাতে আপনি এ বিষয়ে ভালো এক্সপেরিয়েন্স নিতে পারেন এবং পরবর্তীতে একজন সোশ্যাল ম্যানেজার হিসেবে অনলাইন কাজ করতে পারেন। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট ।

Brandit360 এ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট এর মূল্যঃ

ব্র্যান্ড it360 একটি সমৃদ্ধশালী ম্যানেজমেন্ট ম্যানেজমেন্ট নির্দিষ্ট মূল্য আছে এবং বিভিন্ন ধরনের একমাসব্যাপী বা ছয় মাস অনুযায়ী ম্যানেজমেন্টের জন্য লোক নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে এখানে আমরা আমরা যদি সাইনআপ করে রাখি তাহলে যেকোনো সময় যেকোনো একটি কোম্পানির যুক্তির সাথে আমরা চুক্তিবদ্ধ হতে পারব এই প্যাকেজ মূলত মাসিক অফার করা হয়ে থাকে। 

সাধারণত বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার রা তাদের ক্লায়েন্টদের অন্ততপক্ষে প্রায় ছয় মাস ব্যাপী সেই প্যাকেজ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করে, যাতে তাদের নিজস্ব উন্নতি হয়পাশাপাশি এতে সোশ্যাল একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এবং একটি কোম্পানির লাভবান হয়। সাইটে যেতে উপরের হেডিং এর brandit360 এ ক্লিক করুন।

একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কত আয় করেঃ

এক পরিসংখ্যানে PayScale অনুসারে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজারের সেলারি হয় প্রায় 49,000 ডলার/ প্রতি বছর ।কোন কোন ক্ষেত্রে এই উপাত্ত খুবই কম। কেননা একজন ভাল মানের সোশ্যাল মিডিয়া বাৎসরিক 50 হাজার থেকে শুরু করে 70 হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে ।

বেশিরভাগ  বেশিরভাগ আয় যদিও ওই অ্যাকাউন্টের মালিক পেয়ে থাকে। তারপরও এর কিছু অংশ নেয় সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। বিভিন্ন উন্নত শহরে, যেমন: নিউইয়র্ক সিটিতে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানাজারের অ্যাভারেজ আয় হয় 57 হাজার ডলার /প্রতি বছর।

কাজে যদি আপনি বাংলাদেশ থেকে সোশ্যাল ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব নেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন, তাহলে অবশ্যই আপনি সফল হতে পারবেন। কেননা বাংলাদেশের বিভিন্ন অথবা বাঙালি বিভিন্ন সেলিব্রেটিদের একাউন্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য একজন সোসিয়াল মিডিয়া ম্যানেজার দরকার পড়ে।

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বিজনেসঃ

যদি আপনার নিজস্ব কোন ওয়েবসাইট থাকে , সেখানে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ম্যানেজ করার জন্য লোকজন নিয়োগ দেওয়ার একটি ভাল পদ্ধতি অথবা সিস্টেম গড়ে তুলতে পারেন। তাহলে সেটি হবে আপনারা এর সবচেয়ে বড় আয় করার উপায়।
কারণ হচ্ছে সোশ্যাল ম্যানাজার হওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের লোকজন ছোটো খাটো ওয়েবসাইট খুঁজে দেখে। খুব সহজেই একটি সাইট ম্যানেজমেন্ট করার জন্য অনলাইন জব পেয়ে যায়। যদি কোন ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন তাহলে আপনি একইভাবে বিভিন্ন ধরনের কোম্পানিদের আকৃষ্ট করতে পারবেন। 

এবং পাশাপাশি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার থেকে মেম্বারশিপ কিনে ভালো আয় করতে পারবেন । শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে নয় বরং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম গড়ে তুলতে পারবেন । 

যদি আপনি নিজস্ব একটি ব্যক্তিগত  সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট বিজনেস শুরু করেন, তাহলে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টের আয় সাধারণত ক্লায়েন্টের সেবা প্রদানের উপরই লিমিট করা থাকে।

 আপনার কোম্পানির বৃদ্ধির জন্য অথবা কোম্পানির উন্নতির জন্য ভার্চুয়ালে বিভিন্ন অ্যাসিস্ট্যান্ট অথবা বিভিন্ন ম্যানেজমেন্ট লোক ম্যানেজার লোকদের নিজস্ব এজেন্সী হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন।

একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কি করে:

সম্পূর্ণ ব্লগে হয়তো আপনার একটি প্রশ্ন অবশ্যই মনে জেগেছে আর তা হলো, একটি একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্ব কি? আসলে কোন কাজ করে? এটা খুব সহজ প্রশ্ন এবং এর উত্তর খুব সহজ। একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার তার অ্যাকাউন্ট , অর্থাৎ যে একাউন্ট অথবা যে পেইজ । ধরা যাক কোন একটি ইনস্টাগ্রাম পেজ ম্যানেজমেন্ট করবে তো সেই পেজের তদারকি করে সেখানে বিভিন্ন পোস্ট আপলোড করতে হয়। 

বিভিন্ন তথ্য গুছাতে হয় । এমনকি কপিরাইটিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সবকিছু করা একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজারের কাজ। কাজেই এর জন্য আপনার  দক্ষতার উপর নির্ভর করবে মার্কেটিং ব্যবসা অথবা কমিউনিকেশন। যোগাযোগের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করা।এছাড়াও অনলাইন মার্কেটিং যোগাযোগ অর্থাৎ কমিউনিকেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রাখে।


2. amazon.com:


ফেইসবুক এর চেয়েও আরও বেশি পরিচিত আমাদের সবার কাছে তাহলো amazon.com। এটি একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস, যেখানে যেকোন প্রোডাক্ট অনলাইনে ডেলিভারি ও অর্ডার করা হয়। পুরো বিশ্বব্যাপী ব্যাপক খ্যাতি রয়েছে এই ওয়েবসাইটের। এখন প্রশ্ন হল, অ্যামাজন থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যাবে?

অ্যামাজন তো একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস। যেখানে পণ্য অর্ডার ডেলিভারি সবকিছুই সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশের ততটা অ্যামাজনের প্রভাব কিংবা আধিপত্য আসেনি। কারণ দেশীয় বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস রয়েছে। 

যার মধ্যে আছেঃইভ্যালি(Evaly), দারাজ(Daraz), বর্তমানে আলিবাবা(Alibaba) ইত্যাদি। কিন্তু অ্যামাজন থেকে উপার্জন করা অনেক বেশি কঠিন।

এবং এর উপার্জনের পরিমাণটা অনেক বেশি। ধরুন, আপনি একটি ব্লগ সাইট তৈরি করে নিলেন। যেখানে আপনি প্রতিনিয়ত ব্লগিং করেন। সে ব্লগিং সাইট আপনাকে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট(Amazon Affiliate) কে টার্গেট রেখে তৈরি করতে হবে। চাইলে যেকোন টপিক নিয়ে ব্লগ তৈরি করতে পারেন না।

যদি টেক রিলেটেড ব্লগ বা টেক কোন নিশ হয়, তাহলে সেটা অন্য ব্যাপার। তাছাড়া amazon.com এ বিভিন্ন প্রোডাক্ট গুলো কে নিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা লাগবে। 

তাছাড়া অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট আপনি পাবেন না। অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম, যার মাধ্যমে সরাসরি amazon associate থেকে আপনার ওয়েবসাইটের affiliate ads রান করবে।

সেগুলো এফিলিয়েটেড, পাশাপাশি আপনি চাইলে মার্কেটিং করাতে পারেন। কিন্তু তার জন্য অবশ্যই অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েটকে টার্গেট রেখে আপনার ব্লগিং শুরু করতে হবে। 

যেকোনো নিশ কিংবা টপিক নিয়ে চাইলেই শুরু করতে পারেন না। যদি একবার amazon associates থেকে এড রান করাতে পারেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করাতে পারেন। তবে সেখান থেকে অনেক বেশি ইনকাম করা যায়।

বেশিরভাগ সাইটই affiliate টার্গেট রেখে কাজ করে। যার কারণে এই কাজটি অনেক বেশি দুঃসাধ্য এবং কঠিন। যেমন ধরুন, আপনাকে অবশ্যই ওয়েবসাইটটি ইংরেজিতে তৈরি করতে হবে। 

পাশাপাশি বিভিন্ন প্রোডাক্ট ব্যবহার সম্বন্ধে ধারণা রাখা লাগবে। সেগুলো হতে হবে amazon এর নিজস্ব প্রোডাক্ট। পরিশ্রম বেশী হবে। পাশাপাশি ব্লগিং মার্কেটিং করা নিয়ে গুগোলে র‍্যাংক করানো পর্যন্ত অনেক বেশি খাটুনি ও মেহনত করতে হবে।


3. instragram.com

ইনস্টাগ্রাম আদতে ফেসবুকের একটি অংশ। ইনস্টাগ্রামে একটি সোশ্যাল মিডিয়া সাইট। সেখান থেকেও টাকা ইনকাম করা যায়।

এর জন্য ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট থাকতে হবে। সেখানে সহজেই আপনি ছবি, ফটো, কনটেন্ট আপলোড করে ব্যাপক ফলোয়ার্স কালেক্ট করে নিতে পারেন। আদতে ব্যাপারটা সহজ নয়, বরং ব্যাপারটা অনেক কঠিন তবে।

1000 থেকে শুরু করে 10 হাজার ফলোয়ার কোনভাবে যদি নিতে পারেন, তবে সেখান থেকে স্পন্সরড করে এবং মার্কেটিং করে প্রচুর উপার্জন করা যায়।

4. miPic (Art Website)

আপনি কি কোন আর্টিস্ট অথবা ফটোগ্রাফার?

আপনার তোলা সামান্য ফটো গুলোর দাম এ ওয়েবসাইট দিতে রাজি। নিজের তুলা ফটোগ্রাফি বিক্রি করে উপার্জন করতে পারবেন।

যদি মানসম্মত ও ইউনিক ফটো তুলতে জানেন, তবে তার কদর এ ওয়েবসাইটে আছে। এটি অনলাইনে আয় করার প্ল্যাটফর্ম। এখানে ফটোগ্রাফারদের ছবি, প্রিন্ট করা পিকচার ও আর্ট বিক্রি করে উপার্জন করা যায়।ক

এখানে বিভিন্ন ধরনের হাই কোয়ালিটির পিক, প্রিন্ট ও ফটো দেখা যায়। বিভিন্ন ফটোগ্রাফারেরা নিজেদের ফটো ভালো সেল করতে পারে। একটি ফটোর মূল্য সর্বনিম্ন পাঁচ ডলার থেকে শুরু করে 500 ডলার পর্যন্ত হয়।

এখানে ক্যানভা, টি-শার্ট প্রিন্টিং, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ডিজাইন ও লোগো ইত্যাদি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। চাইলে যেকোন ফ্যাশনেবল আইটেমের ডিজাইন সেল করেঈ এখানে আয় করা যাবে।

এটি একটি ভালো ওয়েবসাইট। যেখান থেকে দারুন উপায়ে উপার্জন করা যাবে। আপনার নিজস্ব চিত্র এখানে যথেষ্ট মূল্যায়ন পাবে।


5. Upwork ফ্রীল্যান্স টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট ২০২২।

আপওয়ার্ক সম্বন্ধে কেইবা না জানে? আমরা সবাই জানি, এটি একটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সাইট। এর পূর্বে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আমি আলোচনা করেছিলাম একটি ব্লগে। যেটি আপনারা এ ব্লগ সাইটেই পেয়ে যাবেন।

তার আগে বলে রাখি আপওয়ার্ক ওয়েবসাইট অনলাইনে আয় করার জন্য বেশ জনপ্রিয়। এখানে অনেক বেশি টুল আছে। যেগুলো থেকে ইন্টারনেটে আয় করা বেশ দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হয়। যেহেতু ফ্রিল্যান্সিং সাইট, সেহেতু বিভিন্ন মার্কেটাররা ও কাস্টমাররা নিজস্ব প্রজেক্ট নিয়ে আসে। সে প্রোজেক্ট কমপ্লিট করতে পারলেই উপার্জন করা যাবে।

এখানে ব্লগ রাইটিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং, মার্কেটিং, একাউন্টিং, এমনকি পণ্য বিক্রি করে উপার্জন করা যাবে। আপওয়ার্ক প্লাটফর্মে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে বিশেষত টেকনিক্যাল স্কিল অর্থাৎ দক্ষতার প্রয়োজন আছে।

পড়ুনঃ

কুইজ খেলে টাকা ইনকাম করুন বিকাশে।
নতুন ব্যবসা শুরু করার নিয়ম।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ইনকাম করার উপায়।

এখানে এমন অসংখ্য লোকজন আছে, যারা মাসে 500 ডলার উপার্জন করতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশি তরুণ সমাজে ফ্রিল্যান্সিং জনপ্রিয়তা ব্যাপক। একইভাবে আপওয়ার্কে কাজ করাও সকলের মাঝে অনেক জনপ্রিয়।

আপওয়ার্ক ফ্রিল্যান্সিং সাইটে মাসিক 500 ডলার থেকে শুরু করে 10 হাজার ডলার পর্যন্ত উপার্জন করা যায়। তার মধ্যে 10 ভাগ কমিশন আপওয়ার্ক সাইটটি নিজেই নিয়ে নেয়।


6. Zirtual

এই ওয়েবসাইটটি ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর জন্য ভ্রাম্যমাণ হয়ে কাজ করে। যে কোন দেশের বিভিন্ন ওয়েবসাইট কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার সাইটের প্রয়োজনে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর প্রয়োজন পূরণ করে।

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট সম্বন্ধে কমবেশি সকলেই জানেন হয়তো। একজন ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট একটি ওয়েবসাইটে ম্যানেজ করে।

যদি ভার্চূয়াল অ্যাসিসটেন্ট হন, তবে সে ওয়েবসাইটে ম্যানেজ করা, কনভারসেশন বজায় রাখা, ওয়েবসাইট যাতে বুলিং এর শিকার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা, বিভিন্ন কনটেন্ট কখনো কখনো এডিটিং করা এ সকল ক্ষেত্রে দক্ষ থাকতে হয়।

যদি এটি একটি অথোরিটি ওয়েবসাইট হয় তাহলে বিভিন্ন ইউজারদের সাথে সুসম্পর্ক রক্ষা করা, তাদের কে সবসময় সাপোর্ট দেয়া এসবের জন্য ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর প্রয়োজন।

ওয়েবসাইটের জন্য অতি দরকারি। Zirtual-য়ে সাইনআপ করে নিলে যে কোন ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট প্রজেক্টে জয়েন দিতে পারবেন। সেখানে মাসিক, সাময়িক অথবা ফুল টাইম জব করার জন্য ওয়েবসাইট বিভিন্ন ধরনের নোটিশ নিয়ে আসবে। আপনার কাছে বিলবোর্ড নিয়ে আসবে।

সেখানে সাইন ইন করে আপনি একটি ওয়েবসাইটে ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতে পারবেন। এবং মাসিক বেতন নিতে পারবেন।

এখানে প্রতি ঘন্টায় 12 থেকে 15 ডলার পর্যন্ত উপার্জন করা সম্ভব। একইভাবে মাসিক অনেকেই হাজার হাজার ডলার উপার্জন করছে। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টশিপে জয়েন দিন।


7. Fiverr

ফাইবার অন্যান্য ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট গুলো থেকে একটু আলাদা। অন্যান্য ফ্রীল্যান্সিং সাইটে বিড করে একটি প্রজেক্টে জয়েন দিতে হয়। এবং সকলের সাথে প্রতিযোগিতা করে নিজস্ব প্রজেক্ট সাবমিট করতে হয়।

কিন্তু ফাইবারে নিজ থেকেই একটি গিগ তৈরি করতে পারবেন। এবং কাস্টমাররা আপনার কাছে এসে বিভিন্ন সার্ভিস কিংবা প্রজেক্ট নিবে। এবং এর নেওয়ার বিনিময় আপনাকে উপার্জন দিবে।

এখানে মাসিক 1000 ডলার উপার্জন করেন এমন অনেক বাংলাদেশি আছেন। $1000 এর থেকেও বেশি উপার্জন করে এমন অনেক বাংলাদেশি আছেন। এখানে কনটেন্ট রাইটিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং সহ সকল ধরনের সার্ভিস রয়েছে।

আপনি অনলাইনে যে কাজটিতে দক্ষ, সেটি বর্ণনা করে একটি গিগ তৈরি করতে পারবেন। এবং সেটিতে কত এমাউন্ট নিবেন সেটি উল্লেখ করতে পারবেন। এবং যখন কেউ আপনার সার্ভিসটি নিবে, তখন তার বিনিময়ে আপনাকে ডলার কিংবা সার্ভিস ফি দিবে।

এটা অনলাইনে আয় করার জন্য খুবই সহজ একটি উপায়। ফাইবারের প্রতি পাঁচ ডলারের মধ্যে এক ডলার ফাইবার নিজেই নিয়ে নিবে অর্থাৎ সার্ভিস ফি হিসেবে কাটবে।


8. Swagbucks

সোয়াগবাক হলো একটি সার্ভে(জরিপ) পূরণ করার সাইট। আপনারা সকলেই জানেন, জরিপ পূরণ করে উপার্জন করা সম্ভব। বাংলাদেশের অনেকেই বিভিন্ন বিদেশি আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করে মাসিক 20 থেকে 25 হাজার টাকা জরিপ পূরণ করে উপার্জন করছে। সোয়াগবাকে জয়েন করলেই ওয়েলকাম বোনাস পাবেন $10।

সোয়াগবাক হলো জরিপ পূরণ করার বিশ্বস্ত সাইট। এটি বিভিন্ন third-party সাইট এর সাহায্যে আপনাকে জরিপ পূরণ করতে সুবিধা দিবে। এবং এর বিনিময়ে দারুন উপার্জন করা যাবে। এমনকি গুগোল, অ্যামাজন ও বিভিন্ন সাইটের গিফট কার্ড এখান থেকে রিডিম করা যাবে।

জরিপ পূরণ করার মাধ্যমে এ ছাড়া অনলাইনে এপ্লিকেশন ডাউনলোড, ওয়েবসাইট ভিজিট করে আয় করা যায়। এখানে গেম খেলে, ভিন্ন ভিন্ন ডিল ডিসকভার করে, অনলাইনে শপিং করে, এমনকি সার্ভে করে উপার্জন করা সম্ভব। এখানে অনলাইন শপিং, বিশেষ করলে এমাজন থেকে নিলেও বিশেষ ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়।


9. Validately

এই ওয়েবসাইটটিতে বিভিন্ন টাস্ক পুরন করে উপার্জন করা যায়। যার মধ্যে আছে, নিজস্ব আইডিয়া কিংবা মতামত প্রদান, বিভিন্ন প্রশ্নের রেফারেন্স প্রদান করার মাধ্যমে উপার্জন করা। এছাড়া এখানে সহজ কাজ করে উপার্জন করা যায়।


উল্লেখিত ওয়েবসাইটগুলো কি বিশ্বস্ত?

জি অবশ্যই। আজকের ব্লগে আমি সর্বোচ্চ বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। এদের বিশ্বস্থতা নিয়ে কোন প্রশ্ন আসতে পারে না। যদি উপার্জন করার সক্ষম হন, তবে অবশ্যই বিশ্বস্ত তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠাবেন না। কারণ ওয়েবসাইটগুলোর অথরিটি প্রচুর। সে দিক থেকে ওয়েবসাইটগুলোতে বিশ্বস্ততার হার অনেক বেশি।

শেষ-কথাঃ

তো আজকে আমি আপনাদের টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট ২০২২ আপডেটের জানালাম। যদি ভালো লাগে, তবে অবশ্যই শেয়ার করবেন। অনলাইনে উপার্জন করার জন্য উল্লেখিত এই ওয়েবসাইটগুলো যদি পছন্দ না হয়, তবে এবিষয়ে আমি আরো অনেক ব্লগিং করেছি। বিভিন্ন বিষয়ে গাইডলাইন দিয়েছি। সেগুলো এই ওয়েবসাইটেই পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।
Rakib

রাকিব "এক্সপার্ট বাংলাদেশ" এর প্রতিষ্ঠাতা এবং মালিক। সে অবসর সময়ে ব্লগিং ও লেখালেখি করতে ভালোবাসে। তাছাড়াও, অনলাইনে নতুন কিছু শেখা তার প্রধান শখ।

4 Comments

কমেন্ট করার মিনতি করছি। আমরা আপনার কমেন্টকে যথেস্ট মূল্য প্রদান করি। এটি আমাদের সার্ভিসের অংশ।

তবে কোনো ওয়েবসাইট লিংক প্রকাশ না করার অনুরোধ রইল।

  1. বাংলাদেশের বেস্ট ডিজিটাল সার্ভিস প্লানটফর্ম হিসাবে খুব শিগ্রহ BWMSHOP.com পরিচিতি লাভ করবেন। ধন্যবাদ আমাদের সার্ভিসটি তোলে দরার জন্য।

    ReplyDelete
    Replies
    1. ধন্যবাদ, আমাদের কমেন্ট করার জন্য।

      Delete
  2. Wirtualy is a platform to offer yourself as virtual secretaries: you answer emails, phone calls, like a real personal assistant. Then it does not matter that the company that asks for secretarial services is on the other side of the world, even that can be stimulating. For more detail click here - https://wirtualy.com

    ReplyDelete
    Replies
    1. Hi, I am very much glad to receive your comment. I understand your opinion. But you got a wrong meaning of my article. Thank you.Have a nice day!

      Delete
Previous Post Next Post