ডিজিটাল মার্কেটিং কি? কিভাবে করতে হয়, কি কি লাগে, কিভাবে শুরু করবেন?



ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন 

ডিজিটাল মার্কেটিং কথাটিকে আমরা একটু কঠিন করে ফেলছি। বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে। মনে করছি যে ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে কোন কিছু ডিজিট ব্যবহার করে এমন। তবে, ডিজিটাল মার্কেটিংকে খুব সহজেই বুঝানো সম্ভব, যদি সেটিকে ইন্টারনেট মার্কেটিং, অনলাইন মার্কেটিং বলতে বোঝাই।

তবে অনলাইনে পণ্য-বিপণন কিংবা, যে মার্কেটিং অনলাইনে সম্পন্ন হয়, সেটি ডিজিটাল মার্কেটিং বলা যেতে পারে। এতে কোনো ব্যতিক্রম নেই। আজকের ব্লগের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখুন, ডিজিটাল মার্কেটিং জানুন। এমনকি আজকে ভালো করে জানতে পারবেন ডিজিটাল মার্কেটিং কি।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর কিছু সমার্থক শব্দ আছে। মানে হলো একে শুধু যে ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে হয় তা না। চাইলে ইন্টারনেট মার্কেটিং, অনলাইন মারকেটিং বলতে পারেন। 

ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে কোন বিশেষ ধরনের মার্কেটিংকে বোঝায়, তা কিন্তু না। এটা সাধারন মার্কেটিং এর মতই। কিন্তু এটা প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে অনলাইন। অর্থাৎ ডিজিটাল মার্কেটিং হলো কিছু নির্দিষ্ট অনলাইন কাস্টমাদের উদ্দেশ্যে করা মার্কেটিং। কিছু নির্দিষ্ট পটেনশিয়াল কাস্টমারদের উদ্দেশ্য করে যে অনলাইন মার্কেটিং করা হয় তাকেই ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাঝে  প্রধান পার্থক্য হলো এই যে, পূর্বে মার্কেটিং করার জন্য় অফলাইন মাধ্যম ব্যবহার করতাম। অর্থাৎ পূর্বে অনলাইনে মার্কেটিং প্রচলন ছিল না। কিন্তু বর্তমান সময়ের ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে মার্কেটিং করাকেই বুঝায়।


ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

সাধারণত, ডিজিটাল মার্কেটিং কোন একটি অনলাইন মার্কেটিং এর প্রচেষ্টাকে বোঝায়। ডিজিটাল মার্কেটিং এর কতগুলো অসাধারণ উদাহরণ হলোঃ ইমেইল মার্কেটিং, পে-পার-ক্লিক এডভারটাইজিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এমনকি ব্লগিং। এসব মাধ্যম ব্যবহারে কোন একটি প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস, পণ্যে যেকোনো বিষয় লোকজনের কাছে তুলে ধরা যায়। 

পণ্য, প্রোডাক্ট  মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া অর্থাৎ সেটিকে প্রমোট করাই হলো ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে কোনো পণ্য ক্রয় করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়। উদাহরণ গুলি উল্লেখ করলাম, সেগুলো মার্কেটিংপ্লেস কিন্তু অনলাইন।

আপনাদের সাথে আমি কতগুলো ডিজিটাল মার্কেটিং কি ও এর পদ্ধতি, তাদের কার্যকারিতা নিয়ে  আলোচনা করছি। সেগুলো জেনে নিলে বুঝতে সুবিধা হবে। বুঝতে সুবিধা হবে, ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্র বিশেষে কত প্রকার হতে পারে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রাথমিক ধারণা নিয়ে আলোচনা করা হলো না। এ সম্বন্ধে জানতে নিচের ব্লগটি পড়ুনঃ


ডিজিটাল মার্কেটিং ও এর উপাদানঃ

ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য ব্যবহার্য উপাদান এর কোনো শেষ নেই। অনলাইনে যে কোন একটি টুল অথবা যেকোনো একটি সার্ভিসকে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপাদানে পরিণত করতে পারবেন। অনলাইনে একটি টুল হলো ইমেইল ইমেইল। ইমেইল মার্কেটিং করার অন্যতম উপাদান। অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, শর্ট ভিডিও, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের জন্য ব্যবহার করতে পারি।

অনলাইনে যেকোন টুল যেটিকে ব্যবহার করে মানুষের দোরগোড়ায় কোন প্রমোশন পৌঁছে দেয়া সম্ভব, সেটাই ডিজিটাল মার্কেটিং।

ওয়েবসাইট ম্যাটেরিয়াল ( ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন)

ওয়েবসাইট উপাদান হলো কন্টেন্ট বা আর্টিকেল।ধরুন, আপনি একটি ওয়েবসাইট খুললেন। সেখানেই ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারেন। একটি ওয়েবসাইটের বিভিন্ন কন্টেন্ট, আর্টিকেলগুলো মধ্যে কিওয়ার্ড রিসার্চ  করা থাকলে সেগুলোতে সহজেই  ডিজিটাল মার্কেটিং পারেন। কিছু ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপাদানঃ

1. ব্যান্ডিং উপাদান (সাইট ইমেজ, লগো, আইকন ইত্যাদি)

অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, লগো, আইকন এগুলো কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপাদান হতে পারে? লোগো, আইকন সৃজনশীল কর্ম। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে টেক লোগো আইকন সকলেরই পছন্দের বিষয়। সেগুলো ব্যবহার করে নিমিষেই ডিজিটাল মার্কেটিং হয়ে যাচ্ছে সেটা আপনারা খেয়ালই করছেন না।

2. শর্ট ভিডিও কন্টেন্টঃ 

(ভিডিও এড, প্রোডাক্টের ডেমো ও ইউটিউব ভিডিও।

ভিডিও কনটেন্ট বলতে গেলেবআমরা সবাই চিনি। ইউটিউব সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং সাইট। মাঝে মাঝে দেখতে পাবেন, সেখানে বিভিন্ন গ্যাজেট ও ডিভাইসের ভিডিও করা থাকে। বিশেষ করে টেকনোলজি রিলেটেড ইউটিউব চ্যানেল গুলো রিভিউ করে।  বিভিন্ন প্রোডাক্ট ডেমো দেখানো ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত। যদি সেটা কোনভাবে সম্ভব হয়, এবং লোকজনকে আকর্ষণ করানো যায়। তবে সেখান থেকেই মার্কেটিং হয়ে যায়। 

3. ছবি সামগ্রী 

(প্রোডাক্ট শট, ইনফো গ্রাফিক্স, কোনো কোম্পানির ফটো)

এছাড়া ইমেইল ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে বিভিন্ন ব্যবহার্য ছবি। বা প্রফেশনাল ফটো। ইনস্টাগ্রাম সম্বন্ধে নিশ্চয়ই জানেন। ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিংয়ে ফটো বা ইমেজ প্রধান হাতিয়ার।

4. লিখিত কন্টেন্ট ও আর্টিকেলঃ 

(ব্লগপোস্ট, প্রোডাক্ট প্রমোশন ও রিভিউ, ই-বুক)

পরবর্তীতে আছে বিভিন্ন লেখালেখি। তো রাইটিং কনটেন্ট আবার কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে? সেটা নিয়ে প্রশ্ন না করাই ভালো। কারণ বিভিন্ন ব্লগ সাইটে পাশাপাশি ওয়েবসাইটগুলোতে  বিভিন্ন পণ্যের রিভিউ দেয়া হয়। টেকনোলজি ওয়েব সাইট গুলোতে গ্যাজেট, ডিভাইস সম্বন্ধে রিভিউ দেয়া হয়। সেখানে হয়তো এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোমোশন থাকতে পারে। অথবা থাকতে নাও পারে। তবে সেটিও কিন্তু ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত। এর জন্য পণ্যের অথোর বা মালিক ওয়েবমাস্টারের সাথে কন্ট্রাক্ট করে নেয় আরকি।

এছাড়াও SaaS ক্যালকুলেটর এবং কন্টেন্ট প্রোডাক্ট ও টুল এ তালিকায় পড়ে।


ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে অবদান রাখেঃ

1. সোশ্যাল মিডয়া পেজঃ

সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখে। এবং বাংলাদেশ-ভারত এলাকায় সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোই বেশিরভাগ  ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পন্ন করে। 

যদি খেয়াল করেন, তবে দেখবেন কিছু মহিলা বিভিন্ন জামা কাপড় নিয়ে অনলাইন লাইভ আসছে। এবং সেগুলোর রিভিউ করে যাচ্ছে। আর সেলও অনলাইনে প্রচুর হয়। এর মধ্য দিয়ে কোন একটি প্রডাক্টের, প্রসাধনী সামগ্রীর রিভিউও কম বেশি হয়।

তারা অনেক মেয়ে এবং মহিলাদের আকর্ষণ করে। এবং নিমিষে সেগুলো অনলাইনে ক্রয় হয়ে যায়।  ফেসবুক পেজ গুলো এভাবেই ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে অবদান রাখে। এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।


ডিজিটাল মার্কেটিং এর পদ্ধতিঃ

তো ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপাদান এর পাশাপাশি এরকিছু স্ট্যাটিজি আছে। যেগুলো প্রায়ই বিভিন্ন ব্যবসায়ী অথবা যারা মার্কেটিং করান তারা ব্যবহার করছেন। বড় বড় ব্র্যান্ডেড কোম্পানি গুলো অথবা যারা সদ্য নতুন প্রমোশন পেতে চাইছেন তারা সে সকল স্ট্যাটিজি অথবা কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করছে।


1. PPC এডভার্টাইজিং

pay-per-click এডিভার্টাইজিং সম্বন্ধে আমরা সবাই জানি। এ এডভার্টাইজিং অনুযায়ী কোনো একটা অ্যাডমার্কেটপ্লেসে নিজের অ্যাড সাবমিট করতে হয়। তাদেরকে টাকা পেমেন্ট করতে হয়। এবং তারা আপনার এ  বিভিন্ন জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে শো করবে। এজন্য আপনাকেও সে হারে পেমেন্ট করতে হবে।

তো এ অনুযায়ী আপনার পণ্যের প্রমোশন অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়। কেননা যে কেউ চাইলে সেখানে ক্লিক করতে পারে। আবার যারা সে পণ্যের প্রতি আগ্রহী, তারাই এসে ক্লিক করতে চাইবে। এবং এর মধ্য দিয়ে আপনি অনেক কাস্টমার সংগ্রহ করে নিতে পারেন।

পিপিসি এডভার্টাইজিং এর উদাহরণ এর মধ্যে আছে গুগল এডোয়ার্ড। গুগল এডওয়ার্ড এর মধ্যে গুগল এডসেন্স আছে। এছাড়াও আছে গুগল এডমোব। বিভিন্ন ওয়েবসাইট অ্যাপ্লিকেশন ইউটিউব ভিডিওতে, বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে মার্কেটিং করে। আবার পণ্যের মার্কেটিং এর ব্যাপারে যাতে কোন সন্দেহ না থেকে সেদিকটাই এড মার্কেটপ্লেসগুলো নিশ্চিত করে।

তো গুগোল এডোয়ার্ড ব্যবহারে যে পিপিসি সার্ভিস আছে, সেটিকে বলা হয় পেইড সার্চ এডভারটাইজিং।  আর ফেসবুক ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া হলে সেটা পেইড সোশ্যাল মিডিয়া এডভার্টাইজিং বলে।


2. সোশ্যাল এডভার্টাইজিং (পেইড)

আমরা সকলেই সার্চ ইঞ্জিনের সাথে পরিচিত। যার মধ্যে গুগলের নাম উল্লেখ করলে ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সকলেই চিনতে পারবে। গুগোল এগুলো জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। সার্চ ইঞ্জিনে মানুষের সার্চ করে বিশেষ প্রয়োজনে। বিশেষ করে গুগলে বেশিরভাগ লোকই সার্চ করে। যখন কোনো কিছু সার্চ করবেন, পরবর্তীতে মাঝেমধ্যে বিভিন্ন কিওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে এড চলে আসে। তাও সার্চ পেজে। এই এডগুলো কিসের হবে?

পড়ুনঃ

ব্লগ পোস্ট হতে পারে। এবং সেটিতে অর্গানিক ট্রাফিক আনার জন্য সার্চ ইঞ্জিনকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি একটি পেইড সার্চ এডভার্টাইজিং। এ অনুযায়ী, তারা তাদেরকে এবং পরবর্তীতে কেউ যদি ঐ কন্টেন্ট এ ক্লিক করে তবে দুটি কাজ সম্পন্ন হতে পারে।

প্রথমত কোন ব্লগার একটি হট কিবোর্ডে তার কন্টাক্ট র‍্যাংক করাতে পারছে না। বিধায় এডভার্টাইজিং হিসেবে সেটি সার্চ ইঞ্জিনে টপে থাকলে সেই কনটেন্ট ক্রিয়েটর বেশি ট্রাফিক পাবে।

অথবা একজন মার্কেটার ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য কন্টেন্ট প্রমোট করতে চাইছে। যাতে ক্লিক পড়লে নির্দিষ্ট অডিয়েন্সের নিয়ে পণ্য মার্কেটিং করানো সম্ভব হয়।

গুগল, বিং ও ইয়াহু সকল সার্চ ইঞ্জিনই তাদের সার্চ পেজে টেক্সট এড শো করতে দেয়।পেইড সার্চ এডভারটাইজিং কিছু পটেনশিয়াল কাস্টমারদের লক্ষ করে করা হয়। এটি কোন প্রোডাক্ট ও সার্ভিস প্রমোশন করার জন্য বেশ ভালো উপায়।


3. এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন)

                                 ডিজিটাল মার্কেটিং এর অংশ এসইও

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্বন্ধে কমবেশি সকলেই জানি। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলতে কোনো পোস্ট অথবা কনটেন্টকে গুগল সার্চ ইঞ্জিনের ব্যবহার করার জন্য উপযোগী করে তোলা।  

আমরা সকলেই জানি গুগলে কিওয়ার্ড সার্চ করা হয়।  গুগলে একটি ছোট শব্দ,বাক্য  সার্চ করা যেতে পারে। একইভাবে একটি বড় বাক্যও সার্চ করা যেতে পারে। এটা এনালাইজ করে একটি কন্টেন্টকে সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে দেখবে, সে অনুযায়ী সাজানোকেই এসইও বলা হয়। 

কেবল গুগলের জন্যই যে এসও গ্রহণযোগ্যতা পায়, তা না। ইয়াহু, বিং এসব সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উপযোগী এই এসইও। মোটকথা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনে কাছে নিজেকে তুলে ধরছেন।  আপনার কন্টেন্ট কি বিষয়ে লেখালেখি হয়েছে? সেটিকে ফুটিয়ে তুলছেন। এবং কনটেন্ট এর মান যদি পরবর্তীতে ভালো আসে, তবে সেটাকে সার্চ পেজে র‍্যাংক করে দিবে।

seo এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো  অর্গানিক ভিজিটর কালেক্ট করা। আপনার আর্টিকেলের যে ফোকাসকি-ওয়ার্ড, সেটি নিশ্চিত ঐসকল ভিজিটররাই সার্চ করবে, যারা সেখানে ইন্টারেস্টেড। এ বিষয়ে যদি অর্গানিক ভিজিটর পেয়ে যান, তবে কিওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে লাভ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

ধরুন ❝কিভাবে অনলাইনে ইন্সুরেন্স করবো❞ এ ব্যাপারে একটি কিওয়ার্ড সার্চ হলো। এবং সে কিওয়ার্ডে আর্টিকেল পোস্ট করলেন। পরবর্তীতে সেটি গুগলে র‍্যাংক এতে করে তারাই সার্চ করবে, যারা সরাসরি অনলাইনে কোনো ইন্সুরেন্স নিতে চাইছে। এবং সে অনুযায়ী যদি আপনি কোন ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে মার্কেটিং ডিল করেন।

 তবে এখানে আপনার অনেক টাকা উপার্জন হয়ে যাবে। কারণ অনেকেই সেখান থেকে সরাসরি ইন্সুরেন্স করিয়ে নেবে। তো এখানে ইন্সুরেন্স কোম্পানির মার্কেটিং করালেন আপনি। এভাবে নিজের পণ্যও মার্কেটিং করানো সম্ভব।

পড়ুনঃ

এসইও করিয়ে নিলে আপনি নিমিষে অর্গানিক ভিজিটর পাবেন। এবং এখানে কোন প্রকারের টাকা পে করতে হচ্ছে না। তো এসইও  ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত বিষয়। এবং এই ব্যাপারে আমি চাইছি একটি আর্টিকেল লেখার জন্য। 


4. সোশ্যাল মিডিয়া এডভার্টাইজিং (পেইড)

বেশিরভাগ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যেমনঃ ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এগুলোতে এডভার্টাইজিং করা সম্ভব। এবং সেগুলো অনুমতি দেয়। ফেসবুক একটি প্রধান সোশ্যাল মিডিয়া। এখানে একইভাবে ভিডিও শেয়ারিং করা থাকে। এবং সেসকল কন্টেন্ট চাইলে নিজের কাছের লোকদের কাছে শেয়ার করা যায়।

নিজের পেজ ভিও করার জন্য সব সময় ফেসবুক ইউজার আছে। ফেসবুক প্লাটফর্মে একের ভিতর সবই আছে। এখানে এডভারটাইজিং করে আয় করা যায়। পেজের ভিউ আসে ফেসবুক থেকে।  এবং নিজের পোস্ট প্রমোশন করার জন্য ফেসবুকে মার্কেটিং করানো যায়। 

তো এসব ফেসবুকে শেয়ার করবেন। এবং ফেসবুক থেকে ভিউ নিবেন। সোশ্যাল মিডিয়া সাইট গুলোতে ডিজিটাল মার্কেটিং করানো অনেকটাই সহজ। এজন্য আপনি কম দামে সোশ্যাল মিডিয়াতে যেকোনো পণ্য এডভার্টাইজ করতে পারবেন। সেটি লোকজনের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন।

আর সেটি দেখবে আপনার দেশের লোক। এবং এটা নিশ্চিত থাকেন। আবার ফেসবুক ইউজারদের বিভিন্ন পার্সোনাল ইনফরমেশন লিক করে। যাতে করে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য সম্বন্ধে জানে।

যাতে আপনার এডের ব্যাপারে আগ্রহী হয়, সেটা ফেসবুক পিপিসি এডভার্টাইজিং চেস্টা করে। তো আপনি যদি কোন জামা কাপড়ের মার্কেটিং করাতে চান, তবে ফেসবুক সে সুবিধা করে দিবে। কারণ সে এ ব্যাপারে আগ্রহী লোকের কাছে বিজ্ঞাপন নিয়ে যাবে। যারা সে ব্যাপারে আগ্রহী। কারণ ফেসবুক তার বিভিন্ন থার্ড পার্টি ব্যবহার করে আপনার পার্সোনাল ইনফরমেশন লিক করে।

তো  পেইড সোশ্যাল মার্কেটিং এর একটি অন্যতম উদ্দেশ্য হলো অডিয়েন্স দেরব্যাপারে অবগত রাখা। আপনার সার্ভিস এর ব্যাপারে তাদেরকে আগ্রহ জাগানো। এবং তাদেরকে এ ব্যাপারে অবগত করে দেওয়া।


5. সোশ্যাল মিডিয়া অনলাইন মার্কেটিং

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং নিয়ে আর কোন কথা বাড়ালাম না।  আমি নিজে একটি ব্লগ পোষ্ট করেছি। এবং এখানে অনেক বিস্তারিত লেখালেখি করেছি। দেখে নিতে পারেন।


6. সি-আর-ও (কনভারসেশন রেট অপটিমাইজেশন)

তো কনভারসেশন রেট মানে হল কথোপকথনের হার। কোন একটি ওয়েব সাইট অথবা সাইটের অথরিটি সবচেয়ে বেশি মনে করা হয়, যখন সাইটে বেশি কমেন্ট থাকে। কথোপকোথনের রেফ বেড়ে গেলে আপনার কাছে চ্যাট আসবে, সেল আসবে পণ্যের।

কারণ হচ্ছে তখনই একজন কমেন্ট করে জানতে চাইবে, যখন আপনাকে সে বিশ্বাস করবে। আপনাকে বুঝবে।  ফ্রেন্ডলি কনভারসেশন রেট বাড়ানো ব্যাপারটা কিন্তু অনেক বড় ব্যাপার। 

কনভারসেশন রেট বাড়াতে আপনার নিজের আর্টিকেলটি ইউজার ফ্রেন্ডলি হতে হয়। আপনি এমন ভাবে লেখালেখি করবেন, যেনো আপনি যার সাথে কথা বলছেন তার ব্যক্তিগত ব্যাপার গুলো সম্বন্ধে জানাচ্ছেন। সেগুলো সমাধান দিচ্ছেন। তার সাথে কথা বলার মাধ্যমে আপনার মার্কেটিং করাচ্ছেন। 

যেকোনো ওয়েবসাইটের কাছে এটা খুব ভালো দিক। কারন গুগল একটি সাইটের বিশ্বাসযোগ্যতা, অথরিটি নিয়মিত চেক করে। সকল ব্যবসায়ীদের যেকোন প্রডাক্ট প্রমোশন অনেক ইউজার ফ্রেন্ডলি হতে হয়। যাতে করে কনভারসেশন, কমেন্টে বেড়ে যায়। এই আর্টিকেলটি শেয়ার, কমেন্ট করে নিন। যাতে আমি নিজেও কিছু উপকৃত হই


7. কন্টেন্ট মার্কেটিং

কন্টেক্ট মার্কেটিংয়ের ব্যাপারটাকে আমরা যত ছোট মনে করি, আদৌ তা না। এটার ব্যাপার-সেপার ও পরিধি অনেক বড়। কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে অনায়াসে সবচেয়ে বেশি মার্কেটিং করে লাভবান হওয়া যায়। একটি বড় ব্যাপার।  ভিডিও অথবা ব্লগপোস্টে মাধ্যমে কন্টেন্ট মার্কেটিং করিয়ে নেয়া যায়। 

তো এখনকার যুগে বেশিরভাগ লোক বা বিশ্বের বেশিরভাগ কন্টেন্ট সরাসরি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চলে আসে। এর মধ্য দিয়ে ব্লগাররাও অনলাইনে উপার্জন করছে। একই ভাবে মার্কেটাররাও লাভবান হচ্ছে।


8. ইমেইল মার্কেটিং

ইমেইল মার্কেটিং অনেক পুরাতন ভার্সন। বর্তমান ডিজিটাল মার্কেটিং এর শুরু থেকেই ইমেইল মার্কেটিংয়ের বেশ জনপ্রিয়তা ছিল। এবং এখনো আছে। এবং এটি অনেক শক্তিশালী মার্কেটপ্লেস।

ইমেইল অনলাইনে মার্কেটিং এর জন্য ব্যবহার করতে পারেন। একাধিক ইমেইল পাঠানো যায় এমন অসংখ্য টুলও আছে। তো ইমেইল মার্কেটিং ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি মার্কেটিং করতে পারেন। প্রশ্ন হল, এই যে ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে সেগুলো কোথায় হচ্ছে? ইমেইলে এসে তো এড দেখি না। উত্তর হলো জিমেইলে ডুকে প্রমোশন অপশনে গেলে ইমেইল মার্কেটিং এর অসংখ্য উদাহরণ পাবেন। ইমেইল কপিরাইটিং করতে হয়,

  • এডভার্টাইজ ডিল দেখে।
  • কন্টেন্ট হাইলাইট করে।
  • এটা কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের একটি পার্ট। .
  • এফিলিয়েট মার্কেটিং.

এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্বন্ধে ছোটখাটো সবাই জানি। এ অনুযায়ী, যে কাউকে একজন ব্যবসায়ী বা কোম্পানির প্রোডাক্ট প্রমোশন করার জন্য অর্থ প্রদান করা হয়ে থাকে। 

আরও পড়ূনঃ

যদি উপরের লিস্ট গুলোতে একবার তাকান, দেখবেন অনেকগুলো ইমেইল মার্কেটিংয়ের স্ট্যাটিজি আছে। একেকটা ধাপ। নিজের পণ্য বা কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ে সকল স্টেজেরই প্রয়োজন আছে।সেগুলো মাধ্যম হিসেবে আমি উল্লেখ করেছি। একইসাথে উপাদান গুলোও উল্লেখ করেছি। 

মার্কেটিং এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু দিক হলো হাউস মার্কেটিং। এবং অটোমেশন সফটওয়্যার। এসব ব্যবহারেও অনেক ব্যবসায়ীরা ডিজিটাল মার্কেটিং করাচ্ছে। এবং এদিকে নাকি সফল হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে ভালো।


ডিজিটাল মার্কেটিং করা কি কার্যকরী?

যে কোন একজন ব্যবসায়ী অথবা ছোটখাটো অনলাইন যারা প্রোডাক্ট সেল করে, তাদের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং সবচেয়ে বেটার হবে। কারণ ছোটখাটো একজন ব্যবসায়ী অথবা যারা যারা অনলাইনে পণ্য সেল করে, তারা চাইলেই কোন প্রোডাক্ট পত্রিকায় গিয়ে প্রমোশন করতে চাইবেনা। সেখানে অনেক বেশি টাকা পে করতে হবে। কিন্তু ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবহারে বিনামূল্য মার্কেটিং করানো সম্ভব। বিশেষ করে প্রডাক্ট রিভিউ। 

যদি এসইও কন্টেন্ট রাইটিং করে নিতে পারেন, তবে  বিনামূল্যে মার্কেটিং হয়ে যাবে। আবার যদি ব্যবসায়ের প্রমোশন করতে চাইছেন, তবে সিপিসি এডভার্টাইজিং করাতে পারেন। অথবা কোন একটির সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। আবার ডিরেক্ট এডভার্টাইজিংয়ে গেলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর খরচ কম পড়বে।

শুরু থেকেই আমরা সবসময় চেয়েছি এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে নিজের ব্যবসা বাড়ানোর জন্য।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্য দিয়ে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে উন্নত হয়েছে। এবং যারা অনলাইন সার্ভিস প্রদান করে, তারাও বেশ উপকৃত হচ্ছে। ডিজিটাল মার্কেটিং এরজন্য সম্পূর্ণ কোর্স নিতে পারেন। পরবর্তীতে আপনার বেশ কাজে আসবে অনলাইনে। এবং এটা নিলে আপনার অনলাইন যেকোনো প্রডাক্ট সেলিং ব্যবসা উন্নত হবে। সেটিতে বেশি আয় হবে এবং ধীরে ধীরে আপনার ব্যবসা বৃদ্ধি লাভ করবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবহার করে আপনি যে কোন লোকেশনের যে কাউকে টার্গেট করতে পারবেন। এবং তাকে সে ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন। পণ্য ও সার্ভিসের ব্যাপারটি তাকে জানাতে পারেন। অনলাইন মার্কেটপ্লেস  পুরো বিশ্বে মার্কেটিং করার সুবিধা দিবে।

অনলাইন রিসার্চ করে কিছু ওয়েবসাইট কন্ডিশন দেখলাম। কিছু নিয়মকানুন পেলাম। যেগুলো বোঝায় এই যে, আপনার সার্ভিস বা ব্যবসায়ের ধরণ কি রকম? সেখানে ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে অনেক বেশি সুফল পাওয়া সম্ভব। এবং অনেক সফল হওয়াও সম্ভব। তার মধ্যে আছে ওয়েবসাইট অনুযায়ী ডিজিটাল মার্কেটিং


ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো?

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করবেন? ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করা সহজ। কারণ অনলাইনের সকল প্ল্যাটফর্মই আপনাকে মার্কেটিং করার সুবিধা সহজেই  দিবে।

যেকোনো অনলাইন মার্কেটপ্লেস, বিশেষ করে এডভার্টাইজিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে আপনি সহজে সাইনআপ করে নিতে পারেন। সেখানে যে কোনো একটি ক্যাম্পেইন তৈরি করতে পারেন। সেখানে বিনিয়োগ করার মধ্য দিয়ে আপনার পণ্য সকলের কাছে পৌছে দিতে পারেন। এতে উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। 

যার কারণে ধীরে ধীরে এর পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখানে সফল হওয়ার নিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিচ্ছে। যার কারণে ডিজিটাল মার্কেটিং য়ে পণ্য প্রমোশনে সমস্যা হওয়ার কথা না।

আমিই একসাথে চেষ্টা করব পেইড এডভার্টাইজিং কিভাবে শুরু করবেন সে ব্যাপারে এখানে লিখার। আবার ফ্রী এডভার্টাইজিং কিভাবে করতে পারেন অর্থাৎ মার্কেটিং করতে পারেন সে বিষয়ে কিছু বলার। আপনাকে টাকা পে করতে হবে না।এবং এগুলোতেও  মারকেটিং সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আবার সিপিসি এডে মার্কেটপ্লেস চাইবে আপনার পণ্যের শতভাগ মার্কেটিং হউক।

যদি পেইড অথবা পিপিসি এডভার্টাইজিং করাতে চান  তবে ফেইসবুক মার্কেটিং বেশ জনপ্রিয়। এবং সেখানে যেকোনো লোকাল অ্যাডভারটাইজার এবেইলেবল।


কিছু ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ও সুবিধা:

১। অনলাইন সার্চ মার্কেটিং।

২। পেইড সামাজিক যোগাযোগ মার্কেটিং।

৩। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।

৪। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং।

৫। কনভারসেশন রেট অপ্টিমাইজ (CRO)

৬। কন্টেন্ট মার্কেটিং।

৭। ইমেইল মার্কেটিং।

৮। B2B ও B2C ডিজিটাল মার্কেটিং। 


মার্কেটিং করানোর আগে কমার্সিয়ালি ব্যবসায়ের ২ ধরনের হদিস মেলে।

১) B2B (বিজনেস টু বিজনেস)

২) B2C (বিজনেস টু কনসিউমার)

এর উপরই ডিজিটাল মার্কেটিং কোন পদ্ধতিতে করবেন তার দেখা মেলে।


ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধরন নিরীক্ষণঃ

ডিজিটাল মার্কেটিং অনেকাংশে নির্ভর করে আপনার কোম্পানির উপর। বা আপনার কাজের ধরনের উপর। প্রথমত আছে  B2B, পরবর্তীতে আছে B2C। এর মানে হচ্ছে ব্যবসা থেকে ব্যবসা। আর B2C বিজনেস টু কনসিউমার। এগুলো সম্বন্ধে একটু জেনে নেয়া যাক। যারা ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে করবেন তারা নিন ব্যবসা সম্বন্ধে অবগত হয়ে সে অনুযায়ী ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারেন।


1. (B2B) Business To Business:

 এ ধরনের কম্পানি মূলত অনলাইনের অডিয়েন্সদের মধ্যে বেশি লিড করে।  অর্থাৎ যেথায় যাইবেন তাহাদের পাইবেন। তারা এমন অডিয়েন্সের সবসময় আকর্ষন করার চেষ্টা করে। এখানে হাই রেট বাজেটের বিভিন্ন প্রোডাক্ট প্রমোশন ও বিক্রয় হয়। এজন্য প্রয়োজন পড়ে একজন সেলসপারসন। 

সেলসপারসন মানে পণ্য বিক্রেতা। পণ্যবিক্রেতার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয়, প্রমোশন এবং প্রডাক্ট রিভিউ সম্পন্ন হয়।প্রয়োজন পড়তে পারে একজন কপিরাইটার। যে এডের টেক্সট লেখালেখি করবে। এবং আপনার প্রোডাক্ট প্রমোট করবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যবসা ও এগুলোর পণ্যের মূল্য অনেক বেশি।

একজন বিটুবি সেলস পারসন জিনিসগুলোকে পেইড প্রমোট করতে চাইবেন। অবশ্যই বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং ডিজিটাল চ্যানেল যেগুলো বর্তমানে অ্যাভেলেবল আছে। সেগুলোতে প্রমোট করতে চাইবেন। যেমন ধরুন, বিনানি একটি ফরেক্স ট্রেডিং সাইট। এটি বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলদেরকে উদ্বুদ্ধ করছে এবং তাদের থেকে প্রমোশন নিচ্ছে। 

এটি এক ধরনের বিজনেস টু বিজনেস ম্যাথড। এবং তারা অনলাইন চ্যানেলগুলোকে মূলত টার্গেট করে প্রমোট করাচ্ছে। 

এখানে ব্যবসা থেকে ব্যবসা বলতে কি বুঝানো হলো সেটাই বুঝানো হলো না। এর মানে B2B প্রতিষ্ঠানের পণ্যগুলাও ব্যবসা রিলেটেড। অপরদিকে  বি২সি সাইটের পণ্য সরাসরি কনসিউম বা সরবরাহ করে নেয়া যায়। তাই B2C সাইটে সরাসরি ফোন কল, চ্যাটিং, সেল বেশি হয়।

বিভিন্ন ব্যবসা কীওয়ার্ড ফোকাস রাখে এরকম চ্যানেল ব্যবহার করতে পারেন। তার মধ্যে আছে ডেমোগ্রাফিক চ্যানেল। যেগুলো সব সময় অনলাইনে টাইম  সময় ব্যয় করে। এবং বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।


2. B2C ডিজিটাল মার্কেটিংঃ

এরপরও পড়ছে বিজনেস 2 কনসিউমার। বি২সি ব্যবসা পদ্ধতি প্রাইস অর্থাৎ মূল্যের উপর নির্ভর করে। এবং এদের প্রধান লক্ষ্য হলো ডিজিটাল মার্কেটিং। এর মধ্য দিয়ে যেকোনো অডিয়েন্সকে আকর্ষণ করা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের কোম্পানিতে কম মূল্যের প্রোডাক্ট  থাকে। এবং একজন বিক্রয় কর্মীর প্রয়োজন পড়ে না। যে বিক্রি করে দিতে পারে সেও প্রফিট নিতে পারে।

B2C কোম্পানিগুলোতে কম মূল্যের প্রোডাক্ট ক্রয়-বিক্রয় হয়। এখানে খুব বেশি দামে পণ্য বিক্রয় করার কথা ভাবা হয় না। ধরুন আপনি অনলাইনে প্রোডাক্ট মার্কেটিং করছেন। এবং সেখানে একজন মহিলার কাছে এসে প্রোডাক্ট বিক্রয়ের এডভারটাইস চলে আসলো। লাখ ডলারের পণ্য বা খুব বেশি দামের প্রোডাক্ট মহিলাটিকে আকর্ষণ করবেনা। ওগুলো আকর্ষণ করে কমার্সিয়াল লোকেদের।

একটি এড মহিলার চোখে পড়ে গেল। সেখানে বলা হচ্ছে যে, বাচ্চাদের প্যান্ট 800 টাকায় বিক্রি করা হবে।  ঐ বিজ্ঞাপন দেখে যেকোনো পিতা-মাতা সহজে আকৃষ্ট হয়। বিদেশি কোম্পানিগুলো চায় কম মূল্যের প্রোডাক্টগুলো ইউজারদের কাছে নিয়ে আসি। যদিও বেশি পরিমানে আয় সেখানে সম্ভব না। B2C তে বেশি এক্সপেন্সিভ প্রডাক্ট ক্রয়-বিক্রয় হয়না। কিন্তু বেশি পরিমাণে ক্রয় বিক্রয় হয়।

তবে এর জন্য অবশ্যই সঠিক অডিয়েন্স এবং সঠিক অনলাইন ভিজিটরদের খুঁজে বের করতে হবে। তাদেরকে সে অ্যাডভাইজিং দেখাতে হবে। এখনই জন্যই মূলত বিভিন্ন থার্ড পার্টি কোম্পানিগুলো মানুষের ইনফরমেশন নিতে চায়। তাদেরকে ট্র্যাক করতে চায়। জানতে যায় যে তারা কি বিষয়ে ভাবছে? 

অনলাইনে কি কিনতে চাচ্ছে?  তার অপিনিয়ন বা মতামত গুলো জানতে পারলে, তাকে কি এডভার্টাইজিং দেখালে উপকৃত হবে, সেটা বিচার বিবেচনা করে মার্কেটিং করানো লাগে।

এজন্য আপনি প্রথাগত সেন্স ব্যবহার করে মার্কেটিং করতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রোডাক্ট সেল থেকে শুরু করে সব কিছু কথাবার্তা ওয়েবসাইটে সম্পন্ন হয়ে যায়। এবং এর জন্য বেশিদূর এগোতে হয় না। এবং এটা অনেকটা সহজ পদ্ধতি।বি২সি কোম্পানিগুলো জন্য লিংকডইন (LinkedIn) ইনস্টাগ্রাম, পিন্টারেস্ট এগুলো ভালো।


ডিজিটাল মার্কেটিং করতে কি কি লাগে?

ডিজিটাল কনটেন্ট এর উপর নির্ভর করবে আপনার মার্কেটিং। এবং কী ধরনের ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করবেন সেটি আপনার চাহিদার উপর নির্ভর করে। এমনকি অডিয়েন্স কেমন চাচ্ছেন? কোন ধরনের অডিয়ান্স এর দিকে লক্ষ করে মার্কেটিং করতে চাচ্ছেন? সেগুলো উপর নির্ভর করবে।

 বিভিন্ন স্টেজে অডিয়েন্সের ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট এর মার্কেটিং দেখানোর চাহিদা বিভিন্ন রকমের হয়। এবং কোন একটি এড এর উপর, একটি মার্কেটিং এর উপর তারা কখন আকৃষ্ট হবে সেটাও দেখার বিষয়।

পড়ুনঃ

যেকোনো একটি ফ্রি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারেন। ফ্রি ওয়েবসাইট থেকে মাঝে মাঝে ট্রাফিক ড্রাইভ করে নিজের কমার্শিয়াল ওয়েবসাইটে নেয়া যায়। সেখান থেকে অডিয়েন্সের লক্ষ চাহিদা সেগুলো নিশ্চিত হওয়া যায়। এবং পরবর্তীতে ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরীর মাধ্যমে মার্কেটিং সম্পন্ন হয়।

কেউ একটি পণ্য ক্রয় করতে চাইলে তাকে সে বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ফ্রী মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে কন্টেন্ট রাইটিং এর জন্য এসইও থাকা চাই। এমনকি এসইও করা সেই পোস্টে কনটেন্ট এর ভিতরে ওই অর্ডিন্যান্সের চাহিদাগুলোকে তুলে ধরা উচিত। এবং সে অনুযায়ী মার্কেটিং করানো উচিত।

যখন কন্টাক্ট মার্কেটিংয়ে  ভিউয়ার অথবা ভিজিটর উদ্বুদ্ধ হবে। এবং তারা রেডি হয়ে যাবে সেই সুবিধা ভোগ করার জন্য। এবং সেখানে প্রস্তুত থাকবে। একটি নির্দিষ্ট মারকেটিং স্টেজে তখন সেটাকে আমরা বলি কন্টেন্ট ম্যাপিং।কনটেন্ট ম্যাপিং ছাড়াও কিছু লক্ষ্য আছে। যেগুলো কন্টেন্ট এ থাকা চাই। এমনকি কোন বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে একটি কনটেন্ট তৈরি করতে হয়, সেটাও জানা দরকার। যেমন ধরুনঃ

কোন একজন বিক্রেতা যিনি আপনার প্রোডাক্ট ক্রয় করতে চাইবে, তার পার্সোনালিটি কেমন হবে? সে কি ধরনের লোক হবে? সেগুলো জানা থাকলে আপনার ডাটাবেস অনেকটা স্ট্রং হয়। এতে করে কন্টেন্ট মার্কেটিং সহজ হয়।

লাইফসাইকেল নামক স্টেজ আছে। সেখান থেকে কোন ব্যক্তির বিভিন্ন ইনফর্মেশন কালেক্ট করা যায়। এগুলো বিভিন্ন third-party অ্যাপ গুলো পরিচালনা করে। সেখান থেকে জানা যায় যে একজন ব্যক্তি কতটা ক্লোজ? অর্থাৎ কতটা বন্ধুত্বপূর্ণ কয়েকটি পণ্য ক্রয় করার ক্ষেত্রে। এ বিষয়টি জেনে রাখা দরকার। ডিজিটাল মার্কেটিং কি সম্পুর্ণ ব্লগ  পড়ে জেনে নিন।


1. অডয়েন্সের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য যা যা লাগেঃ

একটি ব্লগ পোষ্ট বা কনটেন্ট অর্গানিক ট্রাফিক তৈরি করার জন্য সবচেয়ে ভালো। সেটিকে এসইও করে নেওয়া হলে, বেশ ভালো অর্গানিক ট্রাফিক নিয়ে আসে। এবং সেখানে কিওয়ার্ড তৈরি করাও অনেক জরুরী। এজন্য জানা দরকার কন্টেন্ট মার্কেটিং এর ধারণা। এবং সেটি ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি অংশ।

ইনফোগ্রাফিক্সঃ একটি ব্লগ সাইটের কনটেন্ট অনেকটাই শেয়ার করার যোগ্য। এবং সেটি খুব সহজেই শেয়ার করে ফেসবুক পেজ, সোশ্যাল মিডিয়াতে পাবলিশ করা যায়।  অনেক ইউজারই শেয়ার করে থাকে। এতে করে যেটি হয় সেটি একই সাথে সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রাফিক পাওয়া যায়। 

যেগুলো হয়তো আপনার কান্ট্রি দেশ এবং একই ভাষাভাষী হওয়ায় সুবিধে হয়। কন্টেন্ট মার্কেটিং করার ব্যাপারটা অনেকাংশে চলে আসে। পরবর্তীতে সেখান থেকে ভালো মুনাফা অর্জন করা যায়। যখন কোন একটি কনটেন্ট মার্কেটিং করা হবে তখন।

শর্ট ভিডিওঃ এটি অনেক শেয়ার উপযোগী। এবং অনেক লোকজন ফেসবুক ভিডিও শেয়ার করে। ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করে। এবং ইউটিউব ভিডিও ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে এর বেশ জনপ্রিয়তা আছে। কাজেই ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখুন।

ই-বুকঃ এবং এর মাধ্যমে যে কোনো একটি বিষয়ে রিসার্চেবল করে তৈরি করা যায়। উন্নত দেশে ইবুক ব্যবহারে পণ্য মার্কেটিং অনেক জনপ্রিয়।

রিসার্চ কন্টেন্টঃ আবার এটিও অনেক ভ্যালুয়েবল কন্টেন্ট ড্রইং। এর জনপ্রিয়তা অনেক। ভালো রিসার্চ রিপোর্ট ব্যবহার করে যেকোনো ডাটাবেজ সাজিয়ে কোন একটি পণ্য মার্কেটিং করে নেয়া যায়। এতে করে সেটি দেখতে যেমন সুবিধার হয়। পণ্য সম্বন্ধে একই পলকেই একজন ভিজিটর ভালো ধারণা নিতে পারেন। আর রিসার্চের উপর থেকে কোন কোন ক্ষেত্রে বিভিন্ন তথ্য দেয়া যায়। আকর্ষণ করার সম্ভাবনা বেশি থাকে।


2. সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার জন্য কি কি লাগে?

পরীক্ষা- নিরীক্ষাঃ ওয়েবসাইটে কোনো কন্টেন্ট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ঐ সাইট সম্বন্ধে ডিটেইল্ড জানা দরকার। কনফার্ম করে নিতে হবে ঐ সাইটের নিশ কি। এবং সেখানে কেসটি স্টাডি করে নেয়া উচিত যে, ভিজিটররা এখানে নিজের সিদ্ধান্ত নেয় কিভাবে? কোনো এড প্রদর্শণীর পর তাদের সিদ্ধান্ত কি দাড়ায়।

প্রোগ্রেসিভ রিপোর্ট তৈরীঃ কেস স্টাডি ভালো না হলে, ডিজিটাল মার্কেটিং্যের জন্য ওয়েবসাইটটির টেস্টিমনিয়াল প্রয়োজন। এতে করে সংক্্ষিপ্ত ধারণা পাওয়া যাবে।


ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে করতে হয়? 

ডিজিটাল মার্কেটিং এর কিছু ধারাবাহিক ফর্মুলা আছে। একে একে সকল প্রকারের গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি সমূহ পালন করে ডিজিটাল কন্টেন্টের মার্কেটিং ও প্রমোশন করতে হয়। কাজেই চলুন জেনে নিই কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হয়।

1. নির্দিষ্ট লক্ষ নির্ধারণ।

লক্ষ্য নির্ধারণ করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এডভার্টাইজিং উপর নির্ভর করে আপনি কিভাবে মার্কেটিং করাবেন আমি আর কতগুলো যথাযথ কারণ উল্লেখ করছি।

ধরুন, আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলেন। অর্গানিক ভিজিটরের জন্য আপনি বিভিন্ন ভিজিটরদের আকৃষ্ট করতে চাইছেন। রেগুলার ওয়েব ভিজিট এর জন্য আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়া দিকে নজর রাখতে হবে। সেখানে মার্কেটিং করাতে হবে। কারণ সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিয়মিত ভিজিট করতে চাইবে। 

এবং সেখান থেকে প্রতিনিয়ত নিয়মিত ভিজিটর পাবেন। এবং আপনি ওয়েবসাইট ডেভেলপ করতে পারবেন। গ্রহণ করতে পারবেন। অবশ্য ব্যাপারটা আসে যাতে করে অর্গানিক ট্রাফিক পাওয়া সম্ভব হয়। কিন্তু যেহেতু মার্কেটিং করাতে চাইছেন সেতু ওয়েবসাইটের জন্য আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়ার দিকে নজর রাখতে হবে।

প্রোডাক্ট এর বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করা হলে আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের সাথে প্রকাশ করতে হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ কি আমরা কমবেশি ধারণা রেখেছি। এবং এখানে কোন কিওয়ার্ড উপর ভিত্তি করে নিজের মার্কেটিং, ডিজিটাল কনটেন্ট রাইটিং প্রভৃতি সম্পন্ন করতে হবে। পরবর্তীতে যদি ফিন্যান্সিয়াল  কিওয়ার্ড হয়, তবে সেখান থেকে ভালো মূল্যের ইনকাম সম্ভব। এবং প্রফিট অর্জন করা সম্ভব। 

PPC ক্যাম্পেইন করে ট্রাফিক ড্রাইভ করা সম্ভব। সেখানে ভালো ভালো পোস্ট সাবমিট করে, ভালো রকমের পণ্য প্রডাক্ট প্রমোশন এবং সেখান থেকে উপার্জন সম্ভব।


2. টার্গেটেড অডিয়্যান্সদের খুজে বের করা।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির অডিয়েন্স দিকে আকৃষ্ট করা। 

 – তো ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা আপনি কখনোই ভোগ করতে পারবেন না বা বুঝতে পারবে না। যদি না আগে থেকে একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির অডিয়েন্স দেয়ার টার্গেট না করেন। মানে হচ্ছে, আমরা মার্কেটিং বলতে যে শুধু ডিজিটাল মার্কেটিং কে বোঝাই এমন না। 

অফলাইন মার্কেটিংও আছে, যেমনটাঃ আমরা টেলিভিশনে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখি। টেলিভিশন বিজ্ঞাপন এর ক্ষেত্রে যেটা হয় সেটা হল তারা অনেক ব্র্যান্ডের অনেক লোকের চাহিদা অনুযায়ী বিজ্ঞাপন দেয়। কোন নির্দিষ্ট করে বিজ্ঞাপন দিতে চায় না। যেমনঃ কখনো কাপড়ের বিজ্ঞাপন, কখনো সাবানের বিজ্ঞাপন, আবার কখনো প্রসাধনী সামগ্রীর বিজ্ঞাপন।

 সকল ধরনের বিজ্ঞাপন সকলেই দেখতে চায় না। এই সকল ব্যাপার ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে হয়না। ডিজিটাল মার্কেটিং একটি নির্দিষ্ট টপিক এর অর্ডিয়েন্সকে কে লক্ষ্য করে মার্কেটিং করা যায়। এতে করে তারা বোরিং অনুভব করে না। এতে করে মার্কেটিং এর সুফল আসার সম্ভাবনা থাকে বেশি। .

একটা বিষয় লক্ষ্য করার মতো। ইনস্টাগ্রামে যারা ভিজিটর আছে অথবা ইউজার আছে বেশির ভাগই কম বয়সের তরুণ। তাদের বিভিন্ন মিমি অথবা কুইক ভিডিও আকারে মার্কেটিং করালে খুব সহজেই আকৃষ্ট হতে পারে।

 কিন্তু লিনকড ইন নামক সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশিরভাগই অনেক পুরনো প্রফেশনাল। তারা অভিজ্ঞ এবং টেকনিকাল ইস্যুগুলিতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আকৃষ্ট হয়। অনেক বিষয় বিবেচনা করে কোন একটি পণ্য কিনতে আগ্রহ হয়। এবং তারা বেশির ভাগ বেশি দামে এবং বেশি প্রফিট বাছাই করে নেয়।


3.প্রতিটি ডিজিটাল চ্যানেলের জন্য নির্ধারিত বাজেট রাখা।

আপনি কত বাজেট নির্ধারণ করবে কত বাজেটে কোন এক ডিজিটাল চ্যানেল খরচ করবেন, সেটা আপনার উপর নির্ভরশীল। নিজের ওয়েবসাইটে ডিজিটাল কনটেন্ট রাইটিং করে সরাসরি মার্কেটিং শুরু করুন। 

আর যদি ওয়েবসাইট না থাকে তবে আপনার বিজনেস অথবা ব্যবসা করতে হবে। ওয়েবসাইটে ব্যবসা মার্কেটিং করতে হবে। এর জন্য ডিজিটাল কনটেন্ট এর পাশাপাশি ডিজিটাল চ্যানেল এর দিকে নজর রাখুন।  ইমেইল মার্কেটিং করুন। আপনার কন্টেন্ট শেয়ার করার পাশাপাশি বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল আছে।

পড়ুনঃ

সেখানে যোগাযোগ করার জন্য চেষ্টা করতে হবে। যে কোন চ্যানেল ব্যবহার করে মার্কেটিং করা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে খুব বেশি প্রয়োজন পড়ে না। তবে চ্যানেলগুলোতে প্রয়োজনে খুব সহজে আকৃষ্ট করা সম্ভব নাও হতে পারে। 

কিন্তু একটি ব্লগসাইটে টাইটে অনুযায়ী ভালো ভিজিটর আসে। একটি কনটেন্টের ভিজিটররা টাইটেল দেখে ওই কন্টেন্টে প্রবেশ করে। তার মানে ওই ভিজিটররা এই ধরনের পণ্য সম্বন্ধে জানতে ইচ্ছুক। অথবা ওই পোস্টটি পড়ে আপনার প্রোডাক্ট ক্রয় করতে চাইছে।তাহলে বাজেট সম্বন্ধে আপনাদের ঠিক সেরকমই ধারণা রাখা উচিতর

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে ইমেইল মার্কেটিং এর প্রয়োজন পড়ে। ইমেইল মার্কেটিংয়ের জন্য ইমেইল প্রয়োজন। যা কোনো ওয়েবসাইট বা একজন প্রফেশনাল ইউটিউবার থেকে নেয়া যেতে পারে। সেটা অবশ্যই মনে রাখতে হবে। ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে ভালো জানতে কোর্স নিতে পারেন।

তো বাজে নির্ধারনের পফ যখন পিপিসি এডভার্টাইজিং এ কেউ যায়। তখন যে ব্যাপারটা সেটা হলো কিওয়ার্ড এর উপর আপনার বাজেট নির্ধারণ করবেন। যখন পিপিসি অ্যাডভার্টাইজিং ব্যবহার করে নিজের এড দিবেন, তখন একই ইন্ডাস্ট্রির, মানে আপনি যে ইন্ডাস্ট্রি বা কোম্পানি তার মতোই অন্যান্য কোম্পানিরাও এড দিবে। 

এতে কয়েকটা কোম্পানির উপর কম্পিটিশন তৈরি হবে। অন্যান্য কোম্পানি গুলোও ওই কিওয়ার্ডে বাজেট নিয়ে বের হবে। যার কারনে আপনার এড গুলো শো করা অনেক এক্সপেন্সিভ হয়ে যেতে পারে। মানে ব্যয় বহুল হয়ে যেতে পারে। এজন্য আগে থেকে বাজেট নির্ধারণ করা উচিত। 

ডিজিটাল কনটেন্ট কি হতে পারে সেগুলো নির্ধারণ করে রাখা অনেক জরুরী। কারণ এতে করে বেশি খরচ করে মার্কেটিং এ লাভ হওয়ার থেকে ক্ষতি হতে পারে।


4. পেইড এবং ফ্রী ডিজিটাল মাধ্যমের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য তৈরি।

ডিজিটাল মার্কেটিং এবং মার্কেটিং সম্বন্ধে কিছুটা ধারণা দিয়েছিলাম। এ সম্বন্ধে আগে বলে নেই, যখন কোন ডিজিটাল কনটেন্ট রাইটিং করতে হয় তখন সেটাকে এসইও করে নিতে হয়। 

এতে করে অর্গানিক ট্রাফিক পাওয়া যায়। তাই এসইও অর্গানিক ট্রাফিকের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সফল মার্কেটিং এর জন্য পেইড মার্কেটিং এর ভেতরে ফ্রি মার্কেটিং এর স্পর্শ থাকা চাই। বিশেষ করে কনটেন্ট রাইটিং ইত্যাদির স্পর্শ থাকলে সেটা অনেক বেশি সুফল বয়ে আনবে। এবং মার্কেটিংয়ের লাভ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। ব্যালেন্স করতে হয় ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য 


5. ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরীতে অধিক মনযোগী হোন।

একবার নিজে একবার যদি নিজের বাজেট নির্ধারণ করে নিতে পারেন তবেই ডিজিটাল কনটেন্ট মার্কেটিং শুরু করে দিতে পারেন। ডিজিটাল কনটেন্ট মার্কেটিং করতে, কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে আপনি একসাথে পিপিসি এডভার্টাইজিং, স্পন্সর পোস্ট, এফিলিয়েট মার্কেটিং, নিউজলেটার,  ইমেল মার্কেটিং প্রভৃতি সম্পন্ন করতে পারেন। এবং নিজে বিভিন্ন ওয়েব সাইটের কনটেন্ট এডিটিং করতে পারেন।

আর হ্যাঁ, আপনি যে কন্টেন ক্রিয়েট করছেন। অথবা কন্টাক্ট মার্কেটিং করছেন। সেটা অবশ্যই অনেক ইন্টারেস্টিং এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি হওয়া উচিত। 

আমি প্রায় সময় কন্টেন্ট মার্কেটিং বলি। তো এটার মানে যদি কেউ না বোঝেন। তাহলে বলে রাখি। কনটেন্ট বলতে আমরা ইউটিউব, ভিডিও, ফেসবুক পোস্ট, ব্লগ,ওয়েবসাইটের আর্টিকেল অথবা কোন একটি নিউজলেটার অথবা ই-মেইলে যে কপিরাইটিং করা হয় এগুলাকেই বুঝি।  কনটেন্ট ব্যবহারে যদি মার্কেটিং করি তবে এটা একটা কনটেন্ট মার্কেটিং। ডিজিটাল কনটেন্ট মূলত অনলাইনে থাকে সেগুলোই আমি নিয়েছি।


6. ডিজিটাল এসসেটকে মোবাইল এর জন্য অপ্টিমাইজ।

আপনার যে ডিজিটাল কনটেন্ট অথবা প্রকরণ আছে সেগুলো কে মোবাইলের জন্য ফ্রেন্ডলি করুন। তো মোবাইলের জন্য অপটিমাইস করার ক্ষেত্রে মোবাইল ফ্রেন্ডলি হতে হবে। মোবাইল ইউযেবিলিটি বাড়াতে হবে। মোবাইলে বেশিরভাগ গ্রাহকগণ থাকেন। এবং মোবাইল মূলত বেশিরভাগই যারা ব্যবহার করে। 

এর জন্য আপনাকে মোবাইল ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট আবার মোবাইল ফ্রেন্ডলি থিম ইউজ করতে হবে। যদি ওয়েবসাইটে নিজের ফ্রি মার্কেটিং করাতে চাইছেন তো। আর এ ছাড়া নিজের মার্কেটিং যাতে মোবাইলে ঠিকভাবে দেখায়, সেটা করতে হবে। যেমনঃ ব্যানারে সাইজ ঠিকমত সেট করা লাগতে হবে। ইত্যাদি।

এটার মানে হল আপনাকে ডিজিটাল অ্যান্ড ওয়েব পেজ সোশ্যাল মিডিয়ার ছবি অথবা ইনস্টাগ্রাম আগে থেকে ঠিক করে নিতে হবে। মোবাইলের জন্য অপটিমাইজ থাকতে হবে। যাতে করে মোবাইল ফ্রেন্ডলি হয়। এবং মোবাইল ইউজাররা এই অ্যাডগুলো সহজেই দেখতে পারে। মার্কেটিং করতে পারে। ইত্যাদি।


7. কনডাক্ট কিওয়ার্ড রিসার্চ করা।

ফ্রী মার্কেটিং করতে চাইলে, কনটেন্টের কিওয়ার্ড রিসার্চ করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ঠিকমতো রিসার্চ করে নিবেন। নির্দিষ্ট এবং স্পেসিফিক করাবেন। তা না হলে উল্টোপাল্টা কিওয়ার্ড রাঙ্ক করালে কোনো নির্দিষ্ট অডিয়েন্সের কাছে আপনার ডিজিটাল কনটেন্ট যাবে না। এতে করে মার্কেটিং সম্পন্ন হবে না।

কন্ডাক্টিং কিওয়ার্ড বলে একজন একই ওয়ার্ডের ভেরিয়েন্ট আছে। অনেক বেশি সিপিসি এবং এগুলোর চাহিদা অনেক বেশি। পাশাপাশি এগুলোতে প্রতিদ্বন্দিতা অনেক বেশি।  যদি একবার কোন মার্কেটিং করেন, তবে সাথে সাথে মার্কেটিং সম্পন্ন হবে। অনলাইনে প্রচুর উপার্জন সম্ভব। ভিজিটরেরা সরাসরি আপনার মার্কেটিং সম্পন্ন করে দিবে। আপনার উদ্দেশ্য সম্পন্ন করে দিবে।

যদি আপনি সবসময় এসইও করার ক্ষেত্রে বিশেষ বিশেষজ্ঞ হন, তবে কনটেন্ট কন্টাক্টিং কিওয়ার্ড নিয়ে রিসার্চ করুন। সেগুলোতে আর্টিকেল রান করান। তাহলে যদি আপনি মার্কেটার হন, তবে এমন সব স্পনসরিং, এফিলিয়েট লিংক পাবেন এগুলোতে আপনাকে একদিনে লাখোপতি করে দিবে।

সবশেষে ডিজিটাল কন্ডিশনাল মার্কেটিং একটি বড় পরিসরের কনটেন্ট। এবং আমি এই নিয়ে ছোটখাটো একটা রিসার্চ করে নিজের ব্লগ লিখলাম। এখানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মোট পরিসরের ১ শতাংশ আসে কিনা বলতে পারিনা। তো ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, তবে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। পরবর্তীতে আমি এ নিয়ে যদি ব্লগে লেখালেখি করব।


উপসংহার।

তো ডিজিটাল মার্কেটিং এর এই কনটেন্টে আমি এমন সব স্ট্রেটিজি উল্লেখ করেছি। যেগুলো আপনাদের চাহিদার সাথে মিলতে নাও পারে। বিশেষ করে বড় বড় কোম্পানি ও গ্রুপ এর সাথে রিলেটেড মারকেটিং প্রসেস দেখানোর চেষ্টা করেছি।

যদি সেগুলোতে উপকৃত না হন। তবে কমেন্ট করে বলবেন যে,  কি বিষয় আপনি জানতে চাচ্ছেন? তাহলে এমন হতে পারে এ বিষয়ে একটা বিস্তারিত কনটেন্ট রাইটিং করে দিতে পারি। মোটকথা এখানে বড় বড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেস নিয়ে এসেছি। যেগুলো মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে বেশ কাজে আসবে। আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ। ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে করতে হয়, ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে কমেন্ট করুন। ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন জানুন।

আমার থেকে কন্টেন্ট লিখিয়ে নিতে Fiverr Gig এ যোগাযোগ করুন।

Rakib

রাকিব "এক্সপার্ট বাংলাদেশ" এর প্রতিষ্ঠাতা এবং মালিক। সে অবসর সময়ে ব্লগিং ও লেখালেখি করতে ভালোবাসে। তাছাড়াও, অনলাইনে নতুন কিছু শেখা তার প্রধান শখ।

Post a Comment

কমেন্ট করার মিনতি করছি। আমরা আপনার কমেন্টকে যথেস্ট মূল্য প্রদান করি। এটি আমাদের সার্ভিসের অংশ।

তবে কোনো ওয়েবসাইট লিংক প্রকাশ না করার অনুরোধ রইল।

Previous Post Next Post